• ই-পেপার

বুধবার দেশের সব তেলের ডিপো বন্ধ থাকবে : বিপিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের ধারক ও বাহক : রাষ্ট্রপতি

বাসস
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের ধারক ও বাহক : রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস ও ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক। তিনি বলেন, উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই উচ্চশিক্ষার বিস্তার, জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা এবং উদ্ভাবনে অনন্য ভূমিকা পালন করে চলেছে।

আগামীকাল ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।

ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যাপীঠের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে জাতির রাজনৈতিক, সামাজিক ও জাতীয় জাগরণ ঘটেছে এবং এরই ক্রমধারায় অভ্যুদয় ঘটেছে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের।

তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন, দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রাম, ৯ মাসের সশস্ত্র রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল। একই সঙ্গে দেশের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, মানবিকতা, মুক্তবুদ্ধি চর্চা, শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশেও এই বাতিঘরের কীর্তি অবিস্মরণীয়। দক্ষ মানবসম্পদ ও পেশাজীবী তৈরি, চিন্তক ও দূরদর্শী নেতৃত্ব গড়ে তোলাসহ জনজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এই জ্ঞানপীঠের অবদান অনন্য সাধারণ।

এই প্রেক্ষাপটে জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক এই বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও উচ্চশিক্ষায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়’ যথার্থ ও প্রাসঙ্গিক হয়েছে বলে মনে করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। দেশের উচ্চশিক্ষার পথিকৃৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।

শিক্ষা ও গবেষণা পাঠ্যসূচিকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আগামীতেও গৌরবময় ঐতিহ্য ও একাডেমিক শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখবে, জাতীয় জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে জনগণের পাশে থাকবে এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় ইতিবাচক অবদান অব্যাহত রাখবে এটাই সকলের প্রত্যাশা।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যোগ দিলেন নতুন মহাপরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামিক ফাউন্ডেশনে যোগ দিলেন নতুন মহাপরিচালক

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) হিসেবে মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী যোগ দিয়েছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আ. ছালাম খানের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। 

আজ মঙ্গলবার দুপুর ৩টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রধান কার্যালয়ে যোগ দেন তিনি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা বিল্লাল বিন কাশেম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে গত ২১ মে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভীকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মুফতি মুহাম্মদ মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী ১৯৯৬ সালের ৪ সেপ্টেম্বর পেশ ইমাম হিসেবে যোগ দেন। এ ছাড়া তিনি সেন্ট্রাল শরীয়া বোর্ড ফর ইসলামী ব্যাংক অব বাংলাদেশ-এর জেনারেল সেক্রেটারি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশ-এর শরীয়া বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। 

এ ছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের শরীয়া বোর্ডের এক্সপার্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পাশাপাশি বিভিন্ন কওমি মাদরাসায় শায়খুল হাদিস হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

নবনিযুক্ত মহাপরিচালক দায়িত্বভার গ্রহণের পর ইসলামিক ফাউন্ডেশন আগারগাঁওস্থ সভাকক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে পরিচিতি সভায় মিলিত হন। মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্বে নিয়োগ দানের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

তিনি বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে কোনো রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের পরিবর্তে এটিকে দেশের আলেম-ওলামা, ইসলামিক চিন্তাবিদ এবং ধর্মপ্রাণ মানুষের অংশগ্রহণে আরো কার্যকর ও জনমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার জন্য একজন আলেম নিয়োগ দান করেন।

তিনি পরিচ্ছন্ন কর্মপরিবেশ, শৃঙ্খলা ও বিধি-বিধানের আলোকে কাজ করার জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশনা প্রদান করেন এবং এ বিষয়ে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। এ ছাড়া সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নতুন উদ্যমে নতুন কর্মপরিকল্পনায় কাজ শুরু করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নবনিযুক্ত মহাপরিচালক।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিদায়ি মহাপরিচালক আ. ছালাম খান (সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ), নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম (৮ম পর্যায়) প্রকল্পের পরিচালক এস. এম. তরিকুল ইসলাম। 

এ সময় আরো বক্তব্য দেন আইসিটি বিভাগের পরিচালক হাজেরা খাতুন, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক মো. আব্দুল হামিদ খান, অনুবাদ ও সংকলন বিভাগের পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান সিকদার, পরিচালক জাকাত ফান্ড বিভাগ ও গবেষণা বিভাগের পরিচালক ড. ওয়ালীয়ুর রহমান খান, ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির উপ-পরিচালক শাহ মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সমন্বয় বিভাগের পরিচালক মো. মহিউদ্দিন। অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালকবৃন্দ ও কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন জুয়া-বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৫ কোটি টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
অনলাইন জুয়া-বেটিংয়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড, ৫ কোটি টাকা জরিমানা

