• ই-পেপার

কারওয়ান বাজার এলাকায় জমে থাকা পানিতে মশার বংশবিস্তার

মেট্রো রেল চলাচলে সময় বাড়ছে

নিশাত বিজয়
মেট্রো রেল চলাচলে সময় বাড়ছে

যানজটের নগরী ঢাকায় মেট্রো রেল যাত্রীদের চাহিদা পূরণে কর্তৃপক্ষ সেবার পরিধি আরো বাড়াতে যাচ্ছে। সম্প্রতি রাতে ২০ মিনিট সময় বাড়িয়ে অতিরিক্ত দুটি ট্রিপ চালু করার পরে মেট্রো রেলে যাত্রী বেড়েছে দৈনিক প্রায় ১০ হাজার, যাদের বড় একটি অংশ নারী। মেট্রো রেল অনেকের কাছেই রাতে নিরাপদ যাত্রার বাহন।

মেট্রো রেল সেবা প্রদানকারী সংস্থা ঢাকা মাস ট্রানজিট কম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জানিয়েছে, রাতে মেট্রো রেলের বাড়তি সময়ে দুটি ট্রিপ অতিরিক্ত চলাচলের পরে প্রতিদিন গড়ে যাত্রী বেড়েছে ১০ হাজারের মতো। এ অবস্থায় ধীরে ধীরে সময় আরো বাড়িয়ে রাত ১১টা ১৫ পর্যন্ত নেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। 

এদিকে মতিঝিল থেকে কমলাপুর অংশের বর্ধিত কাজ ৮৫ শতাংশ শেষ হয়ে যাওয়ায় আগামী বছরের মার্চের মধ্যে কমলাপুর মেট্রোস্টেশন চালু করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিএমটিসিএল। এই স্টেশন চালু হলে মেট্রো রেলে যাত্রী ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। সে ক্ষেত্রে উত্তরা থেকে মতিঝিলে এখন ১২ সেট ট্রেন সার্বক্ষণিক চলাচল করছে। বাড়তি সময়ে ট্রিপের সংখ্যা বাড়ানো হলে ১৪ সেট ট্রেন সার্বক্ষণিক ব্যবহার করা হবে। তবে মেট্রো রেলের নিয়মিত যাত্রীদের দাবি, সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চালালেও যাত্রীর অভাব হবে না। কারণ ভোর কিংবা রাতে মেট্রো রেল চলাচল অধিকতর নিরাপদ ও দ্রুত যাতায়াতের বাহন হবে।

রাজধানীর পল্লবীর বাসিন্দা মেরিনা আক্তার বলেন, ‘আমাকে পরিবারসহ প্রায়ই সকাল সাড়ে ৭টায় কমলাপুরের ট্রেন ধরতে হয় নরসিংদী যেতে; কিন্তু কখনো মেট্রো রেলে যেতে পারি না। সে সময় বাসে দ্রুত যাওয়ার সুযোগ না থাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় যেতে হয়। এ সমস্যা অনেকের। এ ক্ষেত্রে মেট্রো রেল সকাল ৬টা থেকে চালালেও যাত্রীর সংকট হবে না। সকাল সাড়ে ৬টায় কমলাপুর থেকে ট্রেন ছাড়ে। সে জন্য কমলাপুরমুখী অনেক যাত্রী পাওয়া যাবে।’

মিরপুর থেকে নিয়মিত কারওয়ান বাজারে অফিস করেন সৃজিতা ভট্টাচার্য। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মেট্রো রেল চালুর সময় কথা ছিল ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে। কিন্তু এত দিনেও পুরোদমে চলাচল না হওয়ায় নিয়মিত যাত্রী হিসেবে আমি হতাশ। কর্মদিবসে সাড়ে ৬টা থেকেই মানুষের যাতায়াত শুরু হয়। বাচ্চাদের স্কুল থাকে, পরে অফিস এবং যাতায়াত বজায় থাকে রাত ১২টা পর্যন্ত। সে কারণে অতি দ্রুত সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত মেট্রো রেল সেবা চালু করা উচিত।’

সময় বাড়ানোর বিষয়ে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) নজরুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মেট্রো রেলে সময় ধীরে ধীরে বাড়ানোর চেষ্টা আমাদের সব সময়ই ছিল। তবে আমাদের সার্বিক বিষয় বিচার-বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এ মাসে ২০ মিনিট সময় বাড়ানোর পরে মেট্রো রেলে যাত্রীর চাপ বাড়ায় আমরা পরিকল্পনা করছি কিভাবে ধীরে ধীরে সময় বাড়ানো যায়।’

 

কল্যাণপুর খাল পুনরুদ্ধারে ১,৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প

