• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ডা. বিটু

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা জাতীয় ছাত্রশক্তির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা জাতীয় ছাত্রশক্তির

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘জুলাই থেকে জাগরণ, জাগরণ থেকে নির্মাণ’ প্রতিপাদ্যে দেশজুড়ে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি।

ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে রায়ের বাজার কবরস্থানে অজ্ঞাতপরিচয় শহীদদের কবর জিয়ারত, ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণে সংহতি সমাবেশ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে জুলাইয়ের গান, কবিতা, পথনাটক ও মূকাভিনয়ের সমন্বয়ে সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং আলোকচিত্র ও ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী।

এ ছাড়া জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে গল্প, কবিতা, ছবি ও অ্যানিমেশন প্রতিযোগিতা, আলোচনা সভা, স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠান, জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবিতে কফিন মিছিল, জুলাই কনফারেন্স, শহীদদের কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, গ্রাফিতি অঙ্কন এবং অভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দের ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টেশন কর্মসূচিও রয়েছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের আত্মত্যাগ, সাহস ও আপসহীন সংগ্রাম বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্র নির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ করাই জাতীয় ছাত্রশক্তির অঙ্গীকার।

জাতীয় ছাত্রশক্তি দেশের শিক্ষার্থী, তরুণ সমাজ ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণকে গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের অভিযাত্রায় সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি
সংগৃহীত ছবি

জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান স্মরণ, শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার দীর্ঘ ধারাবাহিক লড়াইয়ের বীরোচিত বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপনে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাসব্যাপী এই কর্মসূচির প্রথম ধাপে ১ জুলাই প্রথম প্রহরে (৩০ জুন, মঙ্গলবার রাত ১১টায়) জাতীয় শহীদ মিনারে বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচিতে জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে ‘আলোয় আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল’ শিরোনামে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও মোমবাতি প্রজ্বালন করা হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ, সব অংশীজনের অবদানের স্বীকৃতি ও জাতীয় ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখতেই ছাত্রদল মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আয়োজন করেছে। কেন্দ্রীয় সংসদের পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে সারা দেশের বিভিন্ন ইউনিটেও এই কর্মসূচি পালন করা হবে।

এনসিপির নেতারা শুধু জয় দেখেছেন, পরাজয় দেখেননি : আউয়াল খান

অনলাইন ডেস্ক
এনসিপির নেতারা শুধু জয় দেখেছেন, পরাজয় দেখেননি : আউয়াল খান
ছবি : কালের কণ্ঠ

ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এম এ আউয়াল খান বলেছেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ কিংবা এনসিপির যারা নেতা আছেন নতুন, যারা নেতৃত্বে আছেন—তারা শুধু খালি জয়টা দেখেছেন, পরাজয় কী জিনিস সেটা দেখেননি।

সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আন্দোলনে যখন পরাজয় হয় ওইটার ব্যথা-বেদনা কিংবা এটার মর্মটা তখন বোঝা যায়। পরাজয়ের পরে যখন আবার জয় হয় তখন অনেক কিছুই বোঝা যায়। তারা তো জীবনে শুধু জয় দেখেছেন, পরাজয়ের কিছুই দেখেননি। আমরা জেল খেটেছি, গুম হয়েছি, গুম থেকে ফিরে এসেছি, আন্দোলন করেছি—বারবার জেল খেটেছি। তারা কিন্তু এগুলা দেখেননি, তারা জেলও খাটেননি। ওই ছয় দিন-তিন দিন জেল খেটেই জয় দেখে ফেলছেন। তারা যদি জীবনে কখনো পরাজিত হন, তখন গিয়ে তাদের বক্তব্য ঠিক হবে। এখনো তো পরাজয় দেখে নাই।’

এম এ আউয়াল বলেন, ‘পৃথিবীতে যারা জয় এবং পরাজয় দেখেছেন তারাই প্রকৃত রাজনীতির স্ট্যান্ডার্ডটা মেইনটেন করে কথা বলতে পারছেন। এখনো তাদের (এনসিপি নেতাদের) স্ট্যান্ডার্ড মেইনটেইন হচ্ছে না। কারণ তারা তো শুধু জয়টা দেখেছেন। পরাজয় দেখলে তারপরে তারা ঠিক হবেন বলে আমার মনে হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা কখনো হাসনাত আব্দুল্লাহকে চিনতাম না। তার সঙ্গে কথা বলা খুব বিপজ্জনক। তার স্টান্ড আসলে বোঝা খুব মুশকিল। সে কখন কোন স্টান্ড নেবেন, কাকে কখন কোথায় মব করবেন কিংবা কাকে মব করবেন! তিনি কথায়ও মব করেন, তার আচরণেও মব হয়। তার সঙ্গে কথা বলতে গেলে সাবধান। আমাদের জেলা প্রশাসক যেই সেন্সে তার সঙ্গে কথা বলেছেন, তিনি কিন্তু এটাকে ভায়োলেন্সে নিয়ে গেছেন। একজনের সঙ্গে আরেকজনের নানা কথা হতে পারে, কিন্তু তিনি যেভাবে বুঝিয়েছেন, তা তিনি উল্টোভাবে বুঝিয়েছেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেবীদ্বারে তার (হাসনাত) আচার-আচরণ এবং সংসদের কথায় খুব গরমিল। তিনি জাতীয়ভাবে বোঝাতে চান, তিনি আওয়ামী অ্যান্টি রাজনীতি করেন। সংসদে খুব গলা ফাটিয়ে বলেন। প্রকারান্তরে আওয়ামী লীগের লোকদের পুনর্বাসনের জন্য আমার মনে হয় তিনি খুব সচেষ্ট। আওয়ামী লীগের লোকজনকে বিভিন্ন কমিটিতে, বিভিন্ন দায়িত্বে, দেবীদ্বারে বিভিন্ন কাজকর্মে তিনি তাদের পুনর্বাসন করতে চান। আমরা এসব প্রতিনিয়ত দেখতে পাচ্ছি।’

নিম্নমানের সিগারেট ৮০ পয়সা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে : আমির হামজা

অনলাইন ডেস্ক
নিম্নমানের সিগারেট ৮০ পয়সা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে : আমির হামজা
সংগৃহীত ছবি

কুষ্টিয়া-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামী দলীয় সংসদ সদস্য আমির হামজা বলেছেন, খুচরা পয়সার অভাবে নিম্নমানের সিগারেট ৮০ পয়সা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। অতিরিক্ত ৮০ পয়সা সরকার পায় না, এতে বছরে ৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারাবে।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

বাজেট অর্থবহ হবে যদি কার্যকর হয় উল্লেখ করে আমির হামজা বলেন, ‘কিন্তু সরকারের বাজেটে ঘোষিত ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা রাজস্ব উত্তোলন সরকারের পক্ষে কঠিন হয়ে যাবে। সেজন্য বলেছিলাম ৬ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা বাজেট ধরা হলে, ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঋণের বোঝা আমাদের ওপরে আসত না।’ এ সময় তিনি কিছু পণ্যে দাম বাড়ানো-কমানো নিয়ে অর্থমন্ত্রীকে প্রস্তাবনা দেন। 

তিনি বলেন, ‘নিম্নমানের একটি সিগারেটের দাম এখন ৬ টাকা ২০ পয়সা। কিন্তু খুচরা পয়সার অভাবে দোকানদারের কাছ থেকে কিনতে হচ্ছে ৭ টাকায়। সরকার বাকি ৮০ পয়সা পায় না। এটা পেলে হিসাব করে দেখলাম সরকারের ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় বাড়বে।’ সরকার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে ভালো হবে বলে অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি।