• ই-পেপার

আগামীতে বিদেশি ঋণ পরিশোধের দায় বাড়বে : অর্থমন্ত্রী

বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই

বাসস
বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সমঝোতা স্মারক সই
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিও হাইশিং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

বিএনপির পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) হুমায়ুন কবির এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিও হাইশিং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে এটিই প্রথম সমঝোতা স্মারক।

হজ শেষে ফিরেছেন ৬৪৬১৭ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক
হজ শেষে ফিরেছেন ৬৪৬১৭ বাংলাদেশি

পবিত্র হজ পালন শেষে বুধবার পর্যন্ত সৌদি আরব থেকে মোট ১৭২টি ফিরতি ফ্লাইটে ৬৪ হাজার ৬১৭ জন বাংলাদেশি হাজি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৩১৯ জন এবং বেসরকারি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ৬০ হাজার ২৯৮ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

এ বছর হজ করতে গিয়ে মোট ৫৪ জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৬ জন এবং জেদ্দায় একজন মৃত্যুবরণ করেন। তবে মিনা বা মুজদালিফায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) হজ বুলেটিনের তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ৯১টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনস ৫৯টি এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ২২টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এয়ারলাইনস ভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ৮১টি ফ্লাইটে ২৯ হাজার ২৯৯ জন, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ৫৯টি ফ্লাইটে ২২ হাজার ৪৫৯ জন, ফ্লাইনাসের ২২টি ফ্লাইটে ৮ হাজার ৬৭২ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ১৮৭ জন হাজি দেশে ফিরেছেন।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাকি হাজিরা নির্ধারিত এয়ারলাইনসের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরবেন।

হজ বুলেটিন অনুযায়ী, ৪১৫ জন বাংলাদেশি হাজি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন এবং ১০ জন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সৌদি মেডিক্যাল সেন্টারগুলো ৬৬ হাজার ৯৬৩ জন হাজিকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়েছে এবং মক্কা ও মদিনার আইটি হেল্প ডেস্ক ২৮ হাজার ৩৬০ জন হাজিকে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা দিয়ে সহায়তা করেছে।

গত ১৮ এপ্রিল প্রথম বহির্গামী ফ্লাইটের মাধ্যমে চলতি বছরের হজ পরিবহন কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২১ মে প্রাক হজ ফ্লাইট সম্পন্ন হয়। চলতি বছরের ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয়। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৩০ মে থেকে ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় এবং তা আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত চলবে।

হজ অফিসের তথ্যমতে, এবার বাংলাদেশের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জনসহ মোট ৭৮ হাজার ৫০০ জন হজযাত্রীর কোটা বরাদ্দ ছিল।

নাইন এম এম পিস্তল পাচ্ছেন মাদকের কর্মকর্তারা

অনলাইন ডেস্ক
নাইন এম এম পিস্তল পাচ্ছেন মাদকের কর্মকর্তারা

অস্ত্র ছাড়াই ঝুঁকি নিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তারা। তবে শিগগির নাইন এম এম আধা স্বয়ংক্রিয় পিস্তল নিয়ে মাঠে নামবেন তারা।

মানবজমিনের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইতিমধ্যে প্রায় সব প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়াও হয়েছে। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও চালানোর দক্ষতা বাড়িয়ে প্রশিক্ষিত হতে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। ৩৫ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে কয়েক ধাপে অংশ নিচ্ছেন ডিএনসির ৫৭৯ জন কর্মকর্তা। এ পর্যন্ত মোট ২৬০ জনের বিশেষ প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। উপপরিদর্শক থেকে শুরু করে পরিদর্শক, সহকারী পরিচালক ও উপপরিচালকদের এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি কর্মকর্তারাও প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন এবং অস্ত্রচালনায় পারদর্শী হয়ে অভিযান পরিচালনা করবেন। এ ছাড়া আপাতত ২৭৫টি ৯ এম  এম আধা-স্বয়ংক্রিয় পিস্তল কেনা হচ্ছে। অনুমোদন রয়েছে ৫৯৫টি অস্ত্র কেনার।

অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়ে নীতিমালায় বলা হয়েছে—‘একমাত্র সর্বশেষ পন্থা’ হিসেবে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা যাবে। তবে আদেশ প্রদানকারীকে অধিদপ্তর বা নির্বাহী তদন্তে গুলি করার যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে হবে। নীতিমালায় বলা হয়, যতদূর সম্ভব ন্যূনতম বলপ্রয়োগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে হবে। তাতে কাজ না হলে দু-একটি গুলি করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে। 

