• ই-পেপার

২৮ জুন থেকে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা চালু : দীনেশ ত্রিবেদী

অনুমোদনবিহীন এজেন্সির হজ প্যাকেজের প্রচারণা নিয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ

অনলাইন ডেস্ক
অনুমোদনবিহীন এজেন্সির হজ প্যাকেজের প্রচারণা নিয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ

অনুমোদনবিহীন এজেন্সি বা গ্রুপ বা কাফেলার হজ কার্যক্রমের প্রচারণা বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-৩ শাখা থেকে এক চিঠিতে এ সতর্ক করা হয়েছে।

চিঠিতে হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি ও সর্বসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলা হয়েছে, অনুমোদনবিহীন এজেন্সি বা গ্রুপ বা কাফেলা নামীয় কিছু প্রতিষ্ঠান ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আকর্ষণীয় হজ প্যাকেজ ঘোষণা করে পবিত্র হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রকৃতপক্ষে সরকার অনুমোদিত বৈধ লাইসেন্সধারী ও তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সি ব্যতীত অন্য কোনো এজেন্সি বা এজেন্ট বা গ্রুপ বা কাফেলার হজ কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই এবং তাদের মাধ্যমে হজে গমন সম্ভব নয়।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত যোগ্য হজ এজেন্সি ব্যতীত অন্য কোনো এজেন্সি বা ট্রাভেল এজেন্ট বা গ্রুপ বা কাফেলার সাথে হজ সংশ্লিষ্ট আর্থিক লেনদেন না করার জন্য সব চিঠিতে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।

চিঠিতে ২০২৭ সালের হজ প্যাকেজ ও গাইড লাইন শিগগিরই ঘোষণা করা হবে উল্লেখ করে প্রকাশিত হজ প্যাকেজ ও গাইড লাইন অনুসরণ করার জন্য সংশ্লিষ্টদেরকে অনুরোধ করা হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে অভিন্ন কর ব্যবস্থার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
পার্বত্য চট্টগ্রামে অভিন্ন কর ব্যবস্থার দাবি
ছবি: কালের কণ্ঠ

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা-রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে বসবাসরত ৫৪ শতাংশ বাঙালিসহ সব সম্প্রদায়ের জন্য একটি অভিন্ন কর নীতি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদ (পিসিএনপি)।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্রাব) মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি উত্থাপন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘ সময় ধরে বিশেষ শাসনব্যবস্থা এবং ১৯৯৭ সালের চুক্তির মাধ্যমে একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীকে অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি সম্প্রতি চারজন সংসদ সদস্য কর্তৃক অর্থমন্ত্রীর কাছে পাঠানো একটি চিঠির তীব্র প্রতিবাদ জানান। ওই চিঠিতে আয়কর আইন ২০২৩-এর প্রস্তাবিত সংশোধনী বাতিল করে উপজাতিদের জন্য আগের মতো পূর্ণাঙ্গ আয়কর অব্যাহতি বহাল রাখার দাবি জানানো হয়েছিল।

সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারকে ট্যাক্স দিতে চাই। যারা ট্যাক্স দেয় না, তারা দেশের সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করে না। তারা দেশের স্বাধীনতাও মানে না। ফলে তারা দেশ ও জাতির চরম শত্রু।

পাহাড়ে সেনা শাসন প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পাহাড়ে কোনো সেনা শাসন চলে না। যদি চলতো তাহলে জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড, পার্বত্য মন্ত্রী, হেডম্যান, সার্কেলচিফসহ স্থানীয় সংসদ সদস্য পদে উপজাতিরা থাকতো না, সেনাবাহিনীর লোক থাকতেন। আসলে সেনাবাহিনীকে নিয়ে একটা গুজব ছড়ানোর জন্যই এটা বলা হচ্ছে।

