• ই-পেপার

প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ালে পুলিশ আটক করবে : শিক্ষামন্ত্রী

জাবিতে ইসলামিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের ৬ বিভাগ নিয়ে শিক্ষকদের মতভেদ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
জাবিতে ইসলামিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের ৬ বিভাগ নিয়ে শিক্ষকদের মতভেদ
ছবি: কালের কণ্ঠ

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) প্রস্তাবিত ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক স্টাডিজ অ্যান্ড থিওলজি–এর অধীনে ছয়টি একাডেমিক বিভাগ চালুর প্রস্তাব নিয়ে শিক্ষকদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। আগামী ২৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩তম বার্ষিক সিনেট সভায় ইনস্টিটিউটের সংবিধি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। প্রস্তাবটি পাস হলে নতুন বিভাগগুলো চালুর পথ উন্মুক্ত হবে।

প্রস্তাবিত বিভাগগুলো হলো— আল-কুরআন অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ, ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার, ইসলামিক ল, ফিকহ অ্যান্ড জুরিসপ্রুডেন্স, ইসলামিক ফিলোসফি, এথিকস অ্যান্ড কমপারেটিভ রিলিজিয়ন এবং অ্যারাবিক ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড লিটারেচার।

তবে প্রস্তাবটি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে ভিন্নমত রয়েছে। একাংশের মতে, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞান, খাদ্য ও কৃষির মতো উদীয়মান বিষয়ে নতুন বিভাগ চালু করাই বেশি প্রয়োজন। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, এই উদ্যোগ ইসলামী উচ্চশিক্ষার আধুনিকায়নের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের একটি চাহিদা পূরণ করবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৩ জুন একাডেমিক কাউন্সিলের ১৩৯তম সভায় ইনস্টিটিউটের কাঠামো প্রণয়নের জন্য একটি সুপারিশ কমিটি গঠন করা হয়। পরে একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে প্রস্তাবটি অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়। এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এটি সিনেটে তোলা হচ্ছে।

ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক গবেষণা ফেলো অধ্যাপক মোহাম্মদ মোজাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রস্তাবিত অধিকাংশ বিষয়ই লিবারেল আর্টসের অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বজুড়ে এসব বিষয়ের চাহিদা কমছে। এ অবস্থায় নতুন বিভাগ চালু করা হলে তা কর্মসংস্থানের চেয়ে রাজনৈতিক বিবেচনায় নেওয়া সিদ্ধান্ত বলেই প্রতীয়মান হবে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিকভাবে ‘ইসলামিক হিস্ট্রি অ্যান্ড কালচার’ ছাড়া বাকি বিষয়গুলো সাধারণত স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে পরিচালিত হয় না। আল-কুরআন ও আল-হাদিসকে একীভূত করে একটি বিভাগ করা যেতে পারে বলেও মত দেন তিনি।

আইন ও বিচার অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম বলেন, আইন অনুষদের অধীনে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ‘ল অ্যান্ড পাবলিক পলিসি’ বিভাগ। ইসলামিক ল ও ফিকহ বিষয়ে আলাদা বিভাগ চালুর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তার মতে, বিদ্যমান আইন পাঠ্যক্রমেই এসব বিষয়ের উল্লেখযোগ্য অংশ পড়ানো হয় এবং এ বিষয়ে আলাদা কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও সীমিত।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের এক অধ্যাপক বলেন, নতুন বিভাগ চালু করতে হলে এআই, প্রকৌশল, চিকিৎসাবিজ্ঞান, খাদ্য ও কৃষির মতো বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে ইসলামিক স্টাডিজ ইনস্টিটিউটের অধীনে শুধু স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, এতগুলো পৃথক বিভাগ চালুর ফলে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়বে এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সামাজিক ও মানসিক দূরত্ব তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।

অন্যদিকে, সুপারিশ কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক এম মাহফুজুর রহমান বলেন, দেশের অনেক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই এ ধরনের বিভাগ রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে এ ধরনের ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার দাবি ছিল।

তার ভাষ্য, বাংলাদেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষ মুসলিম। দেশের নিজস্ব ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার বাস্তবতা বিবেচনায় আধুনিক ইসলামী উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন। এসব বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হলে ইসলামী শিক্ষা ও আধুনিক জ্ঞানের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম আব্দুর রব বলেন, প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সিনেটে অনুমোদন পেলেও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন ছাড়া কোনো ইনস্টিটিউট বা বিভাগ চালু করা যাবে না।

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং, চিকিৎসাবিজ্ঞান, প্রকৌশল এবং খাদ্য ও কৃষি বিষয়ে নতুন অনুষদ ও বিভাগ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবও একাডেমিক কাউন্সিলে উপস্থাপন করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, সিনেটে আলোচনা শেষে সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ধর্মীয় বিষয়ে বিদ্যমান ভুল ধারণা ও জ্ঞানের ঘাটতি দূর করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উন্মুক্ত পরিবেশে গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি গুরুত্বপূর্ণ।

আমাদের ধমক দিয়ে লাভ হবে না : শিক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক
আমাদের ধমক দিয়ে লাভ হবে না : শিক্ষামন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের হুঁশিয়ারি দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, ‘আমরা কিন্তু টু-থার্ড মেজোরিটি নিয়ে সরকার গঠন করেছি। আমাদের ধমক-টমক দিয়ে কোনো লাভ হবে না। কাজ করবেন, দায়িত্ব পালন করবেন। তাহলে ঠিকঠাক মতো প্রমোশনসহ সব প্রাপ্য পাবেন।’

শুক্রবার (২৬ জুন) বিকেলে দিনাজপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন। এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে দিনাজপুর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ সভার আয়োজন করে।

সভার শুরুতেই শিক্ষামন্ত্রী দিনাজপুর বোর্ডের অধীন বিভিন্ন কলেজের ফলাফল বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষদের মতামত শোনেন। একটি কলেজের অধ্যক্ষ অভিযোগ করেন যে, বোর্ডের কর্মকর্তারা শিক্ষা ও প্রশাসনিক কাজে ঠিকঠাক সহায়তা করেন না।

তার বক্তব্যে একমত হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা বোর্ড কি করে, তারা মনে করে পরীক্ষা নেব; খাতা দেখবে; রেজাল্ট দেবে আর ৫টা করে বোনাস নেবে। আবার প্রমোশনের জন্য কাজ বন্ধ করে আন্দোলনও করবে।’

তিনি বলেন, ‘বোর্ড ভাবে না যে, তাদের একাডেমিক জায়গা থেকে ইমপ্রুভ করার দায়িত্বও আছে। তাদের মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষান্মাসিক এবং বাৎসরিক পরিকল্পনা থাকা উচিত। কিন্তু তারা তা করে না।’

কর্মকর্তা ও শিক্ষকদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ করত, এখন সব বিএনপি হয়ে গেছে—সেইসব কর্মকর্তারাই আবার চেয়ারম্যানকে জিম্মি করে দাবিদাওয়া আদায় করতে চান। হুমকি-ধমকি দেন। এগুলো আর চলবে না।’

জাবিতে আর্জেন্টিনার খেলা দেখা নিয়ে সংঘর্ষ, শিক্ষার্থী বহিষ্কার

অনলাইন ডেস্ক
জাবিতে আর্জেন্টিনার খেলা দেখা নিয়ে সংঘর্ষ, শিক্ষার্থী বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মুক্তমঞ্চে বড় পর্দায় আর্জেন্টিনার খেলা দেখাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। 

এ ছাড়া আরেক শিক্ষার্থীর আবাসিক হলে অবস্থান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এই ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) এবং রেজিষ্ট্রার স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, ২২ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর আর্জেন্টিনা বনাম অস্ট্রিয়ার মধ্যে খেলা দেখার সময় সংঘটিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুই শিক্ষার্থীকে শাস্তি দেওয়া হলো।

এতে আরও বলা হয়, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের (শিক্ষাবর্ষ ২০১৮-২০১৯) শিক্ষার্থী মো. আসাদুজ্জামানকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য প্রণীত শৃঙ্খলা-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ ২০১৮-এর ৪(১)(খ) ধারা অনুযায়ী এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার (অথবা ক্ষেত্রমতে যা প্রযোজ্য) করা হলো। সাময়িক বহিষ্কারকালীন সময়ে হলে ও ক্যাম্পাসে তিনি অবস্থান করতে পারবেন না।

এ ছাড়া দর্শন বিভাগের ৪৮তম ব্যাচের (শিক্ষাবর্ষ ২০১৮-২০১৯) শিক্ষার্থী শাহানুর রহমান তদন্ত চলাকালে নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না এবং হলে ও ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে পারবেন না।

এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. মো. শামছুল আলমকে সভাপতি করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. খন্দকার মোহাম্মদ শরিফুল হুদা, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক হলের প্রভোস্ট ড. মো. নজরুল ইসলাম ও মওলানা ভাসানী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান। কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে রয়েছেন ডেপুটি রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) সৈয়দ মোহাম্মদ আলী রেজা।

লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের চারজনকে হত্যার বিচারের দাবিতে ঢাবিতে মানববন্ধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

লক্ষ্মীপুরে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্র-ছাত্রী কল্যাণ সমিতি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাত ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে সমিতির সভাপতি সৈয়দ আব্দুর রহিম বলেন, দেশে মানুষের নিরাপত্তা দিন দিন হুমকির মুখে পড়ছে। প্রকাশ্যে নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটলেও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। লক্ষ্মীপুরে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনাকে তিনি অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা সমাজে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি।’

রায়পুর উপজেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির সভাপতি লাবিব হাসান রাব্বি বলেন, এলাকায় মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেলেও সেগুলো নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। তিনি নিহত পরিবারের বেঁচে থাকা একমাত্র ছেলের দায়িত্ব রাষ্ট্রীয়ভাবে নেওয়ার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।

এ সময় সমিতির সহ-সভাপতি মুফাচ্ছের হোসাইন ইমরান, সাধারণ সম্পাদক মো. সজিবসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।