• ই-পেপার

বিশ্বকাপের মাঝেই নতুন ক্লাবে লেভানদোস্কি

লিভারপুলের ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পিএসজির দিকে ‘বিস্ময়বালক’

ক্রীড়া ডেস্ক
লিভারপুলের ১০০ মিলিয়নের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পিএসজির দিকে ‘বিস্ময়বালক’
ছবি : রয়টার্স

ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলের দলবদল বাজারে এবার বড়সড় এক বোমা ফাটালেন আইভরি কোস্টের ১৯ বছর বয়সী সেনসেশন ইয়ান দিওমান্দে। চলতি গ্রীষ্মকালীন দলবদলে আরবি লাইপজিগ ছাড়লে তার পরবর্তী গন্তব্য যে প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) তা প্রায় নিশ্চিত করেই জানিয়ে দিলেন তিনি।

ফরাসি জায়ান্টদের ভবিষ্যৎ প্রজেক্ট এবং কোচ লুইস এনরিকের কোচিং দর্শনে মুগ্ধ হয়েই পার্ক দেস প্রিন্সেসে পাড়ি জমাতে চান এই উইঙ্গার।

ক্রীড়াভিত্তিক প্রভাবশালী গণমাধ্যম ‘দ্য অ্যাথলেটিক’-এর এক প্রতিবেদনে বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, পিএসজি সভাপতি নাসের আল-খেলাইফি এবং স্পোর্টিং ডিরেক্টর লুইস কাম্পোসের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনাই দিওমান্দেকে আকৃষ্ট করেছে। এই ফরাসি ক্লাবে যোগ দিলে নিয়মিত বড় বড় ট্রফি জেতার পাশাপাশি ভবিষ্যতে নিজের ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বপ্ন পূরণ করা সহজ হবে বলেই মনে করছেন এই ফুটবলার।

অথচ এই তরুণ প্রতিভাকে দলে ভেড়াতে ১০০ মিলিয়ন ইউরোর (প্রায় ৮৬.৮ মিলিয়ন পাউন্ড) বিশাল এক প্রস্তাব নিয়ে তৈরি ছিল ইংলিশ জায়ান্ট লিভারপুলও। তবে জার্মান ক্লাব লাইপজিগ সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেয়। গত গ্রীষ্মে স্প্যানিশ ক্লাব লেগানেস থেকে লাইপজিগে যোগ দেওয়া দিওমান্দেকে সহজে ছাড়তে নারাজ তারা।

২০৩০ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ থাকা এই ফরোয়ার্ডের জন্য অন্তত ১৩০ মিলিয়ন ইউরো দাবি করছে ক্লাবটি, পাশাপাশি তাকে নতুন চুক্তিতে বেঁধে রাখার চেষ্টাও চালাচ্ছে তারা।

বর্তমানে দেশের হয়ে বিশ্বকাপে মাঠ মাতাচ্ছেন দিওমান্দে। আগামী মঙ্গলবার টেক্সাসের আর্লিংটনে শেষ ৩২-এর মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নরওয়ের মুখোমুখি হবে তার দল আইভরি কোস্ট, যেখানে মূল একাদশে দেখা যেতে পারে এই তরুণ উইঙ্গারকে।

মাঠের দুই প্রান্তেই সমান তালে ঝড় তুলতে পারা এই উইঙ্গার গেল মৌসুমে লাইপজিগের হয়ে ছিলেন দুর্দান্ত ফর্মে। বুন্দেসলিগায় মাত্র একটি ম্যাচ মিস করা দিওমান্দে ৩৩ ম্যাচে করেছেন ১২টি গোল, আর সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৯টি গোল। তার এই অতিমানবীয় পারফর্ম্যান্সের ওপর ভর করেই লিগে তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করার পাশাপাশি আগামী মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের টিকিট কাটে লাইপজিগ। 

