• ই-পেপার

ব্যক্তি করদাতার জন্য অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক

বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বাসস
বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
সংগৃহীত ছবি

একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সোমবার (২৯ জুন) এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যু দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এক বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা সহজে পূরণ করা সম্ভব নয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি তার অবদানকে সর্বদা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। একই সঙ্গে তার কাজ ও আদর্শ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মরহুমের আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আজ সোমবার সকালে মুস্তাফা মনোয়ার (৯০) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

চিত্রকলা, পাপেটশিল্প, শিশুতোষ অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য মুস্তাফা মনোয়ার দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৪ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।

গুণী এ শিল্পী মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রাম তার পৈতৃক নিবাস। প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান তিনি।

যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

বর্তমান সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানপ্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট আলোচনার ওপর বক্তব্য দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে প্রস্তাবিত বাজেটকে একটি ‘জীবনবান্ধব বাজেট’ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘সরকারের সুদৃঢ় সদিচ্ছার কারণে অন্যান্য বছরের মতো এবারের বাজেট ঘোষণার পর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়েনি।’

সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী দেশের অর্থনীতি, কৃষি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, শিক্ষা এবং জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সংসদ সদস্যসহ উত্তরাঞ্চলের সাধারণ মানুষের পানি ও তিস্তা নিয়ে যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে, বর্তমান সরকার তা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং এর স্থায়ী সমাধানে বদ্ধপরিকর।

উত্তরাঞ্চলের পানির অধিকার নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমাদের সংসদ সদস্যরা, বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চল, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগ থেকে যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের দুটি বড় কনসার্ন হচ্ছে পদ্মা ও তিস্তা নদী। বিএনপি সরকার বরাবরই কৃষি ও কৃষিবান্ধব সরকার এবং যখনই দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে, মানুষের পানির অধিকার নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্ষা মৌসুমের অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে শুষ্ক মৌসুমে সারা বছর যেন কৃষকরা নিরবচ্ছিন্ন পানির সরবরাহ পান, সেজন্য সরকার ‘পদ্মা ব্যারেজ’ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর পরপরই তিস্তা প্রসঙ্গে অত্যন্ত জোরালো ভাষায় প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ইনশাআল্লাহ এই সরকার যেকোনো মূল্যে তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।

শহীদ মিনারে ‘লাল সূর্যে’ অমর হয়ে থাকবেন মুস্তাফা মনোয়ার

অনলাইন ডেস্ক
শহীদ মিনারে ‘লাল সূর্যে’ অমর হয়ে থাকবেন মুস্তাফা মনোয়ার
ছবি: কালের কণ্ঠ গ্রাফিক্স

শহীদ মিনারের পেছনে উদীয়মান সূর্যের যে লাল বৃত্ত দেখা যায় সেটি প্রথমদিকে ছিল না। স্বাধীনতার পর সেটি স্থাপন করা হয়। অনন্য এ কাজটি করেছেন বরেণ্য চিত্রশিল্পী, নির্মাতা ও পাপেট আন্দোলনের পথিকৃৎ মুস্তাফা মনোয়ার।

একটি টিভি অনুষ্ঠানে তিনি বলেছিলেন, ‘স্বাধীনতার পর ভেঙে ফেলা শহীদ মিনার নতুন করে গড়া হল। এর পরের বছর আমি বলিয়ে যে আমি একা সাজাবো। অনেকে বলল, হাসপাতালের প্রাচীরটা উঁচু করে দিতে হবে। ওই দিকে হাসপাতালে নার্স-রোগীর স্বজনদের দেখা যায়। আমি বললাম- আমি একটা জিনিস করবো কোনো দিকে চোখ যাবে না। গোল্ডেন সেকশন দিয়ে আমি সাইজটা বের করলাম যাতে সূর্যটা কতো বড় হবে।’

মুস্তাফা মনোয়ার বলেন, ‘সূর্যটা বানানো হল। হুলুস্থুল দেখা গেল। লাইট দেওয়ায় পর সেটি আরও ভালো দেখা গেলো। পরে সারা বাংলাদেশে এটি ছড়িয়ে পড়ল। বাচ্চারা যে শহীদ মিনার বানাল তারা লালটা দেবেই। মানুষের মনে লাল সূর্যটা জায়গা করে নিল।’

তখনকার কর্মকর্তারা লাল বৃত্তটিকে স্থায়ীভাবে রাখতে বলেন। কিন্তু তিনি ভিন্নমত পোষণ করে বলেন, ‘বসন্তকালে নতুন ফুল ফোটে। সৌরভ ছড়িয়ে একসময় সেই ফুল ঝরে যায়। বছর শেষে আবার সজীবতা নিয়ে আসে নতুন ফুল। সে কারণে ফেব্রুয়ারি এলে আমরা শহীদ মিনারে লাল বৃত্তটি লাগাব। এটা বিবর্ণ হয়ে গেলে আবার নতুন বছরে নতুন লাল বৃত্ত লাগাব।’ 

তার এ প্রস্তাবও পরবর্তীতে গ্রহণ করা হয়। সে থেকে প্রতি বছর ২০ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে নতুন লাল বৃত্ত যুক্ত করা হয়। শহীদ মিনারের ‘লাল সূর্যে’ অমর হয়ে থাকবেন মুস্তাফা মনোয়ার।

ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান রাখা এ শিল্পী আজ না ফেরার দেশে চলে গেছেন। সোমবার (২৯ জুন) বেলা ১১টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে মারা যান। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া ও প্রোস্টেট ক্যানসারে ভুগছিলেন।

মুস্তাফা মনোয়ার ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে। তিনি প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হন।

চিকিৎসার পর ফের কারাগারে দীপু মনি

অনলাইন ডেস্ক
চিকিৎসার পর ফের কারাগারে দীপু মনি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে আবারও কারাগারে নেওয়া হয়েছে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিকে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক। সোমবার সকালে কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাকে হাসপাতালে আনা হয়। এরপর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে নতুন ভবনের মেডিসিন বিভাগে নেওয়া হয়। পরে মেডিসিন বিভাগে দীপু মনির প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফের কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

এর আগে দীপু মনিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. ফজলুল হক জানান, কারাগারে দীপু মনির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট দীপু মনিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।