ভাগ্যিস এখন ফুটবল বিশ্বকাপ চলছে! এই সময়ে ক্রিকেট নিয়ে খেলাপ্রেমীদের খুব একটা আগ্রহ নেই। নয়তো এতক্ষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রলের বন্যা বইয়ে যেত।
অপেক্ষাকৃত দুর্বল প্রতিপক্ষ হওয়ায় যে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলার জন্য বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের হাত নিশপিশ করে বলে মনে করা হয়, সেই জিম্বাবুয়ে এবার শান্ত-মুশফিকদের লজ্জায় ফেলে দিল।
হারারেতে আজ শুরু হওয়া দুই দলের একমাত্র টেস্টে বাংলাদেশকে ১৪০ রানে গুটিয়ে দিয়েছে জিম্বাবুয়ে, যা দলটির বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন সংগ্রহ। টেস্টের প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রান ১০৭; ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ২০০১ সালে।
আজ টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে জিম্বাবুয়েন পেসারদের তোপে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটাররা। ব্যক্তিগত ২ ও দলীয় ৬ রানে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। আরেক ওপেনার সাদমান ইসলামও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তিনি আউট হন ২০ রান করে।
এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে ৭৭ রানের জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন মুমিনুল হক। কিন্তু এই জুটি ভাঙতেই বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইন আপ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে।
১১৩/২ থেকে ১৪০/১০—মাত্র ২৭ রানের ব্যবধানে শেষ ৭ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মুমিনুল করেন সর্বোচ্চ ৬০ রান। সাদমান ২০ আর শান্ত ১৯ রান করেন। এই তিনজন ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।
জিম্বাবুয়ের চার পেসার মিলিয়েই নিয়েছেন ১০ উইকেট। ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন নিউম্যান নিয়ামহুরি। ৬১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন তিনি। রিচার্ড এনগারাভা, ব্লেসিং মুজারাবানি ও ব্র্যাড ইভান্সের শিকার ২টি করে।
প্রথম দিনের চা বিরতির পর ব্যাটিংয়ে নেমেছে জিম্বাবুয়ে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত স্বাগতিকদের সংগ্রহ বিনা উইকেটে ১৭ রান।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ ১ম ইনিংস : ১৪০ অলআউট (মুমিনুল ৬০, সাদমান ২০, শান্ত ১৯; নিয়ামহুরি ৪/৬১, এনগারাভা ২/১৮, মুজারাবানি ২/১৯, ইভান্স ২/৩০)।
জিম্বাবুয়ে ১ম ইনিংস : ৫ ওভারে ১৭/০ (কাইয়া ১১*, কারান ৬*; খালেদ ০/৭, হাসান ০/১০)।
* প্রথম দিনের শেষ সেশনের খেলা চলছে।




