• ই-পেপার

লাহোরে কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে ১৪ শিশু নিহত

মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফর ডিসেম্বরে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
মোদির যুক্তরাষ্ট্র সফর ডিসেম্বরে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ডিসেম্বরে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র সফর করতে পারেন। ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর এই কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, মোদি আবারও যুক্তরাষ্ট্রে গেলে ওয়াশিংটন এতে খুবই খুশি হবে। গতকাল মঙ্গলবার ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরে। গত সোমবার নবম ইউএসআইএসপিএফ লিডারশিপ সামিট ২০২৬-এর এক ফাঁকে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সার্জিও গোর জানান, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাঁর সাম্প্রতিক ভারত সফরের সময় মোদিকে যুক্তরাষ্ট্র সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। রাষ্ট্রদূত গোর বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, অন্তর্বর্তীকালীন ভারত-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিটি অচিরেই সম্পন্ন হবে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়ে নিবিড়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

 

পাকিস্তানে একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে নিহত শিশুদের স্বজনদের আহাজারি

পাকিস্তানে একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে নিহত শিশুদের স্বজনদের আহাজারি
পাকিস্তানে একটি কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে নিহত শিশুদের স্বজনদের আহাজারি। গতকাল দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের রাজধানী লাহোরে। ছবি : রয়টার্স

যৌন নির্যাতন মামলা

ট্রাম্পের আবেদন নাকচ আদালতের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ট্রাম্পের আবেদন নাকচ আদালতের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উত্থাপন এবং ৫০ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে যে মামলা করেছেন মার্কিন লেখিকা-কলামিস্ট ই. জেন ক্যারল, তা বাতিলের জন্য সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আইনজীবী টিম। তবে সর্বোচ্চ আদালত সেই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন।

এ বিষয়ে আবেদন করে সর্বোচ্চ আদালতে যে পিটিশন জমা দিয়েছিলেন ট্রাম্পের আইনজীবীরা, গত সোমবার সেই পিটিশন নাকচ করে দিয়ে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন সুপ্রিম কোর্ট। কেন পিটিশন নাকচ করা হলো সেসংক্রান্ত কোনো ব্যাখ্যা সুপ্রিম কোর্ট দেননি।

মার্কিন লেখিকা-কলামিস্ট ই. জেন ক্যারল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেছিলেন ২০১৯ সালে। মামলার নথিপত্র থেকে জানা গেছে, ১৯৯৬ সালে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের ম্যানহাটানের বার্গডর্ফ গুডম্যান নামের একটি ডিপার্টমেন্ট স্টোরের ড্রেসিং রুমে ট্রাম্পের দ্বারা যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন তিনি। সূত্র : আনাদোলু

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল, রায় সুপ্রিম কোর্টের

ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কর্মসূচির ওপর বড় ধাক্কা ১৮৬৮ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী প্রত্যেককে নাগরিকত্ব প্রদান করে আসছে দেশটির সরকার অধিকারটি মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল, রায় সুপ্রিম কোর্টের

যুক্তরাষ্ট্রে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রেখেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। দেশটিতে জন্মগ্রহণকারী সব ব্যক্তির জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জারি করা আদেশের বিরুদ্ধে গতকাল মঙ্গলবার রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট।

রায়ে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের নাগরিকত্ব লাভের সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে দেশটিতে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব লাভের ১৫০ বছরের পুরনো নীতিটি বাতিলের জন্য ট্রাম্পের প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

৬-৩ সংখ্যাগরিষ্ঠতার রায়টিতে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বা সাময়িকভাবে থাকা পিতা-মাতার ঘরে জন্ম নেওয়া শিশুরা সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী অনুযায়ী জন্মসূত্রে নাগরিক বলে গণ্য হবে।

রায়টি ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী কর্মসূচির বিরুদ্ধে দেওয়া হয়েছে। রায়টিকে ট্রাম্প এবং যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর তাঁর প্রচেষ্টার জন্য একটি বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছে নাগরিক অধিকার গোষ্ঠীগুলো।

২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম দিনেই অভিবাসন বিষয়ে ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন। ওই আদেশের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে আইনি মর্যাদায় থাকা বা কাগজপত্রবিহীন পিতা-মাতার ঘরে জন্ম নেওয়া ব্যক্তিদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করা হয়েছিল। আদেশটির লক্ষ্য ছিল জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রথাটি বাতিল করা। আদেশটি মার্কিন সংবিধানকে অগ্রাহ্য করে জারি করা হয়েছিল। তবে তাঁর প্রশাসন যুক্তি দিয়েছিল যে আদেশটি বরং সংবিধানকে সঠিকভাবে ব্যাখ্যা করেছে।

৯ সদস্যের সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ে নিম্ন আদালতের সিদ্ধান্তকেই বহাল রাখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছিল যে ট্রাম্পের আদেশটি মার্কিন সংবিধানের পরিপন্থী ছিল। ১৮৬৮ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী প্রত্যেককে নাগরিকত্ব প্রদান করে আসছে দেশটির সরকার। অধিকারটি মার্কিন সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তীকালে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মাধ্যমে সেটিকে আরো শক্তিশালী করা হয়।

গতকাল রায়টি ঘোষণা করেন প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস। তাঁর সঙ্গে ছিলেন উদারপন্থী বিচারপতি সোনিয়া সোতোমায়োর, এলেনা কাগন ও কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন এবং রক্ষণশীল বিচারপতি অ্যামি কোনি ব্যারেট। রক্ষণশীল বিচারপতি ব্রেট কাভানো রায়ের সঙ্গে একমত হলেও আংশিকভাবে ভিন্নমত পোষণ করেন। রক্ষণশীল বিচারপতি ক্ল্যারেন্স থমাস, স্যামুয়েল অ্যালিটো এবং নিল গোরসুচ ভিন্নমত পোষণ করে রায় দেন।

এদিকে ট্রাম্প এই রায়কে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক বলে অভিহিত করেছেন। ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, কোনো দীর্ঘ ও জটিল সাংবিধানিক সংশোধনের প্রয়োজন নেই! আমাদের দেশের জন্য ব্যয়বহুল ও অন্যায্য জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব প্রথাটি বন্ধ করার জন্য কংগ্রেসের আজ থেকেই কাজ শুরু করা উচিত। তারা আমার ্পূর্ণ ও সর্বাত্মক সমর্থন পাবে!

আদালত এর আগে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিবাসনসংক্রান্ত বেশ কয়েকটি মামলায় বিজয় এনে দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ছিল সংকটপীড়িত কয়েকটি দেশের বাসিন্দাদের জন্য টেম্পোরারি প্রোটেক্টেড স্ট্যাটাস নামক বিশেষ আইনি মর্যাদা কার্যকরভাবে বাতিল করার অনুমতি দেওয়া। সূত্র : বিবিসি, আল জাজিরা, দ্য গার্ডিয়ান