• ই-পেপার

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে নকআউটে যুক্তরাষ্ট্র

সালাহর যে রেকর্ডে ভাগ বসালেন মরক্কোর স্ট্রাইকার

ক্রীড়া ডেস্ক
সালাহর যে রেকর্ডে ভাগ বসালেন মরক্কোর স্ট্রাইকার
সালাহর রেকর্ডে ভাগ বসালেন সাইবারি। ছবি : এক্স থেকে

একা আর উপভোগ করা হলো না মোহাম্মদ সালাহর। তার রেকর্ডে ভাগ বসালেন মরক্কোর স্ট্রাইকার। আফ্রিকা মহাদেশের প্রথম ফুটবলার হিসেবে এতদিন বিশ্বকাপে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে গোল করা ফুটবলার ছিলেন সালাহ। 

মিশরের কিংবদন্তির সেই কীর্তিতে এবার ভাগ বসালেন ইসমায়েল সাইবারি। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে মরক্কোর হয়ে গোল পেলেন তিনি। সেটিও আবার রেকর্ড গড়ে। এবারের বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত দ্রুততম গোলের মালিক হয়ে। 

ম্যাচের ৬৯ সেকেন্ডে গোলটি করেন সাইবারি। সতীর্থ ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে বুলেট গতির শটে গোলটি করেন ২৫ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। পরে লিড বাড়ানোর সুযোগ পেলেও তা না হওয়ায় তার সেই গোলেই স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিরতিতে যায় মরক্কো।

 

সাইবারির আগে এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের মালিক ছিলেন মাইকেল সাদিলেক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গোলটি করেছিলেন চেক প্রজাতন্ত্রের মিডফিল্ডার।

তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের মালিক হাকান শুকুর। ২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১১ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন তুরস্কের স্ট্রাইকার।

এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল মরক্কোর

ক্রীড়া ডেস্ক
এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল মরক্কোর
এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল করার সময় সাইবারির শট। ছবি : রয়টার্স

নিজ আসনে হয়তো তখনো অনেকে বসতে পারেননি। কিন্তু এর মধ্যেই দেখলেন মরক্কোর গোল উদযাপন। অথচ, বোস্টনে তখন সবে দ্বিতীয় মিনিটের খেলা চলছিল।

সেকেন্ডের হিসেবে তখন ৬৯ সেকেন্ড। যা এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল। দ্রুততম গোলের নায়ক হচ্ছেন ইসমাইল সাইবারি। সতীর্থ ব্রাহিম দিয়াজের পাস থেকে বুলেট গতির শটে স্কটল্যান্ডের জাল খুঁজে নেন মরক্কোর ফরোয়ার্ড।

এর আগে এবারের বিশ্বকাপের দ্রুততম গোলের মালিক ছিলেন মাইকেল সাদিলেক। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৫ মিনিট ৭ সেকেন্ডে গোলটি করেছিলেন চেক প্রজাতন্ত্রের মিডফিল্ডার।

তবে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম গোলের মালিক হাকান শুকুর। ২০০২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ১১ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন তুরস্কের স্ট্রাইকার।

রোনালদোকে অবসর নিতে বললেন সতীর্থের প্রেমিকা

ক্রীড়া ডেস্ক
রোনালদোকে অবসর নিতে বললেন সতীর্থের প্রেমিকা
বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি রোনালদোর। ছবি : রয়টার্স

বড্ড খারাপ সময় পার করছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। বিশেষ করে পর্তুগালের হয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলার পর। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ড্র করায়। ১-১ গোলের ড্রয়ের ম্যাচে আবার মাঠে খুঁজেই পাওয়া যায়নি রোনালদোকে।

রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সের পর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট’ তার কঠোর সমালোচনা করে একটি কলাম লিখেছে। লেখক রিচার্ড জলি যার শিরোনাম দিয়েছেন, ‘১০ জন খেলোয়াড় এবং একজন মূর্তি’। শুধু সংবাদমাধ্যমই নয়, ‘সিআর সেভেনের’ সমালোচনা করেছেন থিয়েরে অঁরির মতো কিংবদন্তিও।

