• ই-পেপার

শিবির কি ওসমান হাদিকে জাতির পিতা হিসেবে দাঁড় করাতে চায় : রাশেদ খান

ফেসবুকে রাশেদ খান

হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক
হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হতে পারে
সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদ।

এনসিপির সংসদ সদস্য হান্নান মাসউদের এমপি পদ বাতিল হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। তিনি বলেন, ‘হাতিয়ার কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা ভোটার হাইকোর্টে রিট করলে হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হয়ে যেতে পারে।’

আজ মঙ্গলবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

চট্টগ্রাম-৪ আসন থেকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিল করে আজ মঙ্গলবার রায় দিয়েছেন আপিল বিভাগ। ফলে তার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান বলেন, ‘শেখ হাসিনা রেজিমে আসলাম চৌধুরী দীর্ঘ সময় কারাবন্দি ছিলেন। এ সময় ব্যবসা-বাণিজ্য ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক। ফলাফল তিনি ঋণখেলাপি হয়ে যান। শেখ হাসিনার দমননীতি আসলাম চৌধুরীকে ঋণখেলাপি হতে বাধ্য করেছে। সুতরাং তাকে নিয়ে কটাক্ষ করার কিছু নেই।’

তিনি বলেন, ‘আইন তার নিজ গতিতে চলছে বলেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েও আসলাম চৌধুরী এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারলেন না। আসলাম চৌধুরী যদি জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম মাসুদের মতো তার স্ত্রীর নামে ঋণ নিতেন তাহলে তাকে এই সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো না। জামায়াতের নেতারা বিএনপির নেতাদের চেয়ে এই ক্ষেত্রে মোটামুটি সফল চালাক।’

রাশেদ খান বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী হলফনামায় ভুল তথ্য দিলে এমপি পদ বাতিল হয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে হান্নান মাসউদ নিজে তার হলফনামায় মিথ্যা তথ্যের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সুতরাং হাতিয়ার কোনো সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা ভোটার হাইকোর্টে রিট করলে হান্নান মাসউদেরও এমপি পদ বাতিল হয়ে যেতে পারে। আইন তার নিজ গতিতেই চলুক।’

হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার

অনলাইন ডেস্ক
হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার
সংগৃহীত ছবি

পেশায় দিনমজুর মহিউদ্দিন। রাজনীতির জটিল সমীকরণ তেমন বোঝেন না। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এনসিপির বিপক্ষে বিএনপির শরিক দল গণঅধিকারের ট্রাক মার্কায় এজেন্ট হওয়ার অপরাধে হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারীরা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেন তার ওপর। মারধর করে টাকা ছিনিয়ে নেন বলে অভিযোগ উঠেছে। কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানী টিমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব চিত্র।

হামলার শিকার মহিউদ্দিন জানান, জাতীয় নির্বাচনের দিন নিজ আত্মীয়ের কাছে ট্রাক মার্কায় ভোট চান তিনি। এ সময় এনসিপির নেতারা শাপলা কলিতে ভোট দিতে জোর করেন ভোটারকে। পরে ঘটনার এক পর্যায়ে মহিউদ্দিনের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থিত নেতাকর্মীদের। নির্বাচনের পরের দিন রাতে স্থানীয় বাজারে এনসিপি নেতা আল-আমিনের নেতৃত্বে ২০-৩০ জনের একটি দল মহিউদ্দিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার ওপর হামলা করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রাণে রক্ষা পান তিনি। এ সময় তার কাছে থাকা সন্তানের চিকিৎসা বাবদ ১১ হাজার টাকা লুট করেন এনসিপি নেতা আল আমিন ও তার লোকজন।

মহিউদ্দিনের স্ত্রী হ্যাপি বেগম জানান, বিএনপির রাজনীতি করার অভিযোগ দিয়ে তার স্বামীকে হত্যা করার চেষ্টা করে হামলাকারীরা। তিনি বলেন, ‘১৫ থেকে ২০ জনের ওপরে হবে। তারা ব্যারিকেড দিয়ে ৩ থেকে ৪ জন শুধু মারছে। আমার হাজবেন্ডের মাথায় গাই দিছে। আমার স্বামী বলছেন, ভাই আমি কিছু করি নাই। তারা কোনো কিছু শুনছে না, শুধু মারছে। তাকে যারা মারছে, তাদের বিচার চাই।’

হ্যাপি বেগম আরো বলেন, ‘বিএনপিকে তারা শেষ কইরা দিবো। তাদের এতটুকুই ক্ষোভ। তারা বিএনপি চায় না। তারা চায় নতুন কিছু।’ 

হামলার শিকার মহিউদ্দিনের বড় ভাই জানান, এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে সেটি না নিয়ে উল্টো থানা থেকে বলা হয় আগুন নিয়ে খেলবেন না। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, মুখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বললেও দেবীদ্বারে আওয়ামী পুনর্বাসনে সরাসরি কাজ করেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

তিনি অভিযোগ করেন, ‘এক হাসনাত আবদুল্লাহ দেবীদ্বারে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন করছেন।’

থানায় গিয়ে মামলা করতে ব্যর্থ হওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে হামলাকারীদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করেন ভুক্তভোগী মহিউদ্দিনের বাবা মনু মিঞা। সেখানেও হুমকি দেন হাসনাতের পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী বলে অভিযোগ তার।