স্বপ্নের জয় : ইতিহাসের সেরা দিন দেখল কানাডার ফুটবল

ক্রীড়া ডেস্ক
স্বপ্নের জয় : ইতিহাসের সেরা দিন দেখল কানাডার ফুটবল
সংগৃহীত ছবি

বল জালে জড়ানোর জন্য চেষ্টার কমতি রাখল না কোনো দলই। একের পর এক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে আসছিল না শুধু গোল।

নির্ধারিত সময় শেষে যখন সবাই অতিরিক্ত সময়ের অপেক্ষায় তখনই অবিশ্বাস্য শটে বল জালে জড়ালেন কানাডার অধিনায়ক স্টিভেন ইউস্টাকিও।

এই এক গোলের জয়েই দক্ষিণ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে শেষ ষোলো নিশ্চিত করল বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ কানাডা।

কানাডিয়ান ফুটবলের জন্য এটি শুধু একটি জয় নয়, বরং একটি যুগান্তকারী মুহূর্ত। এই জয় দেশটির ফুটবল ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় অর্জন।

গত কয়েক বছরে ধারাবাহিক উন্নতির মধ্য দিয়ে নিজেদের শক্তিশালী করে তুলেছে কানাডা। ২০২২ সালে দীর্ঘ অপেক্ষার পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছিল দলটি। আর এবার নিজ দেশের মাটিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে তারা প্রমাণ করে দিল, আন্তর্জাতিক ফুটবলে তারা আর শুধুই অংশগ্রহণকারী নয়, বরং শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে এটি ছিল কানাডার ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ নকআউট ম্যাচ। শুরু থেকেই আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না জেসি মার্শের দল। একের পর এক সুযোগ নষ্ট হওয়ায় ম্যাচ যত শেষের দিকে গড়াচ্ছিল, ততই বাড়ছিল উদ্বেগ। এমনকি দ্বিতীয়ার্ধের কিছু সময়ে দক্ষিণ আফ্রিকাও পাল্টা আক্রমণে বিপদের আভাস দিয়েছিল।

ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় কানাডার সবচেয়ে বড় তারকা আলফোনসো ডেভিস মাঠে নামার পর। হ্যামস্ট্রিং চোটের কারণে গ্রুপ পর্বে না খেলা বায়ার্ন মিউনিখ তারকা পুরোপুরি ফিট না থাকলেও তার উপস্থিতিই কানাডার আক্রমণে নতুন প্রাণ সঞ্চার করে। দক্ষিণ আফ্রিকার রক্ষণভাগও তখন চাপে পড়ে যায়।

অবশেষে নির্ধারিত সময়ের যোগ করা মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। দক্ষিণ আফ্রিকার ডিফেন্ডার একটি ক্রস হেড করে বক্সের বাইরে পাঠালে সেখানে অপেক্ষায় ছিলেন স্টিভেন ইউস্টাকিও। পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত, অন্টারিওতে জন্ম নেওয়া এই মিডফিল্ডার বুকে বল নামিয়ে হাফ-ভলিতে নিচু শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। গোলরক্ষক ঝাঁপিয়েও সেই শট ঠেকাতে পারেননি।

গোল হতেই আনন্দে ফেটে পড়েন কানাডার ফুটবলাররা। সবাই ছুটে গিয়ে ইউস্তাকিওকে জড়িয়ে ধরেন। শেষ বাঁশি বাজার পর সেই উচ্ছ্বাস আরো কয়েকগুণ বেড়ে যায়, এটিই যে কানাডার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ সাফল্য!

এই জয় শুধু শেষ ষোলো নিশ্চিত করেনি, বরং কানাডার ফুটবলের জন্য এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের শক্ত অবস্থানের বার্তা দিয়েছে কানাডা। ইউস্টাকিওর সেই এক শট হয়ত বহু বছর ধরে কানাডার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের ফল জানাল সুপার কম্পিউটার

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিল-জাপান ম্যাচের ফল জানাল সুপার কম্পিউটার
ছবি রয়টার্স

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার হয়ে এবার নকআউটের হাইভোল্টেজ মহারণে মুখোমুখি হচ্ছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল ও এশিয়ার ‘পাওয়ারহাউজ’ জাপান। যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোয় ওঠার এই লড়াইয়ে যে দলই জিতবে, তারা মুখোমুখি হবে নরওয়ে অথবা আইভরি কোস্টের।

কাগজে-কলমে এবং মাঠের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে ম্যাচের আগে পরিষ্কার ব্যবধানে এগিয়ে সাম্বার দেশ ব্রাজিল। ফুটবলভিত্তিক ডাটা অ্যানালিটিক্স প্রতিষ্ঠান ‘অপটা সুপার কম্পিউটার’-এর ২৫ হাজার সিমুলেশনের ফলও বলছে সে কথাই। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ব্রাজিলের জয়ের সম্ভাবনা যেখানে ৫৭.৩ শতাংশ, সেখানে জাপানের জয় পাওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ১৯.৭ শতাংশ। বাকি ২৩ শতাংশ সম্ভাবনা রয়েছে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে কিংবা টাইব্রেকারে গড়ানোর।

টুর্নামেন্টের শুরুটা কিছুটা খাপছাড়া হলেও ধীরে ধীরে চেনা ছন্দে ফিরছে কার্লো আনচেলত্তির দল। গ্রুপ ‘সি’ চ্যাম্পিয়ন হয়েই নকআউটে পা রেখেছে তারা। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে পয়েন্ট হারানোর পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি সেলেসাওদের। হাইতি ও স্কটল্যান্ডকে টানা ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে রয়েছে নেইমার-ভিনিসিয়ুসদের উত্তরসূরিরা।

প্রথম ম্যাচে গোল খাওয়ার পর থেকে টানা সাত গোল করেছে ব্রাজিল, বিপরীতে হজম করেনি একটিও। ২০০২ সালের পর বিশ্বকাপের মঞ্চে গোল করার এমন ধারাবাহিকতা এবারই প্রথম দেখাল লাতিন আমেরিকার পরাশক্তিরা।

এদিকে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাসও কথা বলছে ব্রাজিলের পক্ষে। এখন পর্যন্ত ১৪ বারের দেখায় ১১ বারই শেষ হাসি হেসেছে ব্রাজিল, ড্র হয়েছে দুটি ম্যাচ। জাপানের জয় মাত্র একটিতে। তবে সামুরাই ব্লুজদের সেই একমাত্র জয়টি এসেছিল দল দুটির সর্বশেষ দেখায়, যা ব্রাজিলের জন্য বড় এক সতর্কবার্তা।

গত অক্টোবরে টোকিওতে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে ম্যাচটি হেরে বসে ব্রাজিল। জাপানের হয়ে সেই ম্যাচে জয়সূচক গোলটি করেছিলেন আয়াসে উয়েদা। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে দুই দলের একমাত্র সাক্ষাতে ২০০৬ সালে ৪-১ ব্যবধানের দাপুটে জয় পেয়েছিল ব্রাজিলই।

যোগ করা সময়ের গোলে দ. আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে শেষ ষোলোতে কানাডা

ক্রীড়া ডেস্ক
যোগ করা সময়ের গোলে দ. আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে শেষ ষোলোতে কানাডা
ছবি : রয়টার্স

বল জালে জড়ানোর জন্য চেষ্টার কমতি রাখল না কোন দলই। একের পর এক আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে আসছিল না শুধু গোল। নির্ধারিত সময় শেষে যখন সবাই অতিরিক্ত সময়ের অপেক্ষায় তখনই অবিশ্বাস্য শটে বল জালে জড়ালেন কানাডার অধিনায়ক স্টিভেন ইউস্টাকিও।

