• ই-পেপার

চুরির অভিযোগে উপড়ে ফেলা হলো তরুণের দুই চোখ

৪ বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক
৪ বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন

চারটি বেসরকারি কলেজের নাম পরিবর্তনের অনুমোদন দিয়েছে সরকার। রবিবার (২৮ জুন) এসংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ। এতে সই করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি কলেজ-৬ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মনজুরুল আলম।

প্রজ্ঞাপনের তথ্যানুযায়ী, বরিশাল অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলার নাজিরপুর কলেজের নতুন নাম হবে শহীদ জিয়া কলেজ, নাজিরপুর, পিরোজপুর। একই সঙ্গে ভোলার চরফ্যাশনের জনতা বাজার কলেজের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে জনতা বাজার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজ, চরফ্যাশন, ভোলা।

আরেকটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার মৌলানা আছাদ আলী ডিগ্রি কলেজের নাম পরিবর্তন করে সৈয়দ সঈদউদ্দীন ডিগ্রি কলেজ, মাধবপুর, হবিগঞ্জ রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

একই দিনে জারি করা আরো একটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর আয়েশা ছিদ্দিক মহিলা কলেজের নাম পরিবর্তন করে আয়েশা ছিদ্দিক মডেল কলেজ রাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে সংশ্লিষ্ট বেসরকারি কলেজগুলোর নাম পরিবর্তনের অনুমতি নির্দেশক্রমে প্রদান করা হয়েছে।

ঢাবির বাজেট পেশ : অর্ধেকের বেশি বরাদ্দ বেতন-ভাতায়, গবেষণায় ২.০৩ শতাংশ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির বাজেট পেশ : অর্ধেকের বেশি বরাদ্দ বেতন-ভাতায়, গবেষণায় ২.০৩ শতাংশ
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কর্তৃপক্ষ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ১ হাজার ৩৩ কোটি ২১ লাখ টাকা (১০.৩৩ বিলিয়ন টাকা) আয়তনের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেছে। এর মধ্যে মোট বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা খাতে। 

সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত বার্ষিক সিনেট অধিবেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এই বাজেট উপস্থাপন করেন।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট চাহিদা ছিল ১ হাজার ৪২২ কোটি টাকা। এর বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ৯৪৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে, যা মোট চাহিদার ৬৬ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব উৎস থেকে ৮৫ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। অর্থায়নের এই ঘাটতির কারণে নিয়মিত কার্যক্রম চালাতে বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্তত ৮৩ কোটি ৮৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা বাজেট ঘাটতির মুখে পড়তে হবে।

প্রস্তাবিত বাজেট বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত অর্থবছরের তুলনায় বরাদ্দ কাঠামোয় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন আসেনি। আগের বছরের মতো এবারও বাজেটের বড় অংশ ব্যয় হবে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এবং দৈনন্দিন প্রশাসনিক ও পরিচালন ব্যয়ে। গবেষণা ও একাডেমিক উন্নয়নের তুলনায় নিয়মিত পরিচালন ব্যয়ই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।

সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ রাখা হয়েছে বেতন খাতে, যার পরিমাণ ৩২৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এটি মোট বাজেটের ৩১ দশমিক ৫০ শতাংশ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ভাতা খাতে, যার পরিমাণ ২২৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বা মোট বাজেটের ২১ দশমিক ৭২ শতাংশ। পণ্য ও সেবা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ২২২ কোটি ৯৮ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ২১ দশমিক ৫৮ শতাংশ। 

পেনশন ও অবসর সুবিধা খাতে বরাদ্দ ১৫০ কোটি ২৯ লাখ টাকা, যা মোট বাজেটের ১৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ। অন্যদিকে গবেষণা খাতে বরাদ্দ এখনো সীমিত। গবেষণা অনুদানের জন্য ২১ কোটি টাকা প্রস্তাব করা হয়েছে, যা মোট বাজেটের মাত্র ২ দশমিক ০৩ শতাংশ। আগের অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২ দশমিক ০৮ শতাংশ।

এ ছাড়া অন্যান্য অনুদান খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা (৩.৪৪ শতাংশ)। মূলধনী ব্যয়ের মধ্যে যন্ত্রপাতি ক্রয়ে ৩৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা (৩.৩৭ শতাংশ), যানবাহন ক্রয়ে ৮ কোটি ৯৪ লাখ টাকা (০.৮৭ শতাংশ), তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) সরঞ্জাম খাতে ৬ কোটি ২০ লাখ টাকা (০.৬০ শতাংশ) এবং অন্যান্য মূলধনী অনুদানে ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা (০.২৪ শতাংশ) বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনকালে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি পূর্ণাঙ্গ গবেষণাভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের বিকল্প নেই। গবেষণা খাতে অর্থায়নের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ইউজিসি গবেষণা খাতে কোনো বরাদ্দ দেয়নি। 

তিনি জানান, বাংলাদেশের গবেষণা ও উন্নয়ন (আর অ্যান্ড ডি) খাতে ব্যয় জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ৩ শতাংশ, যা ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশের তুলনায় অনেক কম।

অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরো বলেন, এশিয়ার শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের মোট বাজেটের ১০ থেকে ২৫ শতাংশ মৌলিক ও প্রয়োগধর্মী গবেষণায় ব্যয় করে। কিন্তু পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা খাতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করতে পারছে না। তিনি উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে সরকারের ওপর নির্ভরশীলতা এখনো অনেক বেশি। কারণ বাজেটের অধিকাংশ অর্থই ইউজিসির মাধ্যমে সরকারের বরাদ্দ থেকে আসে।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এটি কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য নয়, বরং বাংলাদেশের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এটিকে একটি টেমপ্লেট ও অনুপ্রেরণামূলক কাঠামো হিসেবে গ্রহণ করতে পারবে। ফলে এর প্রভাব বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানা অতিক্রম করে জাতীয় উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী, তিন দশকেরও বেশি সময়ের একজন শিক্ষক, এবং বর্তমান উপাচার্য হিসেবে আমার বিশ্বাস- আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের শীর্ষ ২০০ একাডেমিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ, প্রভাবশালী ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।

গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে ঢাবি ও চীনের কিলু ইউনিভার্সিটির বৈঠক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে ঢাবি ও চীনের কিলু ইউনিভার্সিটির বৈঠক
ছবি : কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং চীনের কিলু ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) ঢাবি উপাচার্যের সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মোফাজ্জল হোসেন, রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আহসান হাবীব এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর আলম সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, কিলু ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজির পক্ষে নেতৃত্ব দেন অধ্যাপক ওয়াং শিয়াও এবং অধ্যাপক ওয়েই লিউসহ প্রতিনিধিদলের অন্য সদস্যরা।

বৈঠকে দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে চলমান যৌথ একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রম আরো গতিশীল এবং জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, একাডেমিক ও গবেষণা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণা কার্যক্রমের সার্বিক উন্নয়নে উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে কাজ করবে।

বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে জাককানইবিতে গবেষণা সপ্তাহ উদ্বোধন

জাককানইবি প্রতিনিধি
বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে জাককানইবিতে গবেষণা সপ্তাহ উদ্বোধন
ছবি : কালের কণ্ঠ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে ‘গবেষণা সপ্তাহ-২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র এবং ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর যৌথ আয়োজনে নতুন কলা ভবনের ষষ্ঠ তলার সম্মেলনকক্ষে কেক কেটে গবেষণা সপ্তাহের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। একই সঙ্গে দুটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করেন তিনি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, গবেষণা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানোন্নয়নের অন্যতম প্রধান সূচক। শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাইকে গবেষণায় মনোযোগী হতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে বিশ্বমানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে সৃজনশীলতা ও নতুন নতুন উদ্ভাবনের বিকল্প নেই। গবেষণায় অগ্রগতি হলে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, সমাজ ও দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন এবং আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক মো. তানজিল হোসেন।

গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্রের পরিচালক ড. মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ‘Pathways to Higher Studies Abroad: Strategies Securing Scholarships and Research Opportunities’ শীর্ষক প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. রায়হান হাবিব। এ ছাড়া ‘গুণগত তথ্য বিশ্লেষণ সফটওয়্যার’ বিষয়ক প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবান অ্যান্ড রুরাল প্ল্যানিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আশরাফুল আলম।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপাচার্য নতুন কলা ভবনের সামনে একটি গাছের চারা রোপণ করেন।

এদিকে একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি আয়োজিত ‘Inspiring Innovation in Curriculum Design and Bangladesh Accreditation Council (BAC) Compliance’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পুরোনো প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক মো. তানজিল হোসেন।

প্রশিক্ষণে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি-এর অতিরিক্ত পরিচালক ও ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শাহীদ রেজা। এছাড়া আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. তুষার কান্তি সাহা এবং ড. মো. জাহিদুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।