• ই-পেপার

ইরান যুদ্ধে চীনের লাভ-ক্ষতি

পাকিস্তানের কাশ্মীরে ক্ষোভের আগুন, অচল পাহাড়ে ২৪ প্রাণহানি

অনলাইন ডেস্ক
পাকিস্তানের কাশ্মীরে ক্ষোভের আগুন, অচল পাহাড়ে ২৪ প্রাণহানি
ধর্মঘটের সময় একটি রাস্তার জনশূন্য দৃশ্য। ছবি : সংগৃহীত

আবারও বিক্ষোভে উত্তাল হলো পাকিস্তানের কাশ্মীর। কয়েক দিন ধরে সেখানে এমন এক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে, যেখানে রাস্তা বন্ধ, দোকান বন্ধ, ইন্টারনেট বন্ধ—শুধু মানুষের দুশ্চিন্তাটা খোলা। সেটি বন্ধ করার কোনো সরকারি নির্দেশ এখনো জারি হয়নি!

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানশাসিত কাশ্মীরে টানা বিক্ষোভ ও সংঘর্ষে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাধারণ মানুষ যেমন আছে, তেমনি আছেন পুলিশ সদস্যও। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অঞ্চলটিতে এমন প্রাণঘাতী অস্থিরতা আর দেখা যায়নি।

ঘটনার সূত্রপাত আইনসভা নির্বাচন ঘিরে। আগামী ২৭ জুলাই ৪৫ আসনের আঞ্চলিক আইনসভা নির্বাচন হওয়ার কথা। এর আগে ভারতশাসিত কাশ্মীর থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে পাকিস্তানে থাকা শরণার্থীদের জন্য ১২টি আসন সংরক্ষণের বিরোধিতা করে আন্দোলনে নামে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি বা জেএএসি। সংগঠনটি ৯ জুন ধর্মঘটের ডাক দেয়। এর পরই পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হতে থাকে।

সরকারি কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, ৬ থেকে ১৪ জুনের মধ্যে অন্তত ২০ বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে। আঞ্চলিক পুলিশপ্রধান লিয়াকত আলী মালিক জানিয়েছেন, সংঘাতে চার পুলিশ সদস্য নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছে। আটক করা হয়েছে ৫১৫ জনকে।

রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দক্ষিণে রাওয়ালাকোটের উপকণ্ঠে এখনো হাজারো জেএএসি সমর্থক অবস্থান করছেন। কর্তৃপক্ষ প্রধান সড়কগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। ইন্টারনেট সেবা বন্ধ। অনেক এলাকায় গণমাধ্যমের প্রবেশও সীমিত। ফলে কাশ্মীর যেন নিজের ভেতরেই আটকে পড়েছে—বাইরের সঙ্গে কথা বলার মুখ নেই, আর ভেতরে মানুষের ক্ষোভ থামার নাম নেই।

অচলাবস্থার সবচেয়ে বেশি বোঝা পড়েছে সাধারণ মানুষের ঘাড়ে। বড় রাজনীতিকরা বড় বড় কথা বলেন, কিন্তু দিনমজুরের সংসার চলে ছোট ছোট মজুরিতে। মুজাফফরাবাদের আপার আড্ডা বাণিজ্যিক এলাকায় শ্রমিকরা কাজের আশায় বসে থাকছেন। কাজ নেই, আয় নেই। কিছু ওষুধের দোকান ও নিত্যপণ্যের দোকান সীমিত সময়ের জন্য খুললেও বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ। ব্যাংকিং সেবা ব্যাহত হচ্ছে। এটিএম অচল। পেট্রল পাম্পও বন্ধ রাখা হয়েছে সরকারি নির্দেশে।

স্থানীয় ট্যাক্সিচালক আসিফ নাজে বলেছেন, যাদের ঘরে সঞ্চয় আছে তারা হয়তো কিছুদিন টিকে থাকতে পারবেন। কিন্তু যারা দিন আনে দিন খায়, তাদের জন্য এই অচলাবস্থা মানে ঘরে চুলা না জ্বলা।

কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান বহুদিন ধরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের সমালোচনা করে এসেছে। কিন্তু এবার নিজ শাসিত কাশ্মীরেই বিক্ষোভ, মৃত্যু, ধরপাকড় ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতার অভিযোগে চাপে পড়েছে ইসলামাবাদ। 

সূত্র : রয়টার্স

ইসরায়েলি হামলা

লেবাননে নিহত ৪ হাজার ছাড়িয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
লেবাননে নিহত ৪ হাজার ছাড়িয়েছে
সংগৃহীত ছবি

সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের নাবাতিয়েহ, বেকা উপত্যকা এবং সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে হামলার মাত্রা বেড়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র গতকাল শুক্রবারেই নিহত হয়েছেন ৮৪ জন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। আর আহত হয়েছেন ১২ হাজারের বেশি মানুষ।

লেবাননের কর্তৃপক্ষ বলছে, হামলায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ক্রমেই বাড়ছে। অন্যদিকে ইসরায়েল দাবি করছে, তারা হিজবুল্লাহর সামরিক অবকাঠামো ও অবস্থান লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে।

সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ৫৭ জন নিহত এবং ১২ হাজার ১২১ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার প্রকাশিত হালনাগাদ তথ্যে মন্ত্রণালয় জানায়, শুক্রবারের হামলায় নিহতের সংখ্যা আগের হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি। সংশোধিত হিসাব অনুযায়ী শুক্রবার একদিনেই ৮৩ জন নিহত এবং ১৪১ জন আহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয়ের ভাষ্যমতে, নিহত ও আহতদের অধিকাংশই দক্ষিণ লেবাননের বাসিন্দা। এ ছাড়া দেশটির পূর্বাঞ্চলেও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

এ অবস্থায় লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স ঘোষণা দিয়েছে।

এক বিবৃতিতে ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির লঙ্ঘন এবং সেই কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করা হলো। এটি শত্রুপক্ষের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রথম পদক্ষেপ।’

এদিকে চার হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু এবং বারো হাজারের বেশি আহত হওয়ার ঘটনায় দেশটিতে মানবিক সংকট আরো গভীর হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হাসপাতাল ও জরুরি সেবাদানকারী সংস্থাগুলোর ওপরও চাপ বাড়ছে। 

দিল্লিতে শিশু কেনাবেচার হাট!

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
দিল্লিতে শিশু কেনাবেচার হাট!
ছবি : এনডিটিভি

পৃথিবীতে অনেক রকম বাজার আছে। কিন্তু শিশু কেনাবেচার হাটের কথা কল্পনা করতে পারেন! দিল্লিতে এমনই এক অন্ধকার বাজারের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। ধাপে ধাপে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশ জেনেছে, দিল্লির একটি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে জমজমাট এই বাজার। দরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে অল্প টাকায় তাদের নবজাতক সন্তান কিনে বা চুরি করে এনে চড়া দামে বিক্রি করা হতো নিঃসন্তান কোনো দম্পতির কাছে। পুলিশ এই চক্রের বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে। 

ব্যাপারটা এমন, রাজস্থানে জন্ম নেওয়া কোনো একটি শিশুকে কিনে বা চুরি করে এনে দিল্লির এক হাসপাতালে এক ডাক্তারের মধ্যস্থতায় বিক্রি করে দেওয়া হলো হরিয়ানার কোনো দম্পতির কাছে। সেই শিশু বড় হয়ে কখনো জানতেই পারবে না, তার আসল মা-বাবা কে। এই বাজারে ছেলেশিশুর দাম বেশি, ৬ থেকে ৮ লাখ রুপি। কন্যাশিশুর দাম একটু কম পড়বে, ৩ থেকে ৪ লাখ রুপিতে আপনি পেয়ে যাবেন ৩ থেকে ৪ দিন বয়সী কোনো কন্যাশিশু।

