আলজেরিয়া, অস্ট্রিয়ার পর জর্দান—টানা তিন জয়ে ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে উঠেছে আর্জেন্টিনা। আগামী ৪ জুলাই রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ আসরের চমক কেপ ভার্দে।
তবে নকআউট পর্বের আগে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের ভাবনার কারণ হতে পারে একটি ইতিহাস। গ্রুপ পর্বে সব ম্যাচ জিতে কখনো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি আলবিসেলেস্তেরা। এর আগে চার আসরে এমন কীর্তি গড়ার পরও সোনালি ট্রফি ধরা দেয়নি তাদের।
১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে ফ্রান্স, মেক্সিকো ও চিলিকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আর্জেন্টিনা। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ফাইনালেও উঠেছিল তারা। কিন্তু শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে উরুগুয়ের কাছে ৪-২ গোলে হেরে রানার্সআপ হয়।
১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে জাপান, জ্যামাইকা ও ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে নকআউটে ওঠে আর্জেন্টিনা। শেষ ষোলোয় ইংল্যান্ডকে বিদায় করলেও কোয়ার্টার ফাইনালে নেদারল্যান্ডসের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয়।
ডিয়েগো ম্যারাডোনার কোচিংয়ে ২০১০ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নাইজেরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও গ্রিসকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানির কাছে ৪-০ ব্যবধানে হারের লজ্জায় শেষ হয় তাদের যাত্রা।
এরপর ২০১৪ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা গ্রুপ পর্বে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, ইরান এবং নাইজেরিয়াকে হারালেও শেষ পর্যন্ত ফাইনালে জার্মানির কাছে হারতে হয়।
এবারো গ্রুপ পর্বে সব ম্যাচ জিতে রাউন্ড অব ৩২-এ উঠেছে আর্জেন্টিনা। এখন দেখার বিষয়, কেপ ভার্দের বাধা পেরোনোর পর মেসি-মার্তিনেজরা পুরনো সেই ইতিহাস বদলে বিশ্বকাপ ধরে রাখার অভিযান সফলভাবে শেষ করতে পারে কি না।




