• ই-পেপার

শ্রেণিকক্ষে শিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন

বেতাগীতে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৬ কর্মী আটক

বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি
বেতাগীতে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতিকালে ছাত্রলীগের ৬ কর্মী আটক
ছবি: কালের কণ্ঠ

বরগুনার বেতাগী উপজেলায় নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের প্রস্তুতিকালে ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে উপজেলার ফেরিঘাট এলাকার মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিস্তম্ভ ‘দুর্জয় বেতাগী ভাস্কর্যের’ আশপাশে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় রাত ৮টায় বেতাগী থানার পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হয়, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ফেরিঘাট এলাকায় জড়ো হয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। বেতাগী থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালায়।

পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বেশ কয়েকজন ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেলেও ৬ জনকে আটক করতে পারে পুলিশ।

আটক যুবকরা হলেন উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নের ফুলতলা গ্রামের মাহবুব মোল্লার ছেলে মাহিম (১৭), হারুন মিয়ার ছেলে মো. সিফাত (১৯), বশির হাওলাদারের ছেলে পারভেজ (২০), তালগাছিয়া গ্রামের মনজুরুল হোসেনের ছেলে নাঈম (১৭), দক্ষিণ হোসনাবাদের বাসিন্দা শিপন মোল্লার ছেলে শাহীন (১৯), খলিলুর রহমানের ছেলে তাওহিদ (১৮)।

এসময় তাদের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের কিছু হ্যান্ড বিল ও পতাকা জব্দ করা হয়।

শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় বেতাগী থানায় সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হারুন-অর-রশিদ হাওলাদার বলেন, আগস্ট মাসকে সামনে রেখে ছাত্রলীগ কর্মীরা বেতাগী ফেরিঘাট এলাকার দুর্জয় ভাস্কর্যের সামনে এসে জড়ো হতে শুরু করেন। খবর পেয়ে সেখানে অভিযান চালিয়ে এই ৬ জনকে আটক করা হয়। তবে এসময় কয়েকজন পালিয়ে গেছে।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা কোনো সাংগঠনিক পদে থাকার বিষয়টি স্বীকার করেনি। তাই তারা ছাত্রলীগের কোনো পদে রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তিনি আরো বলেন, যেকোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। আটকদের ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মাদকবিরোধী জনসচেতনা বৃদ্ধি ও মাদক নির্মূলের দাবিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সভায় বক্তারা মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক বিরোধীদের রুখে দাঁড়ানোর জন্য সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।

একই সঙ্গে তারা পুলিশ ও প্রশাসনকে অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকালে কালীগঞ্জ পৌরসভার আড়পাড়া এলাকার সোয়াইবনগর কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে আড়পাড়া নাগরিক সমাজের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন, পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মুক্তার হোসেন, মোজাম্মেল হক, শাহিনুর রহমান, জাফরুল ইসলাম, রাজু আহমেদ, হাসানুজ্জামান, হাফিজুল রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

এ ছাড়া সভায় বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয়, সাংবাদিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষক ব্যবসায়ী যুব সমাজ এবং দলমত নির্বিশেষে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মাওলানা আবু তালিব বলেন, মাদকের প্রতিবাদ করায় একজন অবসরপ্রাপ্ত এএসপির ওপর হামলা অত্যন্ত দুঃখজনক।

দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির ছত্রছায়ায় কালীগঞ্জে মাদক ব্যবসা চালিয়ে গেছে। যার বিরুদ্ধে ভয়ে কেউ কথা বলেনি।

কিন্তু এখন আর সেই সুযোগ নেই। মাদক ব্যবসায়ীদের স্পষ্ট করে বলতে চাই, মাদক ব্যবসা ছাড়তে হবে, অন্যথায় এলাকা থাকতে পারবে না।

তিনি আরো বলেন, মাদক মুক্ত সমাজ গড়তে প্রশাসন ও জনগণকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কোনো মাদক ব্যবসায়ী বা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতাকে ছাড় দেওয়া হবে না এবং গতকাল অবসর প্রাপ্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেনের ওপর হামলাকারী মাদক ব্যবসায়ী বিএনপি নেতা মরহুম আয়নাল হাসানের ছেলে শিপলু এবং আড়পাড়ার মরহুম মমিনের ছেলে মিলনকে এলাকায় থাকতে দেওয়া হবে না।

কালীগঞ্জ থানার (ওসি) জেলার হোসেন বলেন, যত বাধা আসুক এবং পুলিশের নামে যতই বদনাম রটাক মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। এজন্য আমি সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আপনারা তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করুন।

সভায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, মাদক আজ সমাজ, পরিবার ও তরুণ প্রজন্মের জন্য সবচেয়ে বড় অভিশাপ।

মাদকের কারণে সামাজিক অপরাধ, পারিবারিক অশান্তি এবং যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় বেড়ে চলেছে। তাই মাদক নির্মূলে রাজনীতির পরিচয় উর্ধ্বে উঠে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার মিডিয়া সম্পাদক মো. ইকবাল হোসেন।

র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতি, গ্রেপ্তার ৫
সংগৃহীত ছবি

র‍্যাব পরিচয়ে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি দক্ষিণ)। ডাকাতির মামলা হওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।  

