• ই-পেপার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে যত আয়োজন

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষার্থী কমলেও বেড়েছে কলেজের সংখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড এইচএসসি পরীক্ষার্থী কমলেও বেড়েছে কলেজের সংখ্যা
সংগৃহীত ছবি

সারা দেশে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে। চলতি ২০২৬ সালে চট্টগ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার পরীক্ষায় বসছে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন ছাত্রছাত্রী। যা গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার ২৮৭ জন কম। গতবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ২ হাজার ৯৭৫ জন। এবার শিক্ষার্থী কমলেও অংশগ্রহণকারী কলেজের সংখ্যা বেশি। তবে কেন্দ্র কমেছে ১টি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী মঙ্গলবার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সুষ্ঠু সুন্দর পরিবেশে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষে ইতোমধ্যে সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শনের জন্য ১৫টি সাধারণ ভিজিল্যান্স টিম এবং ৮টি বিশেষ ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হবে চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে জানানো হয়, এই বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির মোট ২৮৩টি কলেজের মোট পরীক্ষার্থী ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন। এরমধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের ১১ হাজার ২৫৫ জন ছাত্র ও ১২ হাজার ৬৪৮ জন ছাত্রীসহ মোট পরীক্ষার্থী ২৩ হাজার ৯০৩ জন; মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ২৩৮ জন (ছাত্র ১৬ হাজার ৩৪২ জন ও ২৭ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী); ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১৫ হাজার ৫৮৫ জন ছাত্র এবং ১৫ হাজার ৯৫৪ জন ছাত্রীসহ মোট ৩১ হাজার ৫৩৯ জন পরীক্ষার্থী; গাহর্স্থ্য বিভাগে ৮ জন ছাত্রী।

এদিকে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭০ হাজার ৯৭৪ জন; কক্সবাজার ১২ হাজার ২৫৫; রাঙামাটি জেলায় ৫ হাজার ৪৩৯; খাগড়াছড়িতে সাত হাজার ৩৫৩ জন; বান্দরবান জেলায় তিন হাজার ৬৬৭ জন পরীক্ষার্থী রয়েছেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১১৪টি কেন্দ্রে। গতবার কেন্দ্র ছিল ১১৫টি। ২০২৫ সালে ২৭৭টি কলেজ থেকে পরীক্ষার্থী থাকলেও এবার ৬টি বেড়ে কলেজ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৩টিতে।

জবির ১৭ পরিবহনে যুক্ত হচ্ছে জিপিএস ট্র্যাকিং সুবিধা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জবির ১৭ পরিবহনে যুক্ত হচ্ছে জিপিএস ট্র্যাকিং সুবিধা
ছবি : কালের কণ্ঠ

নিজস্ব পরিবহনব্যবস্থাকে আরো আধুনিক, নিরাপদ ও কার্যকর করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৭টি বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাসে জিপিএসভিত্তিক ট্র্যাকিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক তারেক বিন আতিক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ট্র্যাকিং সিস্টেমের মাধ্যমে যানবাহনের রিয়েল টাইম (তাৎক্ষণিক) অবস্থান নির্ণয় এবং গতি ও মাইলেজ পর্যবেক্ষণ করা যাবে। এ ছাড়া ইনারশিয়া নেভিগেশন সিস্টেম (আইএনএস) প্রযুক্তির মাধ্যমে কার্যকর পারফরম্যান্স, এক্সেল ও পিডিএফ ফরম্যাটে দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ফ্লিট রিপোর্ট তৈরি, জরুরি পরিস্থিতিতে নির্ধারিত ফোন নম্বরে সতর্কবার্তা পাঠাতে প্যানিক বাটন সুবিধা, লাইভ ট্রাফিক আপডেট এবং ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন সাপোর্ট থাকবে।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোকে আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতাপত্র সংযুক্ত করে নিজস্ব প্যাডে পরিবহন প্রশাসক বরাবর লিখিত আবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক তারেক বিন আতিক  বলেন, ‘ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু হলে পরিবহন ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং যানবাহনের কার্যকর তদারকি আরো সহজ হবে। ধাপে ধাপে সব বাসে জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম বসানো হবে। ইতিমধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আমরা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেব।’

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তরুণদের নেতৃত্ব দিতে হবে : ঢাবি উপ-উপাচার্য