দিল্লির ব্যস্ত এলাকা পাহাড়গঞ্জের এক বাসিন্দা প্রথমে পুলিশকে তার সন্দেহের কথা জানান। তিনি পুলিশকে জানান, এলাকায় নিয়মিত বিরতিতে একটি নারীকে দেখা যেত, যার কোলে প্রতিবারই একটি নতুন নবজাতক থাকত, যা সন্দেহজনক। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ চেক করার পাশাপাশি নিজস্ব সোর্সকেও কাজে লাগানো হয়। পুলিশ নিশ্চিত হয়, জ্যোতি ওরফে কমলেশ নামের এই নারী শিশু পাচারের সঙ্গে জড়িত। এর পরই তাকে হাতেনাতে ধরতে ফাঁদ পাতে দিল্লি পুলিশ।

পুলিশের একজন নারী সদস্য শিশু কেনার গ্রাহক সেজে কমলেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা দেখা করেন এবং শিশু বিক্রির চুক্তি হয়। অগ্রিম হিসেবে ২০ হাজার রুপি দিতেও রাজি হন ছদ্মবেশী নারী পুলিশ। ৫ জুন ছদ্মবেশী পুলিশের কাছে একটি নবজাতক হস্তান্তর করার সময় কমলেশকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

তারপর বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর আন্তঃরাজ্যীয় শিশু পাচার চক্রের গল্প, যা বলিউড সিনেমাকেও হার মানায়। যার পরতে পরতে লুকিয়ে আছে দারিদ্র্য, লোভ, আর নির্মমতার নানামাত্রিক উপাখ্যান। দরিদ্র পিতা-মাতা থেকে দিল্লির দালাল, সেখান থেকে হাসপাতাল, সেখান থেকে নিঃসন্তান কোনো দম্পতির ঘর- জন্মের সাথে সাথে কিছু অপরাধী মিলে নির্ধারণ করে একটি শিশুর ভাগ্য!

কমলেশকে টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ তার দুই সহযোগী—শালু ও ললিতের সন্ধান পায়। পরে প্রতিভা ও বিপিন নামে আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যারা মূলত শিশু সংগ্রহ এবং বিক্রির চুক্তি করার দায়িত্বে ছিল। প্রতিভা ও বিপিন যখন বাজারে শিশু সরবরাহকারী মূল ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন, তখন তাদের ধরা হয়। তাদের কাছ থেকে পুলিশ প্রায় ৩ লাখ রুপিও উদ্ধার করে। দুই সপ্তাহের টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ এক মাসের কম বয়সী এমন ৫টি নবজাতককে উদ্ধার করে।

এর পরই পুলিশ আরো নিবিড় অনুসন্ধানে নামে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ একটি হাসপাতালের সন্ধান পায়। পশ্চিম দিল্লির রোহিণীর বেগমপুরের হীরা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল, নামে হাসপাতাল হলেও এটি আসলে কোনো চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র নয়, এটিই মূলত শিশু বেচাকেনার বাজার। এই হাসপাতার মালিক ডাক্তার বিবেকীই হলেন এই চক্রের মূল হোতা। পাচারকারীরা নবজাতকদের সংগ্রহ করে এই হাসপাতালে নিয়ে আসত। বিক্রি হওয়ার আগ পর্যন্ত শিশুগুলোকে এই হাসপাতালেই রাখা হতো। ডাক্তার বিবেকী শিশুদের ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করতে সাহায্য করতেন। শিশুদের জন্ম সনদ, জন্ম নেয়ার কাগজপত্র, হাসপাতালের বিল এমনভাবে তৈরি করা হতো, যাতে মনে হয় শিশুটি এই হাসপাতালেই জন্ম নিয়েছে। 

পুলিশের তদন্তে দেখা গেছে, একটি কন্যাসন্তান প্রায় এক লাখ রুপিতে কেনা হতো এবং ৩ থেকে ৪ লাখ রুপিতে বিক্রি হতো। আর ছেলেশিশু কেনা হতো প্রায় দুই লাখ রুপিতে, বিক্রি হতো ৬ থেকে ৮ লাখ রুপিতে। পৃথিবীর আর কোনো বাজারে এমন লাভজনক ব্যবসা নেই!