তিনি শান্তি চুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘শেখ হাসিনা নাই্, অথচ তার আইনেই এখন পাহাড় চলছে। আমরা চুক্তিকে সম্মান করি। কিন্তু ওই চুক্তি বিশ্বাস করি না, যা বৈষম্যমূলক এবং একটিমাত্র পক্ষকে সুবিধা দেয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘পাহাড় নিয়ে গবীর ষড়যন্ত্র চলছে। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে আমাদের দেশে অনেক বুদ্ধিজীবি জড়িত। যারা জীবনেও পাহাড়ে যায়নি। অথচ ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক এএইচএম ফারুক। তিনি বলেন, ‘আমরা পার্বত্যবাসী সরকারকে কর দিতে চাই। আমরা কোনো বৈষম্য চাই না। একই স্থানে দুই নীতি চলতে পারে না। কর সিস্টেম বাদ দিলে পাহাড়ের উপজাতি-বাঙালি সবারটাই বাদ দিতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পাহাড়ে কথিত শান্তি চুক্তির কালো আইনের বেড়াজালে পার্বত্য বাঙালিরা মৌলিক অধিকার বঞ্চিত, সাংবিধানিক অধিকার বঞ্চিত। তারপরও পার্বত্য বাঙালিদের নিয়ে নানান অভিযোগ, নানা ষড়যন্ত্র করা হয়। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই।’

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত মূল পয়েন্টগুলো হলো—

অর্থনৈতিক বৈষম্য : ১৯৮৪ সাল থেকে দীর্ঘ চার দশক ধরে করমুক্ত সুবিধা ভোগ করে উপজাতিদের একটি বড় অংশ আজ অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। তারা ব্যবসা, সরকারি চাকরি এবং ঠিকাদারি খাতের সিংহভাগ নিয়ন্ত্রণ করছে। অথচ একই অঞ্চলে বসবাসরত বাঙালিরা নিয়মিত কর দিয়ে রাষ্ট্রীয় কোষাগার সচল রাখছেন। এতে সরকার একদিকে রাজস্ব পাচ্ছে।  অন্যদিকে উপজাতিদের কর না থাকায় প্রতিবছর কোটি কোটি টাকা কর হারাচ্ছে সরকার।

সংবিধান ও সম-অধিকারের লঙ্ঘন : নাগরিক পরিষদের মতে, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠীকে অনন্তকাল করমুক্ত রাখা সংবিধানে বর্ণিত নাগরিকদের সম-অধিকার নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। পাহাড়ের অনগ্রসরতার দোহাই দিয়ে এই সুবিধা চিরস্থায়ী করার প্রচেষ্টা অগ্রহণযোগ্য।

ভুল তথ্যের প্রতিবাদ : সংসদ সদস্যরা পাহাড়ের অনগ্রসরতার যে চিত্র (যেমন : সুপেয় পানির অভাব, স্বাস্থ্যসেবা ও সড়কের অভাব) তুলে ধরেছেন, তাকে ‘একপেশে ও বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। নাগরিক পরিষদের মতে, পাহাড়ে অনগ্রসরতা থাকলে তা বাঙালি ও উপজাতি উভয়ের জন্যই প্রযোজ্য। কিন্তু চিঠিতে বাঙালিদের দুঃখ-কষ্ট, বঞ্চনার কথা সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে।

রাজনৈতিক ক্ষোভ : খাগড়াছড়ির বাঙালি সংসদ সদস্য আবদুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া উপজাতি এমপিদের সঙ্গে ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। একে স্থানীয় বাঙালি জনগোষ্ঠীর স্বার্থের পরিপন্থী এবং ‘পিঠে ছুরি মারা’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

ভবিষ্যত শঙ্কা ও দাবি : নাগরিক পরিষদের পক্ষ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় যে, শুধু উপজাতিদের জন্য কর মওকুফ বহাল রাখলে পাহাড়ে বড় বড় ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট গড়ে উঠবে, যা দেশের মূল অর্থনৈতিক রাজস্ব নীতিকে পঙ্গু করে দেবে। এটি পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিকভাবে ধ্বংস করার একটি নীলনকশা বলেও তারা মন্তব্য করেন।

সরকারের প্রতি কোনো প্রকার রাজনৈতিক হুমকিতে মাথা নত না করার অনুরোধও জানিয়েছে সংগঠনটি। পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ও অর্থনৈতিক সমতা নিশ্চিত করতে প্রস্তাবিত আয়কর সংশোধনী কঠোরভাবে বাস্তবায়ন এবং সব নাগরিকের জন্য একই নীতিতে কর আরোপ করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন, সংগঠনের লিগ্যাল এইড কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট পারভেজ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক, শেখ আহমেদ রাজু, দপ্তর সম্পাদক
মো. শাহজালাল, ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি শাহাদাত হোসেন কায়েশ ও সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ।

