• ই-পেপার

জাতীয় গ্রিডে রূপপুরের বিদ্যুৎ যুক্ত হবে আগস্টে, জানালেন মন্ত্রী

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

আজ রবিবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনে এ মন্তব্য বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যমুনার অন্দরে আর কিনারে হওয়া ভয়াবহ দুর্নীতির তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’

জুলাই সনদ নিয়ে তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় স্বার্থে সবাই মিলে একমত হয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে।’

এ সময় বাজেটকে জনবান্ধব উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এবার বাজেট দেওয়ার আগে পরে কোনো নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি।’

ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করছে সরকার : বাণিজ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

নতুন কম্পানি নিবন্ধন থেকে শুরু করে যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খোলার পর্যায় পর্যন্ত বর্তমানে যেখানে গড়ে ৩৫৫ দিন সময় লাগে, সেটি কমিয়ে মাত্র ১৪ দিনে নামিয়ে আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ট্রেড লাইসেন্স, আইআরসি, ইআরসিসহ ব্যবসা শুরু করতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন অনুমোদন একক অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর।

তিনি বলেন, দেশে ও বিদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করছে। বর্তমানে একটি কম্পানি নিবন্ধন থেকে ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনীয় লাইসেন্স, ক্লিয়ারেন্স ও অনুমোদন পেতে গড়ে ৩৫৫ দিন লাগে। প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে এ পুরো প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের সংস্কার আনা হচ্ছে। ফলে নতুন কম্পানি গঠন করে যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য এলসি খোলার পর্যায়ে যেতে সর্বোচ্চ ১৪ দিন লাগবে। যেসব অনুমোদনের জন্য সরেজমিন পরিদর্শন প্রয়োজন হবে, সেগুলোও সমন্বিত একটি সংস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে ট্রেড লাইসেন্সের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা কিংবা সিটি করপোরেশনে যেতে হবে না। জাতীয় একটি অনলাইন পোর্টালে আবেদন, ফি পরিশোধ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেই ডিজিটালভাবে ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যাবে। স্থানীয় সরকারের প্রাপ্য অর্থও স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছে যাবে। পাশাপাশি আরজেএসসি, শেয়ার হস্তান্তর, লিকুইডেশনসহ ব্যবসাসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবাও ডিজিটাল করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, এবারের বাজেটের মূল দর্শন ‘স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধি’। বড় অবকাঠামো প্রকল্পের পরিবর্তে এবার মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের তুলনায় শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বেড়ে মোট বাজেটের ১৩ দশমিক ১ শতাংশ হয়েছে, যা আগে ছিল ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দও ৪ দশমিক ২ শতাংশ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ। অন্যদিকে ভৌত অবকাঠামো খাতে বরাদ্দ ৩১ শতাংশ থেকে কমে ১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৫ দশমিক ১ শতাংশ থেকে কমে ১ দশমিক ৮৫ শতাংশে নেমেছে।

২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে বছরে সাড়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশ প্রকৃত প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৪১ থেকে ৪২ শতাংশে উন্নীত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে উৎপাদন ও লজিস্টিক ব্যয় কমানোর উদ্যোগের কথা জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের লজিস্টিক ব্যয় জিডিপির প্রায় ১৬ শতাংশ, যেখানে আন্তর্জাতিক মান প্রায় ১০ শতাংশ। এ ব্যবধান কমাতে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কনটেইনার টার্মিনাল পরিচালনা, কাস্টমস ক্লিয়ারেন্স দ্রুত করা এবং কৃষিপণ্যের সরবরাহ ব্যবস্থায় অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জ্বালানি সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গ্যাসের ঘাটতির কারণে বর্তমানে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার শিল্প বিনিয়োগ পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদনে যেতে পারছে না। এ সংকট মোকাবিলায় নতুন একটি এফএসআরইউ যুক্ত করে অতিরিক্ত ৫৫০ থেকে ৬০০ এমএমসিএফডি গ্যাস সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সার কারখানার জন্য পৃথক এলএনজি সরবরাহ নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সম্ভাব্যতাও যাচাই করা হচ্ছে।

রপ্তানি বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে চামড়া ও পাট খাতকে পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, সাভারের ট্যানারিগুলোকে আন্তর্জাতিক এলডব্লিউজির গোল্ড সনদ অর্জনে সহায়তা দিয়ে চামড়া রপ্তানিকে ১০ থেকে ১২ বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত করার লক্ষ্য রয়েছে। একই সঙ্গে চীনের সহযোগিতায় পাট গবেষণা, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং উচ্চমূল্য সংযোজিত পাটজাত পণ্য উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাজেটের প্রশংসা করে খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর বলেন, অর্থমন্ত্রী এমন একটি বাজেট উপস্থাপন করেছেন, যা তার প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। তার ভাষ্য, দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ ও প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে এটি একটি বাস্তবসম্মত বাজেট।

জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে নারী নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে নারী নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান

বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীর নেতৃত্বকে জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রবিন্দুতে আনার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। তাদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে নারীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সফল উদ্যোগগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের মাধ্যমেই জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

রবিবার (২৮ জুন) রাজধানীতে ইউএন উইমেন বাংলাদেশের আয়োজনে ‘এমপাওয়ার-২ : ন্যাশনাল লেসন্স লার্নড অ্যান্ড স্কেল-আপ ওয়ার্কশপ’-এ বক্তারা এ কথা বলেন। সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি ও নিউজিল্যান্ড সরকারের সহায়তায় পরিচালিত ‘এমপাওয়ার : উইমেন ফর ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট সোসাইটিজ (ফেজ-২)’ প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসের সমন্বয় ঘটলে নারীরা সমাজে নেতৃত্ব দিতে পারেন। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নারীদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।

ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের জীবিকা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের সক্ষমতা বেড়েছে। জলবায়ু অঙ্গীকার তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা নারীদের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনে। তিনি বলেন, লিঙ্গ-সংবেদনশীল জলবায়ু উদ্যোগ একটি বাস্তবসম্মত, সম্প্রসারণযোগ্য ও লাভজনক বিনিয়োগ।

বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামে ইউএন উইমেন ও ইউএনইপির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ প্রকল্প খুলনা, সাতক্ষীরা, জামালপুর, কুড়িগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ১০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ৩৩ হাজার ২৮৪ জন নারী জলবায়ু সহনশীল জীবিকা ও প্রয়োজনীয় সেবার আওতায় এসেছেন।

কর্মশালায় কুড়িগ্রামের নারী অ্যাসোসিয়েট ফর রিভাইভাল অ্যান্ড ইনিশিয়েটিভের প্রতিনিধি ফরিদা ইয়াসমিনসহ পাঁচ জেলার নারী জলবায়ু নেত্রীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ফরিদা ইয়াসমিন জানান, এমপাওয়ার প্রকল্প তাদের জ্ঞান, তথ্য ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে, ফলে এখন তারা নিজেদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে এবং নেতৃত্ব দিতে পারছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সহযোগিতা বিভাগের প্রধান ডিপাক এলমার, জার্মান দূতাবাসের ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন অ্যাডভাইজার রেডিটা রকিব, সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও ডেপুটি হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ড. নুরুন নাহার।

বক্তারা বলেন, নারীদের নেতৃত্বাধীন জলবায়ু উদ্যোগ সম্প্রসারণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং লিঙ্গ-সংবেদনশীল জলবায়ু নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, সুশীল সমাজ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় প্রয়োজন।

নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম বলেন, এমপাওয়ার প্রকল্প স্থানীয় উদ্ভাবন ও অভিযোজন উদ্যোগকে জাতীয় নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি স্থানীয় সুশীল সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অনুষ্ঠানে এমপাওয়ার বাংলাদেশের ওয়েবপেজ এবং উইমেন ইন ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (ডব্লিউসিএএন) সদস্যদের তোলা আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু অর্থায়ন, জলবায়ু অভিযোজনে জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়ন এবং নারীর নেতৃত্ব নিয়ে কারিগরি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস (বিসিসিপি), মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্টকে (সিইডি) স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন

সংসদ ভবনে বিশেষ বরাদ্দপত্র হস্তান্তর, পাচ্ছেন ৬৫ বিরোধীদলীয় এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
সংসদ ভবনে বিশেষ বরাদ্দপত্র হস্তান্তর, পাচ্ছেন ৬৫ বিরোধীদলীয় এমপি
ছবি : কালের কণ্ঠ

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের অনুকূলে ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই বরাদ্দ দেওয়া হয়।

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংসদ সদস্যদের হাতে এ বরাদ্দপত্র হস্তান্তর করেন।

সর্বজনীন সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন-২ (GSID-2) প্রকল্পের আওতায় দেশের ৬৫ জন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের অনুকূলে এ বিশেষ বরাদ্দ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি আসনের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের জন্য জনপ্রতি ৩০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে।

আজ অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হয়ে বরাদ্দপত্র গ্রহণ করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান।

বরাদ্দপত্র হস্তান্তর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সামাজিক ও ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো আরো শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করছেন।