• ই-পেপার

একনজরে আজকের কালের কণ্ঠ (২৯ জুন)

১১ জেলার জন্য আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

অনলাইন ডেস্ক
১১ জেলার জন্য আবহাওয়া অফিসের সতর্কবার্তা

দেশের ১১ জেলায় দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিরও আশঙ্কা রয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্রবাজার এবং সিলেট  ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৪টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেওয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশের পর ভূমিকম্পে কাঁপল ভারত-মায়ানমার সীমান্ত

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশের পর ভূমিকম্পে কাঁপল ভারত-মায়ানমার সীমান্ত
ফাইল ছবি

ভারত-মায়ানমার সীমান্ত অঞ্চলে ৩ দশমিক ২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আগ্নেয়গিরি ও ভূমিকম্পবিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটি বাংলাদেশ সময় রবিবার (২৮ জুন) দিবাগত রাত ১টা ৪০ মিনিট ৪৭ সেকেন্ডে সংঘটিত হয়। ৩ ঘণ্টা ৪৭ মিনিট আগে বাংলাদেশেও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে।

এর উৎপত্তিস্থল ছিল ২৬.৮৬৭° উত্তর অক্ষাংশ ও ৯৫.২৬৮° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এবং ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল ভারতের ডিব্রুগড় শহর থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং সোনারি শহর থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে, যা ভারত-মায়ানমার সীমান্ত অঞ্চলের কাছাকাছি।

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত অঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রবিবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫৩ মিনিট ১৭ সেকেন্ডে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ২১.৫৬৯° উত্তর অক্ষাংশ ও ৯২.৫৩৯° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে এবং এর গভীরতা ছিল ৪৯ কিলোমিটার।

সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানিয়েছেন, রাত ৯টা ৫৩ মিনিট ১৭ সেকেন্ডে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল মায়ানমার-বাংলাদেশের সীমান্ত এলাকা। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। ঢাকার ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র থেকে এর দূরত্ব ছিল ৩৩৪ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে।

এ ভূমিকম্প শুধু চট্টগ্রাম অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। এতে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতির খবর পায়নি অধিদপ্তর।

সকালের মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

অনলাইন ডেস্ক
সকালের মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত
ফাইল ছবি

দেশের ৯ জেলায় সকাল ৯টার মধ্যে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

রবিবার (২৮ জুন) রাতে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়।

সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং সিলেট জেলার ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের অন্য বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং অন্য কয়েকটি বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।

লোডশেডিংয়ের কারণ জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
লোডশেডিংয়ের কারণ জানালেন বিদ্যুৎমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

কারিগরি ত্রুটির কারণে দেশের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, পরিস্থিতির কারণে ঢাকাতেও লোডশেডিং হবে। তবে আগামী দুই দিনের মধ্যে অবস্থার উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রবিবার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক বিবৃতিতে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের বয়লারের টিউবে লিকেজ দেখা দেওয়ায় সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ রাখতে হয়েছে। অন্যদিকে, বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় জাহাজ থেকে কয়লা খালাস করা সম্ভব না হওয়ায় আরেকটি বিদ্যুৎকেন্দ্রও বন্ধ রয়েছে। ফলে জাতীয় গ্রিডে প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাচ্ছে না।

তবে কোন দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে, সে বিষয়ে মন্ত্রী বিস্তারিত কিছু জানাননি।

বিবৃতিতে তিনি জানান, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সঙ্গে এ বিষয়ে তার আলোচনা হয়েছে। এটি একটি জাতীয় সংকট উল্লেখ করে তিনি সংসদের মাধ্যমে জনগণ ও বিরোধী দলের সদস্যদের প্রতি পরিস্থিতি মোকাবেলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, পরিস্থিতির উন্নতি হলে লোডশেডিংয়ের প্রকোপও কমে আসবে।