• ই-পেপার

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০১ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন

ইস্তাম্বুল ইন্টারন্যাশনাল এমইউএন ২০২৬

‘বেস্ট ডেলিগেট’ পুরস্কার অর্জন করলেন অনিন্দ্য জীৎ বসাক

অনলাইন ডেস্ক
‘বেস্ট ডেলিগেট’ পুরস্কার অর্জন করলেন অনিন্দ্য জীৎ বসাক

রাজধানীর উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী অনিন্দ্য জীৎ বসাক আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ইস্তাম্বুল ইন্টারন্যাশনাল এমইউএন ২০২৬-এ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মেধাবী প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সম্মাননা ‘বেস্ট ডেলিগেট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছেন।

কূটনৈতিক দক্ষতা, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীর গভীর অনুধাবন, যুক্তিনির্ভর উপস্থাপনা, নেতৃত্বগুণ এবং অসাধারণ বক্তৃতা নৈপুণ্যের মাধ্যমে তিনি এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেন।

3

এটি তার ধারাবাহিক সাফল্যের আরেকটি উজ্জ্বল মাইলফলক। এই অর্জনের মধ্য দিয়ে অনিন্দ্য জীৎ বসাক টানা পাঁচটি মডেল ইউনাইটেড নেশনস (এমইউএন) সম্মেলনে ‘বেস্ট ডেলিগেট অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনের বিরল কৃতিত্ব গড়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতীয় পর্যায়ের চারটি এমইউএন সম্মেলনে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত একটি এমইউএন সম্মেলনে তিনি এই সর্বোচ্চ সম্মাননা লাভ করেন।

অনিন্দ্য জীৎ-এর এই অসাধারণ সাফল্য শুধু তার পরিবার বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্যই নয়, সমগ্র বাংলাদেশের জন্যও গর্বের বিষয়। তার এই অর্জন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সম্ভাবনা ও সক্ষমতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এবং নতুন প্রজন্মকে জ্ঞানচর্চা, নেতৃত্ব ও আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে অনুপ্রাণিত করবে।

পরিবারের পক্ষ থেকে তার সব শিক্ষক, মেন্টর, শুভানুধ্যায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনিন্দ্য জীৎ বসাকের আগামী দিনের সাফল্যের জন্য সবার শুভকামনা কামনা করা হয়েছে।

চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগ্রামের চুক্তি ঢাবির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগ্রামের চুক্তি ঢাবির
সংগৃহীত ছবি

বাংলা ভাষায় যৌথ স্নাতক প্রোগ্রাম চালুর লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং চীনের ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২৬ জুন) চীন সফরকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক মা ওয়েনহুই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। পাঁচ দিনের সরকারি সফর শেষে শনিবার (২৭ জুন) দেশে ফেরেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

চুক্তি অনুযায়ী, ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ স্কুলের বাংলা বিভাগের স্নাতক শিক্ষার্থীদের বাংলা ভাষায় শোনা, বলা, পড়া ও লেখার দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি স্নাতক পর্যায়ের বাংলা ভাষা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে দুই বিশ্ববিদ্যালয় পারস্পরিক সহযোগিতা করবে।

এ ছাড়া ইউনান বিশ্ববিদ্যালয় তৃতীয় শিক্ষাবর্ষের প্রথম সেমিস্টারে তাদের শিক্ষার্থীদের এক সেমিস্টারের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে পাঠাবে। এসব শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন ও পরীক্ষা পরিচালনা করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের সমাপনী সনদও প্রদান করা হবে।

চীন সফরকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ইউনান বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘চাইনিজ ব্রিজ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এই দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে দুই দেশের জনগণের মধ্যে শিক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে।

সফরকালে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণায় বিদ্যমান সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্যে বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকেও অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

বুয়েটে আবরার ফাহাদের নামে নতুন হলের প্রস্তাব দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
বুয়েটে আবরার ফাহাদের নামে নতুন হলের প্রস্তাব দেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। ছবি : সংগৃহীত

বুয়েটে আবাসনব্যবস্থা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আবরার নামের হল করার প্রস্তাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের পরিচিতি সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, বুয়েট ক্যাম্পাসের আরেকটি অংশ পূর্বাচলে করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির গবেষণা খাতে অর্থ বাড়ানোরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