দিল্লি সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের ডিসিপি রোহিত রাজবীর সিং পুরো চক্রের গল্প সাংবাদিকদের কাছে বর্নণা করেন। তিনি জানান, শিশু কেনাবেচার সমস্ত চুক্তি ডাক্তার বিবেকীর হাসপাতালেই হতো। তিনি পাচারকারী এবং শিশু কিনতে চাওয়া দম্পতিদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতেন।

হেফাজতে থাকা আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ গুজরাটের সবরকান্থা থেকে সাবাভাই গামার ওরফে কালিয়াকে গ্রেপ্তার করে। মূলত উদয়পুরের বাসিন্দা গামার রাজস্থানের পালি এবং সবরকান্থার দরিদ্র দম্পতিদের কাছ থেকে শিশু কিনত। 

উদ্ধার হওয়া শিশুদের প্রকৃত মা-বাবার সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। তারা স্বেচ্ছায় সন্তান বিক্রি করেছে, নাকি তাদের বাধ্য করা হয়েছে, অথবা শিশুগুলোকে চুরি করা হয়েছে কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিসিপি রাজবীর সিং বলেন, মা-বাবা যদি স্বেচ্ছায় পাচারকারীদের কাছে শিশু বিক্রি করে থাকে, তবে তাদেরও এই মামলায় আসামি করা হবে। যারা এ চক্রের কাছ থেকে শিশু কিনেছেন, তাদেরও আসামি করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

তদন্তে জানা গেছে, গামার এবং তার দল গত এক বছরে অন্তত ৩০টি নবজাতককে বিক্রি করেছে। পুলিশ হরিয়ানার পানিপথ থেকে সানি অরোরা এবং রিতু অরোরা নামের এক দম্পতিকে শনাক্ত ও আটক করেছে, যারা এ চক্রের কাছ থেকে শিশু কিনেছেন। এ ছাড়া মধ্য প্রদেশের গোয়ালিয়র থেকে এই চক্রের কাছ থেকে শিশু কেনা অন্য এক দম্পতিকেও আটক করা হয়েছে।

ডিসিপি রোহিত রাজবীর সিং জানান, এ চক্রের লোভের জালে পড়ে প্রতারিত হয়েছেন এক দম্পতি। তারা একটি পুত্রসন্তান কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু চক্রটির কাছে তখন একটি কনাশিশুও ছিল, যাকে দ্রুত বিক্রি করে দেয়া দরকার। চক্রটি ছেলেশিশু কিনতে আগ্রহী দম্পতিকে জানায়, তাদের কাছে ছেলেশিশুর জমজ একটি কন্যাশিশুও রয়েছে। সে দম্পতি ৯ লাখ রুপির প্যাকেজে ‘যমজ’ সন্তান কেনেন। বাস্তবে তারা যমজ ছিল না। তাদের সংগ্রহ করা হয়েছিল দুই এলাকা থেকে।

ডিসিপি রাজবীর সিং এই চক্রটি ভাঙার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিন নারী পুলিশ কর্মকর্তা—সাব-ইন্সপেক্টর প্রগতি ও যামিনী এবং হেড কনস্টেবল সুষমার নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

উদ্ধার হওয়া ৫ নবজাতককে আপাতত চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত মা-বাবার সন্ধান না পেলে কমিটি পরে তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় দত্তক দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।

লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, হরমুজ বন্ধ করল ইরান

অনলাইন ডেস্ক
লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, হরমুজ বন্ধ করল ইরান
রয়টার্স ছবি

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স ঘোষণা দিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে ইরানি সামরিক কর্তৃপক্ষ জানায়, লেবাননে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির লঙ্ঘন এবং সেই কারণেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করা হলো। এটি শত্রুপক্ষের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের বিরুদ্ধে প্রথম পদক্ষেপ।’

এ ছাড়া আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে শত্রুকে তার বাধ্যবাধকতা পালনে বাধ্য করতে আরো পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

ইরানের দাবি, লেবাননে ইসরায়েলের হামলা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সম্প্রতি হওয়া সমঝোতার চেতনার পরিপন্থী। তেহরান মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্রের মদদে বা নীরব সমর্থনে ইসরায়েল এই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।