ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে ভেনেজুয়েলার উপকূলীয় শহর লা গুয়াইরা। ঘটনার এক সপ্তাহ পরও সেখানে সরকারি উদ্ধারযন্ত্রগুলো নিষ্ক্রিয় দাঁড়িয়ে আছে। বিশ্বের বৃহত্তম তেল মজুদকারী দেশ হওয়া সত্ত্বেও তীব্র জ্বালানিসংকটের কারণে ভারী যন্ত্রপাতি চালানো যাচ্ছে না। ফলে হাত, কোদাল ও শাবল দিয়ে ধ্বংসস্তূপ থেকে প্রিয়জনদের উদ্ধারের চেষ্টা করছে নিরুপায় স্বজনরা। সরকার তাদের উদ্ধার তৎপরতার পক্ষে সাফাই গাইলেও বিরোধী দল ও বিশ্লেষকরা একে রাষ্ট্রের চরম ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ড্রিল ও সেন্সরের মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে। সরকারিভাবে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৯৪৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) আশঙ্কা, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ১০ হাজারে পৌঁছতে পারে। পরিস্থিতি বিবেচনায় জাতিসংঘ ও ভেনেজুয়েলা সরকার এরই মধ্যে ১০ হাজার বডি ব্যাগ সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত মানুষ উদ্ধারের ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ বা ৭২ ঘণ্টা পার হয়ে গেছে অনেক আগেই। বিস্ময়করভাবে এর পরও অনেককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। ফলে সব আশা নিভে যায়নি। তাই আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীরা এখনো উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। সূত্র : সিএনএন