মনু মিঞা বলেন, ‘যেটা হওয়ার হয়ে গেছে, আমরা এখন মিলেমিশে চলতে চাই। কিন্তু তারা একেকজন একেক রকম কথা বলে। তাদের ভাষাই আলাদা। তারা হুমকি দেয় আমরা এনসিপির লোক, দেইখ্যা দিমু। হাসনাত আবদুল্লাহর লোক এনসিপি করছে। তারা এখনো মানুষের ওপর জোর-জুলুম করছে। আমরা হাসনাতের বিচার চাই।’

এদিকে অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত ও হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারী আল-আমিন মোল্লাকে ফোন দিলে তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। কে বা কারা মহিউদ্দিনকে মেরেছে, তাদেরও নাকি তিনি চেনেন না।

তিনি বলেন, ‘মারামারিতে ছোট ছেলেপুলে ছিল। টাকা নিছে কি নিছে না, আমি জানি না।’

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে তিনি জানেন না এবং এ বিষয়ে কোনো মামলা করতেও কেউ আসেনি। নির্বাচনের দিন নানা কাজে ব্যস্ত ছিলাম। কেউ মামলা করতে আসছিল বলে আমার মনে পড়ে না।’

ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক ঢাবি শিবির সভাপতি ফরহাদ : ছাত্রদল নেতা হামিম

অনলাইন ডেস্ক
ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক ঢাবি শিবির সভাপতি ফরহাদ : ছাত্রদল নেতা হামিম
ছাত্রদল নেতা হামিম। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদকে ‘ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির জসিম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারি হামিম। তিনি দাবি করেন, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম রাব্বানীর ‘ধারা’ অনুসরণ করছেন ফরহাদ।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন হামিম।

তিনি বলেন, ‘এস এম ফরহাদ তার এক বক্তব্যে দাবি করেছেন, ৫ আগস্ট রাতে নাকি ছাত্রদল হল দখল করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো—৫ আগস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে সকলে মিলে যখন বিভিন্ন আনন্দ-উচ্ছ্বাস করছে, কেউবা স্বজন হারানোর বেদনায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে শোকরান আদায় করছে কোনো কিছুকে না দেখে ওই দিন দুপুরবেলায় তাদের সুদূর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটা হলে অবস্থান নিয়ে হলগুলোকে দখল করেছিল ইসলামী ছাত্রশিবির।’

হামিমের দাবি, পরদিন বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তিনি ও তার সহপাঠীরা হলে উঠতে গেলে তাদের জানানো হয়, নতুন করে আবেদন ও ভাইভার মাধ্যমে হলে উঠতে হবে। প্রথমে তারা নিজেদের সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিলেও কয়েক মাস পর তাদের অনেকেই ছাত্রশিবিরের নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, যদি কোনো পুরুষ পুরুষ হিসেবে জন্ম নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নারীতে রূপান্তরিত হয় বা কোন নারী যদি নারী হিসেবে জন্ম লাভ করে ইচ্ছা করে পুরুষে রূপান্তরিত হয় এটা যেমন ইসলামে হারাম, আমরা একইভাবে মনে করি যারা কখনো নিজেদেরকে সাধারণ শিক্ষার্থী, কখনো বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বলে আবার কিছুদিন পর রূপান্তরিত করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা বুনে যায় এটাও হয়তোবা হারাম।’

শেখ তানভীর বারি হামিম বলেন, ‘আমরা একটি সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর।’

শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে হাঁটছে সজারু, দৃশ্যটি কোথাকার?

অনলাইন ডেস্ক
শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে হাঁটছে সজারু, দৃশ্যটি কোথাকার?
সংগৃহীত ছবি

সবুজ ধানক্ষেতের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে মাটির আলপথ। সেই পথ ধরে একটি গন্ধগোকুলকে জরিয়ে ধরে হেঁটে যাচ্ছে ছোট এক শিশু। তাকে পেছন পেছন অনুসরন করছে বিশাল এক সজারু। রূপকথার মতো এমন একটি দৃশ্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওটি দেখার পর নেটিজেনদের অনেকেই ভেবেছিলেন, দৃশ্যটি বাংলাদেশের। তবে প্রকৃতপক্ষে দৃশ্যটি বাংলাদেশের নয়।

ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে সজারু এমন দৃশ্যের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। প্রকৃতপক্ষে, শ্রীলঙ্কার এক ব্যক্তির ধারণ করা ভিডিওকে বাংলাদেশের দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গত ১২ জুন মূল ভিডিওটি প্রথম প্রভাত সিলভা নামে শ্রীলঙ্কান এক ব্যক্তির ফেসবুক প্রোফাইলে পাওয়া যায়। শ্রীলঙ্কার সিংহলিজ ভাষার ক্যাপশনে ভিডিওটি সম্পর্কে লেখা হয়, “যে ছোট ভাই তার বোনের সাথে কুবুরুতে যায়।”

বাংলাদেশের প্রকৃতি, পরিবেশের সঙ্গে অনেকটা মিলে যাওয়ায় অনেকে এটিকে বাংলাদেশের মনে করলেও এটি মূলত শ্রীলঙ্কার। তবে ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট সীমানা নেই। শিশুটির এমন দৃশ্য শ্রীলঙ্কার হলেও দৃশ্যটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা।