• ই-পেপার

সেনাবাহিনী দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বপরিসরেও অবদান রাখছে : সেনাপ্রধান

জুবাইদা রহমান প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন : মঈন খান

অনলাইন ডেস্ক
জুবাইদা রহমান প্রধানমন্ত্রীর ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন : মঈন খান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, ডা. জুবাইদা রহমান আপন মেধায় এবং মননে উদ্ভাসিত এক মহীয়সী নারী।

ডা. জুবাইদা রহমান জন্মদিনের আড়ম্বরতা বা জাঁকজমক আয়োজন সমর্থন করেন না জানিয়ে মঈন খান আরো বলেন, আজকের এই জন্মদিনেও সেটাই প্রতিফলিত হয়েছে। জুবাইদা রহমান মেধাবী প্রজন্ম তৈরিতে সব সময়ই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ নির্মাণ এবং রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দিনটি উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালী টি অ্যান্ড টি মহিলা কলেজ মিলনায়তনে কোরআন খতম, শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বিনা মূল্যে ওষুধ বিতরণ, পথশিশুদের মধ্যে খাবার বিতরণ এবং গাছের চারা রোপণ করা হয়।

পরে ড. আব্দুল মঈন খান কলেজ মাঠে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে নিমগাছ রোপণ করেন। পথশিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সহ সম্পাদক ডাক্তার পারভেজ রেজা কাঁকন, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক কৃষিবিদ মাহবুবুল হক বাচ্চু, ইঞ্জিনিয়ার জহিরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার উমাশা উমায়ুন চৌধুরী, সাংবাদিক হাফিজ আল আসাদ সাইদ খান। 

এর বাইরে যুবদলের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার গালিব হাসান, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) যুগ্ম মহাসচিব ডাক্তার ফারুক আহমেদ, ড্যাবের আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান, ড্যাবের সহ প্রচার সম্পাদক ডা. ইকরামুল ইসলাম সৌরভ, ডাক্তার মেহেদী হাসান, সরকারি মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ডা. তানজিম রুবায়েদ আফিফ, জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সদস্য মাহমুদুল হাসানসহ তিনটি মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। 

পে স্কেল বাস্তবায়ন রূপরেখা নিয়ে বৈঠক শেষ, এলো যে সিদ্ধান্ত

অনলাইন ডেস্ক
পে স্কেল বাস্তবায়ন রূপরেখা নিয়ে বৈঠক শেষ, এলো যে সিদ্ধান্ত

নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে তা কার্যকর করা হবে। নতুন এই পে স্কেল বাস্তবায়নের রূপরেখা ও বাস্তবায়ন কৌশল চূড়ান্ত করতে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে,  নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আরো কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এ ধারাবাহিকতার পরবর্তী বৈঠক আগামী ২৪ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির এ বৈঠকে জাতীয় বেতন কমিশনের সুপারিশ, সচিব কমিটির পর্যবেক্ষণ, জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রস্তাব এবং সশস্ত্র বাহিনীর বেতন কাঠামো-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করা হয়।

পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানা গেছে। জুলাই থেকে ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন হবে। তবে বর্ধিত বেতনের অর্থ হাতে পেতে অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

সংসদে প্রবেশ ও ত্যাগের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর রীতি বাতিল : স্পিকার

অনলাইন ডেস্ক
সংসদে প্রবেশ ও ত্যাগের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান জানানোর রীতি বাতিল : স্পিকার

জাতীয় সংসদে প্রবেশ কিংবা কক্ষ ত্যাগের সময় মাথা ঝুঁকিয়ে বা নিচু করে সম্মান প্রদর্শনের প্রচলিত নিয়মটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সংসদের অধিবেশনে এ তথ্য জানিয়ে তিনি বলেন, সংসদীয় কার্যক্রমে প্রবেশ, আসন গ্রহণ কিংবা কক্ষ ত্যাগের সময় সভাপতির প্রতি সম্মান প্রদর্শনের যে বিধান প্রচলিত ছিল, তা আর বাধ্যতামূলক নয়।

সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে স্পিকার বলেন, মাননীয় সদস্যবৃন্দ, আপনারা যারা যার ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ারের প্রতি সম্মান জানাবেন।

স্পিকার জানান, পূর্ববর্তী সময়ে সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে থাকা ‘ঝুঁকে সম্মান প্রদর্শন’ সম্পর্কিত শব্দ ও নির্দেশনা ২০০৬ সালে সংশোধনের মাধ্যমে বাদ দেওয়া হয়। সেই সংশোধনের ধারাবাহিকতায় বর্তমানে এই প্রথাটি আর কার্যকর নেই।

তিনি আরো বলেন, অতীতে অষ্টম ও ত্রয়োদশ সংসদের সময় কার্যপ্রণালি বিধি পুনর্মূল্যায়ন ও সংশোধনের মাধ্যমে মাথা নত করার বাধ্যবাধকতা বিলুপ্ত করা হয়েছিল। ফলে এটি এখন আর সংসদীয় নিয়মের অংশ নয়।

স্পিকারের ব্যাখ্যায় বলা হয়, ২০০৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর সংশোধিত কার্যপ্রণালি বিধির ২৬৭(১) ধারা অনুযায়ী স্পিকারের চেয়ারের প্রতি মাথা নত করার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সংসদ সদস্যরা এখন নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক রীতি অনুসরণ করে সম্মান প্রদর্শন করতে পারবেন।

এর আগে গত ১৬ জুন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবুর রহমান সংসদ কক্ষে মাথা ঝুঁকিয়ে সম্মান প্রদর্শনের বিষয়ে আপত্তি জানান। সেদিন স্পিকার জানিয়েছিলেন সংসদের কার্যপ্রণালী বিধি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন।

এরপর গতকাল বুধবার (১৭ জুন) বিএনপির সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুকও বিষয়টি সুরাহার জন্য অনুরোধ জানান। 
 
তখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, তিনি জানিয়েছিলেন বিষয়টি পরীক্ষা করে জানানো হবে। সে প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত জানাচ্ছেন।
 

প্রতারণা ও জালিয়াতি মামলা

সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়ের কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়ের কারাগারে
সংগৃহীত ছবি

প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সময় টেলিভিশনের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।​ একই মামলায় আত্মসমর্পণ করা অপর তিন আসামি আহমেদ রাফিদ কাদের ঋভু, শেখ মাহমুদ ইয়াসিন ও সানি চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের আদালত এই আদেশ দেন। ​এর আগে আদালতের সমন উপেক্ষা করায় বুধবার (১৭ জুন) আহমেদ জোবায়েরসহ ছয় আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। আজ চার আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত এই সিদ্ধান্ত দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং কাগজপত্র জালিয়াতির অভিযোগে আহমেদ জোবায়েরসহ মোট ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। গত ১০ মে আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৭ জুনের মধ্যে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।​নির্ধারিত তারিখে কেউ আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারক তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

মামলায় পরোয়ানাভুক্ত অন্য দুই আসামি হলেন আহমেদ জোবায়েরের স্ত্রী শামীমা সুলতানা চৌধুরী এবং সন্তান সারাফ নাওয়ার জয়ীতা।

আজকের শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফরহাদ হোসাইন দাবি করেন, এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং হয়রানিমূলক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়েছে। ​আসামিপক্ষের ভাষ্য, সময় মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানা ও পরিচালনা নিয়ে চলমান বিরোধের জেরে বাদী মোবারক হোসেন প্রতিশোধমূলকভাবে এই মামলা করেছেন। আসামিদের বিরুদ্ধে প্রতারণা বা অর্থ আত্মসাতের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ নেই এবং তারা তদন্ত ও বিচার কার্যক্রমে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলেও আদালতকে আশ্বস্ত করা হয়।

তবে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সময় টিভির সাবেক এমডি আহমেদ জোবায়েরের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিলেও বাকি তিন আসামির জামিন মঞ্জুর করেন।