• ই-পেপার

জুলাই গণহত্যা মামলা

কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শুরু আজ

সালমান শাহ’র মরদেহ তোলার নির্দেশ বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক
সালমান শাহ’র মরদেহ তোলার নির্দেশ বাতিল

চিত্রনায়ক সালমান শাহ’র মৃত্যুর প্রায় ৩০ বছর পর তার লাশ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে মামলার বাদী মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক এই আদেশ দেন।

বিস্তারিত আসছে...

জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ২২ বিচারককে বদলি

অনলাইন ডেস্ক
জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ২২ বিচারককে বদলি

দেশজুড়ে জেলা ও দায়রা জজ পদমর্যাদার ২২ বিচারককে বদলি করেছে সরকার। সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে রোববার (২১ জুন) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

জনস্বার্থে জারি করা ওই আদেশে বদলি হওয়া বিচারকদের আগামী ২৪ তারিখের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব হস্তান্তর করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পদায়ন পাওয়া কর্মকর্তারা নতুন দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, খুলনার বিভাগীয় বিশেষ জজ মো. আসহারুল ইসলামকে নড়াইলের জেলা ও দায়রা জজ, সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানকে সুনামগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ এবং নীলফামারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১–এর বিচারক প্রিয়া তাসনিম মাহমুদকে নীলফামারীর জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

পাশাপাশি ঢাকার প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-২–এর সদস্য মোহাম্মদ আল মামুন কিশোরগঞ্জের এবং চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাহিদুল হক পঞ্চগড়ের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন। এছাড়া নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক (নিবন্ধন) কাজী আবুবকর হান্নানকে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে রংপুরের জেলা ও দায়রা জজ ফজলে মোহাম্মদ নাঈমকে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এবং নোয়াখালীর জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ মোসাদ্দেক ইবনে আজিজকে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

একই আদেশে আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত থাকা (জেলা ও দায়রা জজ) বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে বি. এম. তৌফিক কবীরকে ঢাকার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত, মোহা. ইমদাদুল হককে রাজশাহীর মহানগর দায়রা জজ, এস. এম. আমিনকে সিলেটের স্ট্যাট সার্চ আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং মুহাম্মদ সাইফুল মতিন নোমানকে সিলেটের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে সুনামগঞ্জে মোহাম্মদ মাসউদুর রহমান, ময়মনসিংহে ছায়ানারা ফেরদৌস এবং চাঁদপুরে তাসলিম জোহরাকে পদায়ন করা হয়েছে। এ ছাড়া মো. আদিব আলীকে খুলনার বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত এবং মো. গোলাম সারোয়ারকে বগুড়ার পারিবারিক আপিল আদালতের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে সরকার।

বিভ্রান্তি-অপপ্রচার

অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধের ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

অনলাইন ডেস্ক
অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল বন্ধের ব্যবস্থা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
ফাইল ছবি

রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

আজ সোমবার জনস্বার্থে এই রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এস এম জুলফিকুর আলী (জুনু)।

স্বরাষ্ট্র সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর মহাপরিচালক, ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) প্রধান ও সাইবার পুলিশ সেন্টারের প্রধানকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, কিছু অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল ও অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতি জনগণের আস্থা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আবেদনে আরো বলা হয়, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করে লিখিত আবেদন দেওয়া হলেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দৃশ্যমান অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। ফলে জনস্বার্থে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

রিট আবেদনে সংশ্লিষ্ট অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর কার্যক্রম তদন্ত, প্রকৃত মালিকানা ও নিবন্ধন যাচাই, আইনবিরোধী কনটেন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্ম বন্ধ বা ব্লক করা এবং অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

আবেদনকারী আইনজীবী এস এম জুলফিকুর আলী (জুনু) বলেন, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তবে মিথ্যা তথ্য, গুজব, সাইবার হয়রানি ও মানহানিকর প্রচারণা কোনোভাবেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতাভুক্ত নয়। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, আইনের শাসন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। রিট আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্ট, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট এবং পূর্বে দাখিলকৃত প্রতিনিধিত্বপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।’ চলতি সপ্তাহেই এখতিয়ারসম্পন্ন বেঞ্চে রিটটির শুনানি হতে পারে বলে জানান রিটকারী এই আইনজীবী।

দুই মামলায় মমতাজের জামিন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
দুই মামলায় মমতাজের জামিন স্থগিত
সংগৃহীত ছবি

চব্বিশের জুলাইয়ে গণ-আন্দোলনের সময় হত্যা ও হত্যাচেষ্টার দুই মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগম। সোমবার (২২ জুন) রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে সেই জামিন স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের চেম্বার আদালত। 

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নাহিদ হোসেন ও মো. মাসুদুল আলম দোহা। মমতাজের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, মোতাহার হোসেন সাজু ও আইনজীবী মোসা. খায়রুন নেছা।

আশুলিয়া থানার একটি হত্যা মামলা, একটি হত্যাচেষ্টা মামলা ও মিরপুর মডেল থানার একটি হত্যা মামলায় গত ১৫ জুন হাইকোর্ট মমতাজ বেগমকে অন্তর্বর্তী জামিন দেন। আইনজীবী মোসা. খায়রুন নেছা কালের কণ্ঠকে বলেন, এই তিন মামলার জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। গত রবিবার একটি আবেদনে চেম্বার আদালত নো অর্ডার দেন। ফলে জামিন বহাল থাকে। কিন্তু সোমবার অন্য দুই মামলার জামিন স্থগিত করেছেন।

মমতাজের বিরুদ্ধে আরো তিনটি মামলা রয়েছে। এসব মামলায় হাইকোর্ট তার জামিন প্রশ্নে পৃথক রুল জারি করেছেন বলে জানান আইনজীবী খায়রুন নেছা।

বাংলা লোকগানের কিংবদন্তি শিল্পী মমতাজ বেগম মানিকগঞ্জ-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সংসদ সদস্য ছিলেন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর গত বছরের ১২ মে রাজধানীর ধানমণ্ডির  একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয় ও কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন। তার বিরুদ্ধে ঢাকার কয়েকটি থানায় হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।