• ই-পেপার

অনলাইন জুয়া বন্ধে আইন

সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড, ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা

সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা রিমান্ড শেষে কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সাবেক এমপি আশিকা সুলতানা রিমান্ড শেষে কারাগারে
প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির ও ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত ইউসুফ এস ওয়াই রমাদান–ছবি : সংগৃহীত

রাধানীর মিরপুর মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় গ্রেপ্তার নীলফামারী-৩ আসনের (সংরক্ষিত) সাবেক সংসদ সদস্য মোছা. আশিকা সুলতানার রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই রফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দ্বিতীয় দফায় ছয়দিনের রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক আল মামুন হোসেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত ২৫ জুন রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর থেকে আশিকা সুলতানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর দ্বিতীয় দফার গত ২৯ জুন ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১৯ জুন মিরপুর এক নম্বরের এপেক্স শোরুম সংলগ্ন বাটা শোরুমের সামনের রাস্তায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৪০ থেকে ৫০ জন সরকারবিরোধী মিছিল করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে উপস্থিত আসামিরা তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন ব্যানার ফেস্টুন রেখে পালিয়ে যায়। পরে ভিডিওতে দেখা যায় আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে তারা মিছিল করেছে। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করে।

সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে ৫ সদস্যের কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনে ৫ সদস্যের কমিটি

‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইনের খসড়া যাচাই-বাছাই ও চূড়ান্ত অনুমোদনের লক্ষ্যে সরকার পাঁচ সদস্যের একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে। কমিটির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামকে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। 

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, কমিটি ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে।

ভরণ-পোষণ না দিলে সন্তানের বিরুদ্ধে মামলা, হতে পারে জেল-জরিমানা

বাসস
ভরণ-পোষণ না দিলে সন্তানের বিরুদ্ধে মামলা, হতে পারে জেল-জরিমানা

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করা প্রত্যেক ছেলে-মেয়েরই আইনগত দায়িত্ব। এ দায়িত্ব পালন না করলে সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করতে হবে। একাধিক সন্তান থাকলে তারা পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে এ দায়িত্ব পালন করবে। পিতা-মাতার একই স্থানে বসবাসের ব্যবস্থা করতে হবে এবং তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বৃদ্ধনিবাস বা অন্য কোথাও থাকতে বাধ্য করা যাবে না।

এ ছাড়া সন্তানকে নিয়মিত পিতা-মাতার স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যার ব্যবস্থা করতে হবে। পিতা-মাতা আলাদাভাবে বসবাস করলে সন্তানের দৈনিক বা মাসিক আয় থেকে যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ অর্থ নিয়মিত দিতে হবে।

আইনের ৪ ধারায় বলা হয়েছে, পিতার অনুপস্থিতিতে দাদা-দাদী এবং মাতার অনুপস্থিতিতে নানা-নানীর ভরণ-পোষণের দায়িত্বও নাতি-নাতনির ওপর বর্তাবে। এ দায়িত্বও পিতা-মাতার ভরণ-পোষণের অংশ হিসেবে গণ্য হবে।

৫(১) ধারায় বলা হয়েছে, ৩ বা ৪ ধারার কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে সর্বোচ্চ ৩ মাসের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

আইনের ৫(২) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সন্তানের স্ত্রী, স্বামী, পুত্র-কন্যা বা অন্য কোনো নিকটাত্মীয় যদি পিতা-মাতা, দাদা-দাদী বা নানা-নানীর ভরণ-পোষণে বাধা দেন বা অসহযোগিতা করেন, তাহলে তাকেও অপরাধে সহায়তাকারী হিসেবে একই দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

‘পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩’ বাংলাদেশের পারিবারিক মূল্যবোধ ও প্রবীণদের অধিকার রক্ষায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খালিদ হোসাইন।

তিনি বলেন, আইনের ৩ ধারায় প্রত্যেক সন্তানের জন্য পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে বৃদ্ধনিবাসে পাঠানো নিষিদ্ধ করে পারিবারিক বন্ধনকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে।

অ্যাডভোকেট খালিদ আরও বলেন, ৫ ধারায় ১ লাখ টাকা জরিমানার বিধান দায়িত্বহীন সন্তানদের জন্য একটি কঠোর আইনি বার্তা। আর ৪ ধারার মাধ্যমে দাদা-দাদী ও নানা-নানীর ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নাতি-নাতনির ওপর অর্পণ করে তিন প্রজন্মের পারিবারিক বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

অ্যাডভোকেট খালিদ হোসাইন বলেন, আইনের ৮ ধারায় আপোষ-মীমাংসার সুযোগ রাখা হয়েছে। ফলে পারিবারিক বিরোধ আদালতের বাইরে স্থানীয়ভাবে নিষ্পত্তির সুযোগ রয়েছে, যা দেশের সামাজিক সংস্কৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তিনি জানান, ২০২৩ সালের বিধিমালায় ভরণ-পোষণ তহবিল ও পরিচর্যাকেন্দ্র গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এটি অসহায় প্রবীণদের জন্য নতুন আশার আলো।

তিনি বলেন, এ আইন শুধু শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়, সন্তানদের দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্যও প্রণয়ন করা হয়েছে। আইনটি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়লে পারিবারিক সম্প্রীতি আরও দৃঢ় হবে এবং প্রবীণরা তাদের প্রাপ্য সম্মান ও নিরাপত্তা পাবেন।

প্রাথমিকে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা কাটল

অনলাইন ডেস্ক
প্রাথমিকে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগে বাধা কাটল

আটকে থাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক পদের নিয়োগে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) প্রধান শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত একটি মামলার বিষয়ে আপিল বিভাগ এই রায় প্রদান করেন। এর ফলে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আর কোনো আইনি জটিলতা থাকছে না।

সম্প্রতি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসনুল হক মিলন জানান, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সংকট দূর করতে ৩২ হাজার ৫০০ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে আদালতের নির্দেশে তা স্থগিত রয়েছে।