প্রসঙ্গত, আয়কর আইন ২০২৩-এর ১৯নং অনুচ্ছেদে পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতীয়দের জন্য আয়কর অব্যাহতির বিষয়টি বহাল রাখা হয়েছে। এটি মূলত ‘আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪’-এর ৬ষ্ঠ তফশিলের ২৭নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত সুবিধারই ধারাবাহিকতা। তবে বর্তমানে আয়কর আইন ২০২৩-এর ৬ষ্ঠ তফসিলে একটি সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য হলো উপজাতিদের জন্য পূর্বে বিদ্যমান পূর্ণাঙ্গ আয়কর অব্যাহতির সুবিধা বাতিল করা বা পরিবর্তন আনা। যাতে উৎস অনুসারে, পাহাড়ে দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে উপজাতি ও বাঙালি নির্বিশেষে সব নাগরিকের জন্য একটি অভিন্ন কর নীতি কার্যকর করা যায়।

প্রস্তাবিত এই সংশোধনী বাতিলের জন্য গত ২১ জুন পার্বত্য চট্টগ্রামের চার সংসদ সদস্য অর্থমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ চিঠি পাঠান। ফলে পাহাড়ে এই নিয়ে চরম বির্তক ও বৈষম্য বিরাজ করছে।

রাষ্ট্রপতি

পবিত্র আশুরার শিক্ষা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায়

বাসস
পবিত্র আশুরার শিক্ষা মানুষকে অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায়

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, পবিত্র আশুরার শাশ্বত বাণী মানুষকে অন্যায়-অবিচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হতে শেখায় এবং সত্য, সুন্দর ও আলোর পথ দেখায়।

আগামীকাল পবিত্র আশুরা (১০ মহররম) উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপ্রধান পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে সর্বশেষ নবী ও রাসুল হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র ইমাম হোসাইন (রা.)-সহ তার পরিবারের সদস্য এবং কারবালা প্রান্তরে শাহাদতবরণকারী সকল শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য পবিত্র আশুরা একটি তাৎপর্যময় ও শোকের দিন। ইসলামের ইতিহাসে আশুরা বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার স্মারক হলেও কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা.) ও তার সঙ্গীদের আত্মত্যাগ এ দিনটিকে দিয়েছে অনন্য মর্যাদা ও গভীর মানবিক আবেদন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামের সুমহান আদর্শ সমুন্নত রাখতে তাদের আত্মদান মানবজাতির ইতিহাসে চিরজাগরুক হয়ে থাকবে। পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা সকলের জীবনকে আলোকিত করুক বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম ইসলাম মানুষকে সত্য, ত্যাগ, আত্মশুদ্ধি ও ন্যায়ের পথে আহ্বান করে। সব ধরনের হানাহানি, হিংসা, দ্বেষ ও বিভেদ দূর করে মানুষকে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে।

তিনি পবিত্র আশুরা উপলক্ষ্যে একটি সাম্য, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, সংহতি ও অব্যাহত অগ্রগতি কামনা করেন।

বেইজিংয়ের গ্রেট হলে তারেক রহমানকে চীনের প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যর্থনা

অনলাইন ডেস্ক
বেইজিংয়ের গ্রেট হলে তারেক রহমানকে চীনের প্রধানমন্ত্রীর উষ্ণ অভ্যর্থনা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বেইজিংয়ের গ্রেট হলে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিকেলে তারেক রহমান রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ‘দিয়াওইউতাই’ থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে গ্রেট হলে পৌঁছালে চীনের প্রধানমন্ত্রী তাকে স্বাগত জানান।

শুভেচ্ছা বিনিময় এবং দুই দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পরিচয় পর্বের পরে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা দিয়ে অভিবাদন মঞ্চে নিয়ে যান লি কিয়াং।

অভিবাদন মঞ্চে তারেক রহমান ও লি কিয়াংকে সশস্ত্র সালাম দেয় চীনের সশস্ত্র বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল। এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিবাদন জানিয়ে তোপধ্বনি দেওয়া হয়। পরে দুই প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর প্যারেড পরিদর্শন করেন।