নিজস্ব প্রতিবেদক
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তরুণদের নেতৃত্ব দিতে হবে : ঢাবি উপ-উপাচার্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

মানবাধিকার, ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে একটি আলোকিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী। তিনি বলেছেন, ‘মানবাধিকার কেবল তাত্ত্বিক আলোচনার বিষয় নয়; এটি ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে চর্চা ও বাস্তবায়নের বিষয়।’

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাবে আয়োজিত ‘Human Rights: From Theory to Practice’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাব এবং ডেনিশ ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান রাইটস (Danish Institute for Human Rights) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাবের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘মানুষ রাজনৈতিক ও সামাজিক সত্তা। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি মানুষের যে দায়বদ্ধতা রয়েছে, তার ভিত্তি হলো মানবিকতা, ন্যায়বোধ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা।’ সমাজে মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বৃদ্ধি পায় উল্লেখ করে তিনি ব্যক্তি ও সামাজিক পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেন।

তরুণদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে উপ-উপাচার্য বলেন, ‘তরুণ প্রজন্ম একটি ন্যায়ভিত্তিক, বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। বাংলাদেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন, অধিকারভিত্তিক সংগ্রাম এবং সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। মানবাধিকার ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তাদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।’

ঐতিহাসিকভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মতো ভবিষ্যতেও মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে এই বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দেবে।

শিক্ষার্থীদের বই পড়া ও জ্ঞানচর্চার আহ্বান জানিয়ে ড. আলফেছানী বলেন, ‘প্রতিটি বই মানুষের চিন্তার নতুন দুয়ার উন্মোচন করে। জ্ঞান মানুষকে আলোকিত করে এবং একটি সহিংসতামুক্ত, বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সহায়তা করে। তিনি কর্মশালায় অর্জিত জ্ঞান বাস্তব জীবনে প্রয়োগের পাশাপাশি তা অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।’

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ আইনুল ইসলাম বলেন, ‘মানবাধিকার সম্পর্কে সচেতন নাগরিক গড়ে তুলতে এবং তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে অ্যাপ্লাইড ডেমোক্রেসি ল্যাব ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মানবাধিকারকে তত্ত্বের গণ্ডি থেকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’

দুই দিনব্যাপী এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা মানবাধিকার, নাগরিক দায়িত্ব, সামাজিক ন্যায়বিচার, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবিক নেতৃত্ব বিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে উপ-উপাচার্য অংশগ্রহণকারীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন।

ঢাবিতে আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় আইডিয়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় আইডিয়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ (ওএসএল) বিভাগের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত (SEL) সামিটের সমাপনী এবং আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় আইডিয়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ (ওএসএল) বিভাগের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত Strategic and Entrepreneurial Leadership (SEL)  সামিটের সমাপনী এবং আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় আইডিয়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

ওএসএল বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক মো. রাশেদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম।

উপাচার্য বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণাকেন্দ্রিক, উদ্ভাবননির্ভর ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা ও উদ্যোক্তা-দক্ষতা বিকাশের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি তাদের চাকরিপ্রত্যাশীর পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। ওএসএল বিভাগের ১০ বছর পূর্তিতে বিভাগটি নেতৃত্ব বিকাশ ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।’

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় Idea Competition-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। 'Capacity Building of Universities in Bangladesh to Promote Youth Entrepreneurship (Creative Bangladesh)' প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় দেশের ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাই অংশগ্রহণ করতে পারবেন। নির্বাচিত দলগুলো ৩২০ ঘণ্টাব্যাপী উদ্যোক্তা শিক্ষা কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ, মেন্টরিং ও কারিগরি সহায়তার মাধ্যমে উদ্ভাবনী ধারণাকে বাস্তব ব্যবসায়িক উদ্যোগে রূপ দেওয়ার সুযোগ পাবে।

আগামী ১ থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে এবং ২২ ও ২৩ জুলাই আইডিয়া পিচিং পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। কৃষি, স্বাস্থ্য, তথ্য-প্রযুক্তি, শিক্ষা, জলবায়ু, জ্বালানি, ই-কমার্স ও সৃজনশীল শিল্পসহ বিভিন্ন খাতের উদ্ভাবনী ধারণা নিয়ে অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের আহ্বান জানানো হয়েছে।