রংপুরের গঙ্গাচড়ায় ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে বাবা ও দাদাকে হারানোর পর হাসপাতালের এনআইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছিল ৭ বছর বয়সী বন্ধন চন্দ্র রায়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে আর বাঁচানো গেল না। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দিবাগত রাত ১২টার দিকে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এনআইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
এর আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় উপজেলার বড়বিল মন্থনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বন্ধনের মৃত্যুতে এ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ জনে।
এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই নিহত হন বন্ধনের বাবা প্রশান্ত চন্দ্র রায় (৩৫)। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়া হলে মারা যান তার দাদা নির্মল চন্দ্র রায় (৭৫)। নিহতরা উপজেলার সদর ইউনিয়নের পশ্চিম মান্দ্রাইন গ্রামের বাসিন্দা। প্রশান্ত চন্দ্র রায় পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নির্মল চন্দ্র রায়, তার ছেলে প্রশান্ত চন্দ্র রায় এবং নাতি বন্ধন চন্দ্র রায় মোটরসাইকেলে করে তুলশীহাটে একটি দাওয়াতে যাচ্ছিলেন। পথে উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের মন্থনা এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রশান্ত চন্দ্র রায় নিহত হন। গুরুতর আহত নির্মল চন্দ্র রায় হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান। আর গুরুতর আহত বন্ধনকে এনআইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে সেও মৃত্যুর কাছে হার মানল।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, দুর্ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ট্রাকটি জব্দ করেছে। তবে চালক পালিয়ে গেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।