ডিজিটাল যুগের অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং ও ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া রুখতে জাতীয় সংসদে সর্বোসম্মতিতে ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬’ পাস হয়েছে। আইনে অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ১৫৯ বছরের পুরনো আইন বাতিল করে যুগোপযোগী এই নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বিলটি পাসের জন্য উপস্থাপন করেন। পরে তা সর্বসম্মতিতে কণ্ঠভোটে পাস হয়।

একই দিন ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

পাস হওয়া জুয়া প্রতিরোধ বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান ‘দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট-১৮৬৭’ দেড়শতাধিক বছরেরও বেশি পুরোনো। ডিজিটাল যুগে অনলাইন জুয়া, স্পোর্টস বেটিং, ভার্চুয়াল ক্যাসিনো, ক্রিপ্টোকারেন্সিভিত্তিক জুয়া প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনি কাঠামো অকার্যকর ও অপর্যাপ্ত হয়ে পড়েছিল। অনলাইন বেটিং প্ল্যাটফর্ম, ভিপিএন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, ভুয়া মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্ট এবং ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে সংঘটিত জুয়া, অর্থপাচার ও প্রতারণা বাংলাদেশের সামাজিক শৃঙ্খলা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও তরুণ সমাজের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। এ কারণেই পুরোনো আইনটি রহিত করে কঠোর সাজার বিধান রেখে নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়।

আইনে ‘অনলাইন জুয়া বা দূরবর্তী জুয়া’, ‘অনলাইন বেটিং’ (স্পোর্টস বেটিং, লাইভ বেটিং, ক্যাসিনো বেটিং ইত্যাদি), ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি’, ‘ঘোস্ট সিম’, এবং ‘ভুয়া এমএফএস অ্যাকাউন্ট’ বা ডিজিটাল ওয়ালেটের সুনির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেওয়া হয়।

আইনে বলা হয়েছে, জুয়ার উদ্দেশ্যে অর্থ জমা, উত্তোলন বা স্থানান্তর, বিদেশি অনলাইন জুয়া প্ল্যাটফর্মের প্রতিনিধি বা এজেন্ট হিসেবে কাজ করা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুয়ার পেজ বা চ্যানেল পরিচালনা করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এছাড়া জুয়ার সরঞ্জামাদি বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ, জুয়ার বিজ্ঞাপন প্রচার এবং স্পনসরশিপের ক্ষেত্রেও রাখা হয়েছে কঠোর কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান। এই আইনে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৫ কোটি টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে, বা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধগুলোকে ‘আমলযোগ্য’ এবং ‘অজামিনযোগ্য’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যার বিচার সাইবার ট্রাইব্যুনাল বা প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

অপরদিকে, বিদ্যমান আইনের ২০ ধারা বাদ দিতে আইনটিতে সংশোধনী এনে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন-২০২৬’ সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। মূল আইনের ২০ ধারায় এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান ছিল।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়, দেশের সাইবার স্পেসকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত রাখতে মূলত এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছিল। তবে বর্তমানে ডিজিটাল ও অফলাইন উভয় মাধ্যমের জুয়া এবং বেটিং সংক্রান্ত অপরাধগুলো আরো কঠোর ও সুনির্দিষ্টভাবে প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই ‘জুয়া প্রতিরোধ আইন-২০২৬’ নামে একটি সম্পূর্ণ নতুন, সুনির্দিষ্ট এবং বিস্তারিত আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একটি স্বতন্ত্র ও বিশেষায়িত আইন তৈরি হওয়ার কারণেই সাইবার সুরক্ষা আইন থেকে এই ধারাটি বিলুপ্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে একই অপরাধের জন্য একাধিক আইনের ওভারল্যাপিং বা আইনি জটিলতা তৈরি না হয়। বিলটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে সংশোধনীতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার

অনলাইন ডেস্ক
বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মুস্তাফা মনোয়ার

বাংলাদেশ পুতুলনাচ বা পাপেটশিল্পের পুরোধা, বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারকে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বনানী কবরস্থানে তার শ্বশুর তোফায়েল উদ্দিন আহমেদের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

বরেণ্য এই শিল্পীর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) প্রাঙ্গণে। জানাজা শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ নেওয়া হয়।

সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তাকে ‘গার্ড অব অনার’ দেওয়া হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান মুস্তাফা মনোয়ার। দীর্ঘদিন নিউমোনিয়া ও ক্যান্সারে ভুগছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে আসে শোকের ছায়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণা।