• ই-পেপার

নবীনদের হলের সিটের প্রলোভন দেখানোর অভিযোগ রাবি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে

ঢাবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের স্মরণে দোয়া ও প্রার্থনা
ছবি: কালের কণ্ঠ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদ ও আহতদের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। বুধবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ও জগন্নাথ হলে পৃথকভাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

আজ বাদ আসর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে এক দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ আরাফাতের বাবা এবং আন্দোলনে আহত যোদ্ধা মো. সালমান হোসেন, আতিকুল ইসলাম গাজী, জাকির শিকদার, মুস্তাঈম বিল্লাহ হাবিবী, ইয়াহিয়াহ আল হুনাইদি, মাসুম মিয়া ও মো. মিঠুন ইসলামসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

দোয়া অনুষ্ঠানে আরও অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ৯ দফার ঘোষক আব্দুল কাদের।

এদিকে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জগন্নাথ হলের উপাসনালয়ে একটি বিশেষ প্রার্থনাসভার আয়োজন করা হয়। গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সনাতন ধর্মাবলম্বী শহীদদের আত্মার শান্তি এবং আহতদের দ্রুত সুস্বাস্থ্য কামনায় এই প্রার্থনা করা হয়।

জগন্নাথ হলের প্রার্থনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আইসিটি প্রসিকিউটর তারেক আব্দুল্লাহ, জগন্নাথ হল সংসদের ভিপি পল্লব বর্মন, এজিএস দ্বীপজয় সরকার দীপ্ত, ডাকসুর গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক সানজিদা আহমেদ তন্বী, ডাকসু সদস্য হেমা চাকমা, কবি সুফিয়া কামাল হল সংসদের ভিপি সানজানা চৌধুরী রাত্রি, ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হুমায়রা উপন্যাস, সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের জিএস খালেদ হাসান এবং আব্দুল কাদেরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ-ভাঙচুর : ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, ভিন্ন শাস্তি ৬০ শিক্ষার্থীর

দিনাজপুর প্রতিনিধি
হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ-ভাঙচুর : ৬ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার, ভিন্ন শাস্তি ৬০ শিক্ষার্থীর
সংগৃহীত ছবি

শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, হল ভাঙচুর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের ঘটনায় দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ৬৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের শান্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদের মধ্যে ৬ জন শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সই করা এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়, গত ২১ মে নূর হোসেন হল ও আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি, শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হয়। এই শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির দেওয়া রিপোর্ট পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৪তম বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক অপরাধের ধরন দেখে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের চারটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।

এর মধ্যে উচ্ছৃঙ্খল আচরণে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থীকে ৬ মাসের জন্য হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের পিতামাতার অবগতিকরণ এবং ২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে হাতে অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করার অভিযোগে ৬ জন শিক্ষার্থীকে এক সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। তারা জরিমানা পরিশোধ না করলে অ্যাকাডেমিক হল রিলিজ পাবে না এবং অবস্থান করতে পারবে না।

তৃতীয়ত অস্ত্র হাতে শাস্তিযোগ্য আচরণের অভিযোগে ৪৮ জন শিক্ষার্থীকে ২ সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানা পরিশোধ না করলে একাডেমিক হল রিলিজ পাবে না এবং অবস্থান করতে পারবে না।

এ ছাড়া কর্তব্য পালনরত অবস্থায় সহকারী প্রক্টর মো. মবিনুল ইসলামের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জন শিক্ষার্থীকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. নওশের ওয়ান বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে এবং অভিযুক্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ মে হাবিপ্রবির নূর হোসেন হল ও আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সে সময় দুই হলের বিভিন্ন কক্ষে ভাঙচুর ও ক্যাম্পাসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ও উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মবিনুল ইসলাম হামলার শিকার হন। এ নিয়ে প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই এবার ৬৬ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন।

নজরদারিতে সিসিটিভি ও বডি ওর্ন ক্যামেরা

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যে যে নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যে যে নির্দেশনা
সংগৃহীত ছবি

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে সারা দেশে একযোগে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। সম্পূর্ণ পূর্ণাঙ্গ সিলেবাসে অনুষ্ঠেয় এবারের পরীক্ষায় দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে প্রথমবারের মতো অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ৮ আগস্ট এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ আগস্টের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা রয়েছে।

এ বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডে (৯টি সাধারণ, মাদরাসা ও কারিগরি) মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। সারা দেশের ২ হাজার ৬৯৭টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা উপলক্ষে কেন্দ্রগুলোর ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি তুলে ধরেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

পরীক্ষা সূচি ও বিশেষ নির্দেশনা

নির্ধারিত দিনগুলোতে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত প্রথম শিফট এবং বেলা ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা চলবে। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে আসনে বসতে হবে।

প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (সিকিউ) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং দুই অংশের মাঝে কোনো বিরতি থাকবে না। ৩০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সিকিউ পরীক্ষার জন্য ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় নির্ধারিত থাকবে। তবে ব্যবহারিক বিষয়সংবলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে ২৫ নম্বরের এমসিকিউর জন্য ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সিকিউর জন্য ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় দেওয়া হবে।

পরীক্ষার্থীরা কেবল সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর (নন-প্রোগ্রামেবল) ও কাঁটাযুক্ত সাধারণ হাতঘড়ি ব্যবহার করতে পারবেন। কেন্দ্র সচিব ছাড়া অন্য কারও মোবাইল ফোন ব্যবহারের সুযোগ নেই।

সিসিটিভি ও বডি ওর্ন ক্যামেরার নজিরবিহীন নিরাপত্তা

নকল ও অনিয়ম ঠেকাতে এবার নজিরবিহীন কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন করে কক্ষপরিদর্শক থাকবেন। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা মন্ত্রণালয়ের ‘সিসিটিভি ক্যামেরা মনিটরিং সেল’ থেকে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তাদের শরীরে ‘বডি ওর্ন ক্যামেরা’ থাকবে।

শিক্ষা প্রশাসন জানিয়েছে, নকল ধরা পড়লে পরীক্ষার্থীর পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি নকল লুকাতে পারে এমন সন্দেহে কেন্দ্রের টয়লেটগুলোতে আকস্মিক তল্লাশি চালানো হবে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। তবে কোথাও এমন ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক সারা দেশের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

নিবন্ধন করেও পরীক্ষার বাইরে সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষার্থী

এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় একাদশ শ্রেণিতে নিবন্ধন বা রেজিস্ট্রেশন করেও প্রায় সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেনি, যা মোট নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর প্রায় ৩৬.৪৬ শতাংশ।

তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৪ লাখ ৯১ হাজার ৯৩২ জন শিক্ষার্থী নিবন্ধন করলেও চূড়ান্তভাবে ফরম পূরণ করেছে ৯ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৩ জন। ফলে ৫ লাখ ৪৩ হাজার ৯৮৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা শুরুর আগেই ঝরে গেছে।

বোর্ডভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়

সাধারণ শিক্ষা বোর্ড : ১১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৬১ জন নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩ লাখ ৯১ হাজার ৯৮৪ জন (৩৩.০৪%) ফরম পূরণ করেনি।

মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড : আলিম প্রথম বর্ষে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯২৯ জন নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬১ হাজার ৬৬০ জন (৪৪.০৭%) পরীক্ষার বাইরে রয়েছে।

কারিগরি শিক্ষা বোর্ড : ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪২ জন নিবন্ধিত শিক্ষার্থীর মধ্যে সর্বোচ্চ ৯০ হাজার ৩৪৫ জন (৫৪.৫৮%) শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেনি।

পরীক্ষার্থী কমে যাওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার বিষয়টি আমরা অ্যানালাইসিস করছি। আমরা শিক্ষাব্যবস্থার অসমতা দূর করতে কাজ করছি, যেন ড্রপ আউট (ঝরে পড়া) না হয়।’

মন্ত্রী জানান, নকলের জন্য খ্যাত বা বিতর্কিত ভেন্যু কেন্দ্রগুলো এবার পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে। তবে হাওর, পার্বত্য অঞ্চল এবং দুর্গম চরাঞ্চলের পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের কথা বিবেচনা করে কিছু দূরবর্তী ভেন্যু কেন্দ্র বহাল রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ‘সেভেন্থ ডে অ্যাডভান্টিস্ট’ ধর্মীয় সম্প্রদায়ের পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় শনিবারের পরীক্ষাগুলো কেন্দ্রের ভেতরেই সূর্যাস্তের পর অনুষ্ঠিত হবে।

দক্ষ টেক্সটাইল প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরির বিকল্প নেই : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
দক্ষ টেক্সটাইল প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরির বিকল্প নেই : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশকে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় শীর্ষ অবস্থানে নিতে দক্ষ টেক্সটাইল প্রকৌশলী ও গবেষক তৈরির বিকল্প নেই।

বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব টেক্সটাইলসের (বুটেক্স) ৫২তম ব্যাচের নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং টেক্সটাইল খাতকে বিশ্বে আরো এগিয়ে নিতে টেক্সটাইলসের শিক্ষার্থীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় সুযোগ। এ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনে এ খাতে দেশকে নেতৃত্ব দেবে। আমরা চাই তৈরি পোশাক খাতে সেরা রপ্তানিকারক দেশ হতে। এ জন্য টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান আরো উন্নত করতে হবে।

আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে কিভাবে আমরা রপ্তানি খাতে এগিয়ে যেতে পারব, সে বিষয়ে উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা খাতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, বিশেষ করে কারিগরি সেক্টরে। দেশের বিপুল জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে। এ জন্য শিক্ষার উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই। প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকার মিডডে মিল, বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেসের ব্যবস্থা করছে। পাশাপাশি শিক্ষাকে আনন্দময় করে তুলতে আমরা কাজ করছি। এ ছাড়া ২০২৭ সালের কারিকুলাম পরিমার্জন ও ২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের লক্ষ্যে কাজ করছি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে যেন সময়ের অপচয় না হয়, সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। কারণ শিক্ষাজীবনে সময় অপচয় হলে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ট সুবিধায় আমরা পিছিয়ে যাব।

বুটেক্সের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জুলহাস উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য সানজিদা ইসলাম, অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের আহ্বায়ক শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন বিশেষ অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে বুটেক্সের ৬৩০ নবীন শিক্ষার্থীকে বরণ করা হয়।