এই এক গোলের জয়েই সাউথ আফ্রিকার স্বপ্ন ভেঙে শেষ ষোল নিশ্চিত করল বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ কানাডা।

বাঁচা-মরার এই মহারণে বল দখলের লড়াইয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা কিছুটা এগিয়ে থাকলেও আক্রমণ, সুযোগ তৈরি কিংবা কর্নারের হিসেবে ছড়ি ঘুরিয়েছে কানাডাই। পুরো ম্যাচে প্রোটিয়াদের গোলমুখে ১২টি শট নেয় কানাডিয়ানরা, যার মধ্যে সাতটিই ছিল অন-টার্গেট। তবে ম্যাচজুড়ে চরম স্নায়ুচাপ ধরে রেখেই শেষ পর্যন্ত মাঠ ছেড়েছে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শুরু থেকেই ছিল টানটান উত্তেজনা। ২২তম মিনিটেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করে কানাডা। বাঁ প্রান্ত ধরে দ্রুত আক্রমণে উঠে ওলুয়াসেয়ির পাস থেকে বল পেয়েছিলেন লাড়িয়া। কিন্তু তিনি বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার আগেই ফাউলের শিকার হলে সুবিধাজনক জায়গায় ফ্রি-কিক পায় স্বাগতিকরা। ইউস্টাকিওর বাড়ানো দর্শনীয় ক্রসে ডি-বক্সের ভেতর সম্পূর্ণ আনমার্কড অবস্থায় ছিলেন ডেরেক কর্নেলিয়াস। কিন্তু বড়সড় গড়নের এই সেন্টার ব্যাক ঠিকঠাক হেড করতে না পারায় বল মাটিতে ড্রপ খেয়ে সরাসরি জমা পড়ে গোলরক্ষক উইলিয়ামসের গ্লাভসে।

৩৬তম মিনিটে আরও একবার ভাগ্য জোরে বেঁচে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। প্রোটিয়া ডিফেন্ডার এমবোকাজির এক মারাত্মক ভুল পাসে বল পেয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠে কানাডা। তবে ডি-বক্সের মাথায় এসে সালাবা শেষ মুহূর্তে সঠিক পাসটি বাড়াতে না পারায় সে যাত্রা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে দক্ষিণ আফ্রিকা।

বিরতির ঠিক আগে, ৪৩তম মিনিটে কানাডার একটি কর্নারকে কেন্দ্র করে প্রোটিয়া বক্সে রীতিমতো তুলকালাম লেগে যায়। মোমবিতোর হেডারে বল জালের দিকেই ছুটছিল, তবে একদম গোললাইন থেকে বাঁ পায়ে তা ক্লিয়ার করেন মোদিবা। ফিরতি বলে একদম কাছ থেকে বুকানন জোরালো শট নিলেও চিতার মতো ক্ষিপ্রতায় শরীর ভাসিয়ে দিয়ে তা রুখে দেন উইলিয়ামস। ফলে গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

বিরতি থেকে ফিরেও দক্ষিণ আফ্রিকার ত্রাতা হয়ে ছিলেন সেই উইলিয়ামস। ৬৫তম মিনিটে জোনাথন ডেভিডের নেওয়া শট পা বাড়িয়ে রুখে দেন এই গোলরক্ষক। এরপরও ফিরতি বল থেকে গোল হতে পারত, তবে এবার গোললাইন থেকে দলকে রক্ষা করেন এমবোকাজি।

নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত একের পর এক সেভ করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন উইলিয়ামস। কিন্তু যোগ করা সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে ইউস্টাকিওর ওই এক গোলের কাছেই ভাঙল প্রোটিয়াদের রক্ষণ দুর্গ, আর উল্লাসে মাতল কানাডা।

এখন শেষ ষোলোয় আগামী ৪ জুলাই কানাডার প্রতিপক্ষ হতে পারে মরক্কো অথবা নেদারল্যান্ডস।