একই সঙ্গে আগামীতে দুটি দিবস পালনের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবরার ফাহাদের হত্যার মতো এমন নৃশংস ঘটনা আর যাতে না ঘটে সে বিষয় শিক্ষার্থীদের আরো সচেতন করতে হবে।’

এ ছাড়া সেশনজট কোনোভাবেই কাম্য নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘৪ বছরের কোর্স নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শেষ করতে হবে। চলতি শিক্ষাবর্ষে বুয়েটে ১৩৭০ জন নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র ও শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনও উপস্থিত ছিলেন।

পাবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু

পাবিপ্রবি প্রতিনিধি
পাবিপ্রবিতে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু
ছবি : কালের কণ্ঠ

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) বিশ্বের ১৩টি দেশের গবেষকদের অংশগ্রহণে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন ইমার্জিং ফ্রন্টিয়ার্স ইন অ্যাডভান্সড সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজিস-২০২৬ (ইফাস্ট-২০২৬)’ শুরু হয়েছে।

শনিবার (২৭ জুন) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। পাবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদ, জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদ এবং মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া পারলিস (ইউনিম্যাপ)-এর সেন্টার অব এক্সেলেন্স ফর অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং-এর যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নাইজেরিয়া, জাপান, চীন, মালয়েশিয়া, ভুটান, নেপাল ও ভারতের গবেষকরা অংশগ্রহণ করছেন।

দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে ৩৯টি টেকনিক্যাল সেশনে মোট ৩৭৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ২২৮টি গবেষণাপত্র সরাসরি, ৭৮টি অনলাইনে এবং ৬৯টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন হিসেবে উপস্থাপিত হবে। সম্মেলনে উন্নত পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয়ার বিজ্ঞান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, ফার্মাসিউটিক্যাল বিজ্ঞান, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার সাম্প্রতিক গবেষণা, উদ্ভাবন ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হবে।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটির জেফরি স্যাকস সেন্টার অন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের প্রধান ড. চেন জিট আর্ন এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ সেন্টার ফর ন্যানো-মেটেরিয়ালস অ্যান্ড এনার্জি টেকনোলজির প্রধান অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাকির আলী এবং জাপানের ওসাকা মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. নারুহিকো আইজাওয়া।

ভার্চুয়ালি কীনোট স্পিকার হিসেবে যুক্ত ছিলেন যুক্তরাজ্যের কিংস কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক ও সার্নের (CERN) জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানী ড. জন এলিস, যুক্তরাষ্ট্রের বল স্টেট ইউনিভার্সিটির এমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ. এইচ. এম. রাহমাতুল্লাহ ইমন, জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সি (জাক্সা)-এর অধ্যাপক ড. কেই ওইয়োশি এবং যুক্তরাষ্ট্রের মার্সার ইউনিভার্সিটির অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ড. রকিবুল হাসান।

দেশীয় শিক্ষাবিদদের মধ্যে কীনোট স্পিকার হিসেবে অংশ নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রশীদ। আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন পাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার খসরু পারভেজ এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম।

সম্মেলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক পাবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং কনফারেন্স চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কনফারেন্সের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক এবং সচিব অধ্যাপক ড. মো. শামীম রেজা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, ‘আমি এখানে যোগ দিয়েছি মাত্র এক মাস হলো। এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে পরপর দুটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে দেখলাম। এটি প্রমাণ করে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ ক্রমেই সমৃদ্ধ হচ্ছে। এই আয়োজন সফল করতে যেসব শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও আয়োজক নিরলস পরিশ্রম করেছেন, তাদের সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

কনফারেন্সের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. ফজলুল হক বলেন, ‘বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও সাইবার নিরাপত্তার মতো প্রযুক্তি বিশ্বকে নতুনভাবে রূপ দিচ্ছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ বিপর্যয় ও খাদ্য নিরাপত্তার মতো বৈশ্বিক সংকট আমাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের গবেষকদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিনিময়ের মাধ্যমে বৈশ্বিক সমস্যার কার্যকর সমাধানে নতুন নতুন উদ্ভাবনী ধারণা উঠে আসবে।’