প্রযুক্তি বদলে দিয়েছে গোটা দুনিয়াকেই। কিন্তু প্রযুক্তির সহজলভ্যতা তরুণ প্রজন্মকে বিপথগামীও করছে। প্রযুক্তির নেতিবাচক ব্যবহারের নির্মম এক উদাহরন তৈরি হয়েছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে। মাত্র ১২ বছর বয়সী এক কিশোর মোবাইলে পর্নো ছবি দেখে। তারপর মাত্র ৯ মাস বয়সী এক শিশুকে অপহরণ ও ধর্ষণ করে।
ঘটনাটি শুক্রবার রাতের। ভুক্তভোগী শিশুটি মায়ের পাশেই শুয়ে ছিল। মায়ের ঘুমের সুযোগে ১২ বছর বয়সী কিশোরটি তাকে তুলে নিয়ে যায়। অভিযুক্ত কিশোর ভুক্তভোগীর পরিবারের আত্মীয়। দিন তিনেক আগে সে চন্ডিগড় থেকে গোরখপুরে আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে আসে। শুক্রবার রাতে সে প্রথমে মদ্পান করে। পরে সে তার মোবাইলে পর্নো ছবি দেখে। এরপর সে শিশুটিকে তুলে নিয়ে যায় ও পাশের একটি টিনশেড ভবনে নিয়ে ধর্ষণ করে।
শিশুটিকে না পেয়ে শুক্রবার রাত থেকেই পরিবারের সবাই তাকে খুঁজতে শুরু করেন। শনিবার সকালে বাড়ি থেকে ৫০০ মিটার দূরে একটি টিনশেড ভবনে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। শিশুটি তখন ব্যথায় কাতরাচ্ছিল। দ্রুত তাকে স্থানীয় কমিউনিটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নেয়া হয়। কিন্তু অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় তাকে বিআরডি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা ধর্ষণের আলামত পাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
শিশুটির বাবা-মা, দাদা-দাদিসহ স্বজনদের সাথে কথা পুলিশ রবিবার সন্দেহভাজন হিসেবে ১২ বছর বয়সী কিশোরকে আটক করে। প্রথমে সে স্বীকার না করে উল্টাপাল্টা কথা বলে পুলিশকে বিভ্রান্ত করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করে। পুলিশ তার মোবাইল ফোন থেকে অন্তত ৫০টি পর্নোগ্রাফিক কন্টেন্ট এবং ১০০টি পর্নগ্রাফিক ওয়েবসাইট সার্চ করার ইতিহাস খুঁজে পেয়েছে।




