• ই-পেপার

ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করল এবিবি

জিহো বাংলাদেশ ও রাইডিং স্কুল বিডির কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

অনলাইন ডেস্ক
জিহো বাংলাদেশ ও রাইডিং স্কুল বিডির কৌশলগত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর

নারীদের নিরাপদ, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী রাইডার হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে জিহো বাংলাদেশ এবং ফারজানা আক্তার পরিচালিত রাইডিং স্কুল বিডি-এর মধ্যে এক বছরের একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এই অংশীদারিত্বের আওতায় রাইডিং স্কুল বিডি-এর নারী শিক্ষার্থীদের মোটরসাইকেল ও স্কুটার রাইডিং প্রশিক্ষণে জিহো বাংলাদেশ প্রয়োজনীয় যানবাহন সহায়তা প্রদান করবে। পাশাপাশি নারী রাইডার উন্নয়ন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন প্রচারণামূলক কার্যক্রমে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।

চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন জিহো বাংলাদেশ-এর সিইও রেজাউল করিম সুমন এবং রাইডিং স্কুল বিডিরাইডিং স্কুল বিডি-এর ফাউন্ডার ফারজানা আক্তার। এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জিহো বাংলাদেশ-এর ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. ফজলে এলাহী তুর্জ।

এই সহযোগিতা নারীদের স্মার্ট ও স্বাধীন চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশে নিরাপদ রাইডিং সংস্কৃতি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

তেজগাঁওয়ের শান্তা পিনাকলে সুন্দরার নতুন আউটলেট উদ্বোধন

অনলাইন ডেস্ক
তেজগাঁওয়ের শান্তা পিনাকলে সুন্দরার নতুন আউটলেট উদ্বোধন
সংগৃহীত ছবি

দেশের সর্বোচ্চ ভবন এবং ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক স্থাপনা শান্তা পিনাকলে নতুন আউটলেট চালু করেছে বিউটি ও লাইফস্টাইল রিটেইল ব্র্যান্ড সুন্দরা। নতুন এই আউটলেটে ১৫০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের ১০০% অরিজিনাল বিউটি, পারফিউম, স্কিনকেয়ার ও অন্যান্য লাইফস্টাইল পণ্য একসঙ্গে পাওয়া যাবে। 

মাত্র সাত বছরে এটি সুন্দরার সপ্তম বিউটি স্টোর, যা দেশের বিউটি রিটেইল খাতে ব্র্যান্ডটির ধারাবাহিক সম্প্রসারণের প্রতিফলন যা সুন্দরার জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। 

সুন্দরা জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের নির্ভরযোগ্য ও অরিজিনাল পণ্য দেশের আরো বেশি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই তাদের এই সম্প্রসারণ। দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠা স্টোর নেটওয়ার্কের পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফরম sundora.com.bd-এর মাধ্যমেও গ্রাহকদের কাছে সেবা পৌঁছে দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজু মোটর কলেজের বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচির সূচনা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
আজু মোটর কলেজের বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচির সূচনা

আজু মোটর কলেজের বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচির সূচনা: কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে ঢাকা লা মেরিডিয়ান হোটেলে ।

বৈশ্বিক মানবসম্পদ বিকাশের লক্ষ্যে আজু মোটর কলেজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ‘বাংলাদেশ মেধা উন্নয়ন কর্মসূচি’ চালু করেছে। এ উদ্যোগ আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিনিময় ও দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

বুধবার (১৭ জুন) আজু মোটর কলেজের আন্তর্জাতিক বিষয়ক দপ্তরের ডিন কওনসে কিম এবং একই দপ্তরের পরিচালক তেহিয়ং কিম ঢাকার লে মেরিডিয়ান হোটেলে এক বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করেন।

এই সেমিনার শিক্ষার্থী ও শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের জন্য কোরিয়ায় অধ্যয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, বৃত্তি এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জানার একটি কার্যকর মঞ্চ হিসেবে কাজ করে।

কোরিয়ান কানেক্ট-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই সেমিনারে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত সম্ভাব্য শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা-পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিসহ প্রায় ৯০ জন অংশগ্রহণকারি যোগ দেন। অনুষ্ঠানটি কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা ও পেশাজীবন গড়ে তোলার প্রতি বাংলাদেশি তরুণদের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন হিসাবে প্রতীয়মান হয়।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কোরিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা, ভর্তি প্রক্রিয়া, শিক্ষার্থী ভিসার প্রয়োজনীয়তা, বৃত্তির সুযোগ এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য প্রদান করা হয়। বিশেষভাবে আজু মোটর কলেজের শিল্পমুখী পাঠক্রম ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের দ্রুত পরিবর্তনশীল অটোমোটিভ ও মোবিলিটি খাতে সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের বাজারে দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল দারাজ

বাংলাদেশে নিজেদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ। সম্প্রতি গণমাধ্যমে দারাজের বিনিয়োগ ও পরিচালনা সংক্রান্ত কিছু খবরের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটি স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিয়মিত ব্যবসায়িক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। একই সঙ্গে তারা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির বিকাশে অবদান রাখার পাশাপাশি টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।

দারাজ কর্তৃপক্ষের মতে, সাম্প্রতিক কিছু আলোচনায় যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠানের বর্তমান কৌশলগত অগ্রাধিকার কিংবা দৈনন্দিন কার্যক্রমের প্রতিফলন নয়। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবস্থান স্পষ্ট করেছে।

পরিচালন দক্ষতা ও গ্রাহক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে প্রযুক্তি-নির্ভর সমাধানে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে দারাজ। বাংলাদেশজুড়ে একটি টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি ডিজিটাল বাণিজ্য কার্যক্রম গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানটির কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার অংশ।

গত এক বছরে দারাজের প্ল্যাটফর্মে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন ৭ হাজারেরও বেশি বিক্রেতা যা প্রতিষ্ঠানটির বিক্রেতা ইকোসিস্টেমের ধারাবাহিক সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দেয়। স্থানীয় উদ্যোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ তৈরিতে দারাজের এই অঙ্গীকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে। এই বিক্রেতাদের ব্যবসার বিকাশের মধ্য দিয়ে বৃহত্তর ইকোসিস্টেমে কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ব্যবসায়িক কার্যক্রমের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা পালনেও দারাজ সবসময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বিগত ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল দারাজ। বিভিন্ন মানবিক সংস্থার সঙ্গে অংশীদারির মাধ্যমে এবং প্রতিষ্ঠান ও কর্মীদের যৌথ অনুদানে সে সময় ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনে ১ কোটি ২০ লাখ টাকারও বেশি সহায়তা প্রদান করা হয়।

দারাজ বাংলাদেশের এক মুখপাত্র বলেন, ‘দারাজ বাংলাদেশে তার কার্যক্রম পরিচালনায় সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং দেশ থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। বাংলাদেশ দারাজের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। আমরা টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির উন্নয়নে অবদান রাখতে কাজ করে যাচ্ছি। ব্যবসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আমরা নিয়মিতভাবে আমাদের সাংগঠনিক কাঠামো পর্যালোচনা করি, যাতে দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে কার্যক্রমের সামঞ্জস্য বজায় থাকে।’

বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতে বিক্রেতা, ব্র্যান্ড ও গ্রাহকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দারাজ তার কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বিক্রেতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, গ্রাহক অভিজ্ঞতার উন্নয়ন এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের প্রসারে কাজ করছে।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহার ও স্মার্টফোনের বিস্তার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ই-কমার্স খাতের সম্ভাবনাও প্রসারিত হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং একটি শক্তিশালী ডিজিটাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা।

ইসলামী ব্যাংকের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করল এবিবি | কালের কণ্ঠ