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে—আশরফুল ইসলাম ওরফে আপেল (৩৮), সুমন (৩৬), সারোয়ার হোসেন সাগর (৩৫), সুমন ওরফে ক্যাপ সুমন (৩৫) এবং কাঞ্চন (৩৫)।

এসময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত তিনটি ভুয়া র‌্যাব পরিচয়পত্র, পাঁচটি র‌্যাব লেখা কালো জ্যাকেট, পাঁচটি ক্যাপ, একটি মাইক্রোবাস, ছয়টি নম্বর প্লেট, একটি ওয়াকিটকি সেট, একটি পিস্তলের কভার, একটি খেলনা পিস্তল এবং তিন জোড়া হ্যান্ডকাফ উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে কেরানীগঞ্জের কমদতলী এলাকায় ঢাকা জেলা ডিবি (দক্ষিণ) এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম সুমন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

ডিবি ওসি জানান, গত বৃহস্পতিবার আশুলিয়া থানায় র‌্যাব পরিচয়ে ডাকাতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলার পর ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (দক্ষিণ) অভিযান শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, মামলার আসামিরা একটি টয়োটা মাইক্রোবাসে করে সাভারের আকরাইন এলাকা থেকে খাগান বাজারের দিকে যাচ্ছেন।

পরে ডিবির একটি দল আকরাইন বাজার মোড়ে অবস্থান নিয়ে সন্দেহভাজন গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালায় এবং পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

তিনি আরো জানান, আশুলিয়ার ইউসুফ মার্কেট এলাকার স্বর্ণ ব্যবসায়ী প্রদীপ কর্মকার দোকান বন্ধ করে প্রায় তিন ভরি স্বর্ণ, ৪০ ভরি রুপা ও নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে র‌্যাব পরিচয়ধারী একটি দল তার গাড়ি থামিয়ে চোখ বেঁধে একটি মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। পরে তার কাছে থাকা স্বর্ণালংকার, রুপা ও নগদ টাকা লুট করে ভবানীপুর এলাকায় তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

ডিবি পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন স্থানে র‌্যাব ও ডিবি পুলিশের পরিচয়ে সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। আশুলিয়া থানায় দায়ের করা ডাকাতি মামলায় তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে সরকার কঠোর : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
দুর্নীতি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে সরকার কঠোর : তথ্য প্রতিমন্ত্রী
নান্দাইলে উপজেলা পরিষদ হল রুমে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। ছবি : কালের কণ্ঠ

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে বর্তমান সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক নেতার নাম ভাঙিয়ে কাউকে দুর্নীতি করতে দেওয়া হবে না এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে। নির্বাচনের আগে জনগণের সামনে তুলে ধরা হয়েছে দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার। সেই লক্ষ সামনে নিয়েই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এগিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহের নান্দাইলে উপজেলা হলরুমে জি আর চাল, দুস্থদের মাঝে ঢেউটিন ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে মানবিকতা উঠে গিয়েছে। এখন আর সম্মানিতদের সম্মান করা হয় না, যে যার মতো চলছে। এই অভ্যাস দূর করতে হবে। এই জন্য সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তা ছাড়া আমার মন্ত্রণালয় থেকে অনেক কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে মিথ্যা তথ্য ও অপপ্রচার রোধে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে আমাদের যে মানবিক আচরণ, মুরুব্বিদের প্রতি, ছোটদের প্রতি এমনকি পশুপাখিদের প্রতি যে আচরণ করা হতো তা হারিয়ে যাচ্ছে। আগে রাস্তা দিয়ে কেউ গেলে সালাম-ভদ্রতা দেখাতাম। কোনো অনুষ্ঠানে গেলে বা যানবাহন বা প্লেনে গেলে দেখতাম সিনিয়রদের বসার জায়গা করে দিতে। অথবা চেয়ারটা এগিয়ে দিতে। এখন সব বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এই অবস্থায় আমাদের সরকার বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় শিশু থেকে যুবক-যুবতীর সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে অনেক ধরনের পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন তথ্য চিত্র  ভিডিওর মাধ্যমে বড় পর্দা ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তা প্রচার করা।

তিনি বলেন, আগে দেখেছি পরিচিত লোক বা প্রতিষ্ঠানে এমনকি রাজনীতি বিবেচনায় সহায়তা করা হতো। এখন সহায়তা করা হবে প্রাপ্য যারা তাদের। এখন সড়ক করা হবে ইট বিছানো। কাঁচা রাস্তায় অযথা টাকা ব্যয় করা হবে না। এখন আর কোনা কমিশন দিয়ে কাউকে কাজ করতে হবে না। কাউকে চাঁদা দিতে হবে না। সব ক্ষেত্রেই স্বচ্ছতা থাকবে। সরকারের সব উন্নয়নে জনগণকে পাশে থাকতে হবে। সরকার চায় যে যার জায়গা থেকে সরকারকে সহযোগিতা করতে।

তিনি বলেন, নান্দাইলের উন্নয়নে কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায় ক্রমে সব ক্ষেত্রেই উন্নয়ন হবে। এই জন্য দরকার সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত নান্দাইল।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাতসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উপজেলা পরিষদের সামনে উপজেলা কৃষি বিভাগ আয়োজিত দিনব্যাপি ফল মেলার উদ্বোধন করেন। পরে তিনি পৌরসভার আমোদাবাদ মহল্লার একটি সড়কে তাল গাছ রোপণ করেন।