১৪৫ মিলিয়ন ডলার দেবে নেদারল্যান্ডস ও বিশ্বব্যাংক

এম আর মাসফি
কল্যাণপুর খাল পুনরুদ্ধারে ১,৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প

দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যা নিরসন, খালের প্রবাহ পুনরুদ্ধার ও জলবায়ু সহনশীল নগর ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে প্রায় এক হাজার ৮০০ কোটি টাকার একটি বড় প্রকল্প হাতে নিতে যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

‘কল্যাণপুর ক্যানাল প্রজেক্ট’ নামে প্রস্তাবিত এই প্রকল্পের জন্য ১৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা প্রায় এক হাজার ৭৬৯ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশনের ভৌত অবকাঠামো বিভাগে পাঠানো প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (পিডিপিপি) অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় বছরে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। তবে প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে পরিকল্পনা কমিশন।

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে কল্যাণপুর অববাহিকার নিষ্কাশনব্যবস্থা উন্নত করা, জলাবদ্ধতা ও বন্যার ঝুঁকি কমানো এবং খালকেন্দ্রিক টেকসই নগর পরিবেশ গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে খাল নেটওয়ার্ক ও জলাধারের সক্ষমতা বৃদ্ধি, পাম্পিং ব্যবস্থা উন্নয়ন, কঠিন বর্জ্য ও প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, মল-কাদা ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে জনসুবিধা, সবুজ এলাকা ও জলবায়ু অভিযোজন ব্যবস্থাকে সমন্বিত করে খালকে একটি সামাজিক সম্পদে পরিণত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় খাল থেকে প্রতিবন্ধকতা অপসারণ, পানিপ্রবাহের সক্ষমতা পুনরুদ্ধার, পাম্প স্টেশনে আধুনিক বর্জ্য প্রতিরোধক স্থাপন, প্রয়োজনীয় কালভার্ট ও সেতুর নকশা উন্নয়ন, প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাইলট কর্মসূচি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, কমিউনিটি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালু এবং খালের আশপাশে পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের মতো কার্যক্রম বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া প্রকল্প পরিচালনা ও ভবিষ্যৎ বৃহত্তর কর্মসূচির জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রস্তুতে একটি প্রকল্প ব্যবস্থাপনা ইউনিটও গঠন করা হবে।

তবে পরিকল্পনা কমিশনের পর্যালোচনায় দেখা গেছে, প্রকল্পের নাম, মেয়াদ, ব্যয় নির্ধারণ এবং কার্যক্রমের বর্ণনা নিয়ে বেশ কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে। কমিশনের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত ১৪৫ মিলিয়ন ডলারের ব্যয়ের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং পরিচালন ব্যয় অন্তর্ভুক্ত নয়। এসব গুরুত্বপূর্ণ খাতের ব্যয় বাদ দিয়ে কিভাবে মোট ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রয়োজন। এ ছাড়া পানি ধারণ এলাকা সম্প্রসারণের জন্য জমি অধিগ্রহণ লাগবে কি না এবং প্রয়োজন হলে তার ব্যয় কত হবে, সেটিও স্পষ্ট করা হয়নি।

এদিকে রাজধানীর খাল পুনরুদ্ধার নিয়ে রাজউকের ডিটেইলড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) ২০২২-২০৩৫-এর সমীক্ষা বলছে, ঢাকার বিদ্যমান খালগুলো পুনরুদ্ধার একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি কাজ। ড্যাপের প্রাক্কলন অনুযায়ী, জীববৈচিত্র্যসহ একটি খাল পূর্ণাঙ্গভাবে পুনরুদ্ধারে এক থেকে দেড় হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে। কল্যাণপুর খাল পুনরুদ্ধারেও প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু খনন বা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে ঢাকার খালগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করা সম্ভব নয়। সীমানা পুনর্নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ ও খালকেন্দ্রিক সমন্বিত নগর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন ছাড়া কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। তাঁরা বলছেন, রাজধানীর প্রায় ৫৭৪ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘ব্লু নেটওয়ার্ক’ পুনরুদ্ধার করতে হলে কয়েক দশকব্যাপী সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন হবে। এমন বাস্তবতায় কল্যাণপুর খাল প্রকল্পকে বৃহত্তর পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ ড. আদিল মুহাম্মদ খান মনে করেন, ঢাকার খাল পুনরুদ্ধার শুধু একটি অবকাঠামোগত বা পরিবেশগত উদ্যোগ নয়; এটি সুশাসন, জবাবদিহি ও ন্যায়বিচারের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।

 

তুরাগ নদের পৃথক স্থান থেকে তিন লাশ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
তুরাগ নদের পৃথক স্থান থেকে তিন লাশ উদ্ধার