বিপরীতে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনার সঙ্গে রোনালদোকে নিয়ে ট্রল করছেন অনেককে। যা মেনে নিতে পারছেন না পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ীর ভক্ত-সমর্থকরা। প্রিয় খেলোয়াড়কে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সমালোচনামূলক কিছু চোখে পড়লেই কমেন্ট করে প্রতিবাদ জানান তারা।

 

রোনালদোর ভক্ত-সমর্থকদের যুক্তি তার সতীর্থরা পাস না দেওয়াতেই বাজে একটা দিন গেছে পর্তুগালের অধিনায়কের। এক ভক্ত তেমনি এক মন্তব্য করে ইট মেরে যেন পাটকেল খেয়েছেন। তবে ভক্তের মুখ বন্ধ করতে গিয়ে ‘রোনালদোবিরোধী’ মন্তব্য করে বসেন পোস্টদাতা।

পোস্টদাতা আবার সাধারণ কোনো মানুষ নন, পর্তুগালেরই মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেসের প্রেমিকা মাদালেনা আরাগাও। কমেন্টের জবাব দিতে গিয়ে, রোনালদোকে স্বার্থপর এবং অবসর নিতে বলেছেন।

নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রেমিক নেভেসের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেন মাদালেনা। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার ৮৭ কে নিয়ে আমি গর্বিত।’ কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের গোলটি করেছিলেন নেভেসই।

সেখানেই সেই ভক্ত কমেন্ট করেন, ‘তোমার প্রেমিককে বলো আমার আইডলকে (রোনালদো) পাস দিতে।’ মন্তব্যের উত্তরে মাদালেনা লিখেছেন, ‘তোমার আইডলকে বলো অবসর নিতে, সে খুবই স্বার্থপর।’

জোড়া গোলে বিরতিতে যুক্তরাষ্ট্র

ক্রীড়া ডেস্ক
জোড়া গোলে বিরতিতে যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্টের দ্বিতীয় গোলের নায়কের বুনো উল্লাস। ছবি : রয়টার্স

গোল করার আনন্দে গোলদাতা উদযাপন করবেন এটাই স্বাভাবিক। তবে প্রযুক্তির যুগে এখন সেই সুযোগ নেই। গোলের আনন্দে যে অনেকটাই মাটি করে দিচ্ছে প্রযুক্তি। বিপরীতটা অবশ্য হয়। আজ যেমন প্রযুক্তির কল্যাণেই উদযাপনের মুহূর্ত পেলেন অ্যালেক্স ফ্রিম্যান।

ঘরের মাঠ সিয়াটল স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গোল করার পর যখন উদযাপনে মাততে যাবেন ঠিক তখনি লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তুলেন। এতে করে বাধ্য হয়েই সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপন আর করা হয়না ফ্রিম্যানের। তবে ৪৩ মিনিটে করা গোলটির উদযাপন কয়েক মিনিট পরেই করার সুযোগ পান তিনি। ভিএআরে চেক করার পর রেফারি গোলের বাঁশি বাজান।

আর সঙ্গে সঙ্গে বুনো উল্লাসে মাতেন ফ্রিম্যান। তার পাগলাটে দৌড়ে সঙ্গী হন সতীর্থরাও। বিপরীতে পুরো গ্যালারিতে তখন হাসিমুখ। কারণ, এ গোলেই বিশ্বকাপের পরের রাউন্ডে যাওয়া প্রায় অনেকটা নিশ্চিত যুক্তরাষ্ট্রের। কেননা ২-০ ব্যবধানে বিরতিতে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে স্বাগতিকরা। বাকি অর্ধেক সময় ব্যবধানটা ধরে রাখতে পারলেই শেষ ৩২ নিশ্চিত।

ফ্রিম্যানের আগে আরেকটি গোল পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে ১১ মিনিটে পাওয়া গোলটির নায়ক বিশ্বকাপের আয়োজক দলের কেউ নন। প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়ার। গোল বাঁচাতে গিয়ে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে দেন সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার ক্যামেরন বার্জেস। বিপরীতে চেষ্টা করেও ব্যবধান কমাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।