অস্ত্রসংক্রান্ত নীতিমালায় বলা হয়েছে, গুলি করার প্রয়োজন হলে প্রথমে কারো দিকে তাক না করে আকাশের দিকে ফাঁকা গুলি ছুড়তে হবে। পাশাপাশি হ্যান্ডমাইকে ঘোষণা দিতে হবে। ফাঁকা গুলির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে একজন মাদক কারবারির কোমরের নিচে, হাঁটু অথবা পায়ে একটি গুলি করা যাবে। যেকোনো একজনের দিকে তাক করার সময় খেয়াল রাখতে হবে বর্ষিত গুলি যেন কোনোক্রমেই পেছনে অন্য কাউকে আঘাত না করে। ঘনবসতি অথবা আবাসিক এলাকায় অথবা সমবেত উচ্ছৃঙ্খল জনতার ওপর গুলিবর্ষণের সময় খেয়াল রাখতে হবে নিরপরাধ জনগণ যেন আঘাত না পায়। গুলি করার পর গুলির খোসা অবশ্যই সংগ্রহের নির্দেশনা দিয়ে বলা হয়েছে, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা যেন কিংকর্তব্যবিমূঢ বা ভয় পেয়ে এলোপাতাড়ি গুলি না করেন। প্রতিটি ক্ষেত্রে গুলির আদেশ দেয়া ব্যক্তি গুলিবর্ষণের আদেশ দেয়ার যৌক্তিকতা পরবর্তী সময়ে যুক্তিযুক্তভাবে উপস্থাপনের জন্য দায়ী থাকবেন।

নীতিমালায় আরো বলা হয়েছে, যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গুলিবর্ষণ করার প্রয়োজন হলে অথবা জরুরি অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে গুলির ঘটনা ঘটলে তা তাৎক্ষণিকভাবে অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয়, মেট্রো, জেলা গোয়েন্দা অথবা বিশেষ জোন কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা মহাপরিচালককে অবহিত করবেন। অভিযানকারী দলের দলনেতা যত শিগগির সম্ভব মরদেহগুলো পুলিশ না আসা পর্যন্ত পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা করবেন এবং আহতদের হাসপাতালে পাঠাবেন। তিনি গুলির খোসা সংগ্রহ করে ইস্যু করা রাউন্ড সংখ্যার সঙ্গে মিলিয়ে দেখবেন। প্রতি ক্ষেত্রেই গুলিবর্ষণের পর যথাশিগগির সংশ্লিষ্ট থানায় এজাহার বা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করতে হবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের উপপরিচালক মো. রাজিউর রহমান বলেন, মাদক কারবারিরা এখন অস্ত্রসজ্জিত। সেখানে নিরস্ত্র মাদকের কর্মকর্তারা অভিযানে গিয়ে প্রায়ই বিব্রত হতে হয়। চলতি বছরেরই আমাদের খিলগাঁও সার্কেলের পরিদর্শক অভিযানে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আমাদের সাহস ও সক্ষমতার সঙ্গে যদি অস্ত্র যোগ হয় তবে আমরা মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আরো শক্তিশালী অভিযান পরিচালনা করতে পারব।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো উত্তরের উপপরিচালক শামীম আহম্মেদ বলেন, অস্ত্র ছাড়া মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গেলে কিছুটা সংশয় থাকে। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের জীবনের ঝুঁকি থাকে। আর পুলিশসহ অস্ত্রধারী অনেক সংস্থাকে আমরা সবসময় নিতে পারি না। তাই ভয় নিয়ে অভিযানে যেতে হয়। বিশেষ করে বড় বড় আস্তানায় অভিযান করতে হলে আমাদের বিভিন্ন দিক চিন্তা করতে হয়। সরকার মাদকের কর্মকর্তাদের অস্ত্র দিচ্ছে। এখন আত্মরক্ষা করে আমরা মাঠে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কাজ করতে পারব।

বায়ুদূষণে শীর্ষে কিনশাসা, ‘মাঝারি’ অবস্থানে ঢাকা

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে কিনশাসা, ‘মাঝারি’ অবস্থানে ঢাকা

বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের কারণে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। সেই দূষণের কবলে পড়েছে মেগাসিটি ঢাকাও। বৈশ্বিক বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকা শহরটির অবস্থান এখন ১৪ নম্বরে। যার বায়ুমান স্কোর ৮৮, অর্থাৎ এই শহরের বায়ুরমান মাঝারি পর্যায়ে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

আইকিউএয়ারের তথ্য অনুযায়ী, তালিকার শীর্ষে কঙ্গোর কিনশাসা শহর। যার দূষণ স্কোর ১৮৬, অর্থাৎ এই শহরের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। যার দূষণ স্কোর ১৫৬, অর্থাৎ এই শহরের বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের দূষণ স্কোর ১৫৬, অর্থাৎ এই শহরের বাতাসও ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।

এদিকে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে, চিলির সান্তিয়াগো, উগান্ডার কাম্পালা, ভারতের কলকাতা, ইসরায়েলে জেরুজালেম, সৌদি আরবের রিয়াদ, ভারতের রাজধানী দিল্লি, কাতারের রাজধানী দোহা, ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব, নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম, পাকিস্তানের লাহোর।

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়।

এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।