ঢাকার তুরাগ নদের পৃথক স্থান থেকে তিনজনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পৃথক দুই থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, তুরাগ নদে ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ ভাসছে শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত সংবাদ ভিত্তিহীন।

যাদের লাশ উদ্ধার হয়েছে তারা হলো—সুমন আহমদ (১৭), আরিফুল ইসলাম আরিফ (২২) ও রাজধানীর মনিপুর মোল্লাপাড়ার রনি মোল্লা।

দারুস সালাম থানার ওসি মো. দুলাল হোসেন কালের কণ্ঠকে, ‘পরশু দিন (২৫ জুন) আমিনবাজার নৌ পুলিশ তুরাগ নদ থেকে আরিফুল ইসলাম আরিফের মরদেহ উদ্ধার করে। লাশের ময়নাতদন্ত নৌ পুলিশই করেছে। লাশ দেখে মনে হয়, দুই থেকে তিন দিন আগের। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’

আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘স্থানীয়দের সংবাদের ভিত্তিতে ২৫ তারিখ রাতে আমরা সুমন আহমেদের মরদেহ উদ্ধার করি। মাঝনদীতে উপুড় হয়ে ভেসে ছিল লাশ। তাঁর কাছে মোবাইল ফোন ছিল, মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তাঁর পরিবারকে সংবাদ দেওয়া হলে তারা এসে মরদেহ শনাক্ত করে। পরে লাশের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘ভিকটিমের ভাই জানিয়েছেন, গত ২২ তারিখে তাঁর ভাইকে স্থানীয় কিছু লোক পিকনিকের কথা বলে নিয়ে যায়। নৌকায় করে যাচ্ছিলেন তাঁরা। পরে নৌকা থেকে তাড়াহুড়া করে পারে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে গিয়ে তিনি পানিতে তলিয়ে যান। তাঁরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাননি। তবে কোন এলায় পড়ে গেছিলেন সেটা জানি না।’

এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘তুরাগ নদে ভাসছে আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীর লাশ শিরোনামে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এ ধরনের কোনো ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। একটি মহল এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মনোবল নষ্ট করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। যারা এ ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে তৎপর রয়েছে।’

 

নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে

জাতীয় সিম্পোজিয়ামে বক্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক
নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে

‘নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ, প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব বিকাশ’ শীর্ষক জাতীয় সিম্পোজিয়ামে বক্তারা বলেছেন, নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হলে দেশে সার্বিকভাবে নারী উন্নয়নে তা ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আর নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিতে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং কার্যকর গণতান্ত্রিক সংস্কার। এই সংস্কার হতে হবে রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ায়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সংশ্লিষ্ট বিধিমালায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ইত্যাদিতে। গণতান্ত্রিক সংস্কার, শক্তিশালী সিদ্ধান্ত গ্রহণ কাঠামো এবং গুণগত ও শক্তিশালী রাজনীতি বিদ্যমান জেন্ডার অসমতার অবস্থা থেকে উত্তরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

গতকাল শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে সিম্পোজিয়ামটি আয়োজন করে ওয়েভ ফাউন্ডেশন।

ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অধিবেশনসহ দিনব্যাপী সিম্পোজিয়ামের বিষয়ভিত্তিক দুটি প্যানেল আলোচনা ও সমাপনী অধিবেশন হয়। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন এমপি রাশেদা বেগম হীরা, নুসরাত তাবাসসুম, সানজিদা ইসলাম তুলি, ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ ও উপসচিব শাহ আলম। দাতা সংস্থা থেকে ইউএন উইমেনের রিপ্রেজেন্টেটিভ গীতাঞ্জলী সিং, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) হ্যারি থমসন ও কানাডিয়ান হাইকমিশনের সেকেন্ড সেক্রেটারি (ডেভেলপমেন্ট, জেন্ডার ইকুয়ালিটি) স্টেফানি সেন্ট লরেন্ট ব্রাজার্ড আলোচনায় অংশ নেন। সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসির কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। এতে সভাপ্রধান ছিলেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির। সিম্পোজিয়ামে আলোচনায় বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সহসাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, সিপিবির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য লুনা নূর, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক সম্পাদক হাবীবা চৌধুরী, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসরিন সুলতানা মিলি, গণসংহতি আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক জুলহাসনাইন বাবু, স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন ও মানবাধিকার সংস্কার কমিশনের সাবেক সদস্য ইলিরা দেওয়ান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অধিবেশনে ‘জেন্ডার-সংবেদনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সম্পর্কিত অবস্থান’ সংক্রান্ত সমীক্ষার ফল উপস্থাপন করেন গবেষক ও পরামর্শক সানাইয়া ফাহীম আনসারী।