• ই-পেপার

‘আমাকে এখানে চুমু দাও’— তরুণের আবদারে বিব্রত পর্যটক

ইরান চুক্তির সময়সীমা শুরু : জেডি ভ্যান্স

অনলাইন ডেস্ক
ইরান চুক্তির সময়সীমা শুরু : জেডি ভ্যান্স
সংগৃহীত ছবি

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানি নেতাদের মধ্যে অনুমোদিত সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) উল্লেখিত ৬০ দিনের সময়সীমা বৃহস্পতিবার থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ভ্যান্স বলেন, ‘৬০ দিনের সময়সীমা আনুষ্ঠানিকভাবে আজ থেকেই শুরু হয়েছে।’

তবে ৬০ দিনের এই সময়সীমার মধ্যে উভয় পক্ষের কাছ থেকে কী ধরনের পদক্ষেপ প্রত্যাশা করা হচ্ছে, সে বিষয়ে ভ্যান্স বিস্তারিত কিছু জানাননি।

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়সীমা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করবে এবং এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করা হবে।
 

রবিন হুডকে আশ্রয় দেওয়া মেজর ওক গাছের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক
রবিন হুডকে আশ্রয় দেওয়া মেজর ওক গাছের মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

অবশেষে মারা গেল কিংবদন্তি রবিন হুডের ডেরা হিসেবে খ্যাত প্রাচীন সেই ওক গাছ। ইংল্যান্ডের শেরউড ফরেস্টে অবস্থিত ১২০০ বছর পুরনো মেজর ওক গাছটিতে এ বছর বসন্তে নতুন পাতা না গজানোয় সেটি মারা গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। 

বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে রয়্যাল সোসাইটি ফর দ্য প্রোটেকশন অব বার্ডস (আরএসপিবি)। সংগঠনটির মতে, গত দুই শতাব্দী ধরে নটিংহ্যামে অবস্থিত গাছটি দেখতে আসা অসংখ্য দর্শনার্থীর পদচারণায় চারপাশের মাটি অত্যধিক চাপা পড়ে যায়। ফলে বৃষ্টির পানি শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাতে বাধার শিকার হয়।

অতীতেও একাধিকবার মেজর ওক গাছটির মারা যাওয়ার গুজব ছড়িয়েছিল। তবে প্রতিবারই আরএসপিবি সেই গুজব খণ্ডন করেছে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি ভিন্ন।

এক বিবৃতিতে আরএসপিবি’র কর্মকর্তা হলি ড্রেক বলেন, এ বছর গাছটিতে পাতা না গজানো আমাদের সবার জন্যই হৃদয়বিদারক।

কিংবদন্তি অনুসারে, ত্রয়োদশ শতাব্দীর বিখ্যাত দস্যু রবিন হুড নটিংহ্যামের শেরিফের তাড়া খেয়ে এই শেরউড ফরেস্টে লুকাতেন। বলা হয়, মেজর ওক গাছটিই ছিল তার অন্যতম আশ্রয়স্থল।

১৭৯০ সালে ওক গাছ নিয়ে লেখা একটি বইয়ে এই গাছের কথা উল্লেখ করেন মেজর হেইম্যান রুক। সেই সূত্রেই গাছটির নাম হয় ‘মেজর ওক’। তখন থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ এটি দেখতে শেরউড ফরেস্টে আসতে শুরু করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গরম, তীব্র খরা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে লাখ লাখ দর্শনার্থীর পায়ের চাপে মাটি কংক্রিটের মতো শক্ত হয়ে যাওয়ায় গাছের শিকড়ে পানি ও পুষ্টি পৌঁছাতে না পারাই এই মৃত্যুর প্রধান কারণ।

গাছ বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এর শিকড় কার্যত শ্বাসরুদ্ধ ও পুষ্টিহীন অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল। উডল্যান্ড ট্রাস্টের কর্মকর্তা এড পাইন বলেন, মেজর ওকের মতো প্রাচীন গাছগুলো সংরক্ষণ করা উচিত।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবীর পরিবেশগত স্বাস্থ্যের জন্য এসব গাছকে রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ অধিকাংশ প্রাচীন গাছই মেজর ওকের মতো স্বীকৃতি বা যত্ন না পেয়েই নীরবে হারিয়ে যায়।

চীনের হয়ে যুক্তরাজ্যে গুপ্তচরবৃত্তি, ২ জনের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
চীনের হয়ে যুক্তরাজ্যে গুপ্তচরবৃত্তি, ২ জনের কারাদণ্ড
রয়টার্স ছবি

যুক্তরাজ্যে বসবাসরত গণতন্ত্রপন্থী হংকং কর্মীদের ওপর নজরদারি চালানোর অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ব্রিটিশ আদালত। তাদের একজন ব্রিটিশ সীমান্ত বাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, বৃহস্পতিবার লন্ডনের ওল্ড বেইলি আদালত ৬৬ বছর বয়সী চুং বিউ ওরপে বিল ইউয়েনকে ৮ বছরের এবং ৪১ বছর বয়সী চি লেউং ওয়াই ওরপে পিটার ওয়াইকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। তারা দুই জনেই ব্রিটিশ ও চীনা নাগরিকত্বধারী।

গত মাসে তারা বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে সহায়তা করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। আদালতের তথ্যমতে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত তারা যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত প্রভাবশালী গণতন্ত্রপন্থী হংকং ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি চালিয়েছিলেন।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের মতে, যুক্তরাজ্যে চীনের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়া প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন ইউয়েন ও ওয়াই।

ওয়াইয়ের বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ ছিল যে তিনি সীমান্ত বাহিনীর কর্মকর্তা হিসেবে নিজের দায়িত্বের অপব্যবহার করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডাটাবেসে প্রবেশ করেন এবং নজরদারির লক্ষ্যবস্তু ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করেন।

রায় ঘোষণার সময় বিচারক ববি চিমা-গ্রাব বলেন, ‘বর্তমানে যুক্তরাজ্য বিদেশি রাষ্ট্রীয় শক্তির অবিরাম, অভিযোজনক্ষম এবং প্রায়ই গোপন হস্তক্ষেপের মুখোমুখি। ফলে আধুনিক গোয়েন্দা কর্মকাণ্ড শুধু সামরিক বা সরকারি গোপন তথ্য চুরির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বরং এটি নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং ভিন্নমতাবলম্বীদের লক্ষ্যবস্তু করার মাধ্যমেও পরিচালিত হতে পারে।’

লন্ডন কাউন্টার টেররিজম পুলিশের প্রধান কমান্ডার হেলেন ফ্লানাগান বলেন, অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ড ছিল সত্যিই ‘শীতল আতঙ্ক’ সৃষ্টি করার মতো।

তার ভাষায়, ‘তারা যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত গণতন্ত্রপন্থী কর্মীদের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করছিল। এসব ব্যক্তি কেবল হংকং ও চীনা সরকারের নীতির বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিলেন।’

লন্ডনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস মামলাটিকে ‘আইনের অপব্যবহার’ করে পরিচালিত একটি রাজনৈতিক পদক্ষেপ বলে আখ্যা দিয়েছে। জবাবে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ বলছে, বিদেশি প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির বিরুদ্ধে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় তারা কঠোর অবস্থান বজায় রাখবে।

ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
ইইউ পররাষ্ট্রনীতি প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করল ইসরায়েল
সংগৃহীত ছবি

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার। তার অভিযোগ, কালাস ইসরায়েলকে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক বর্ণবাদী (অ্যাপার্টহাইড) শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যে মেক্সিকো সফরের সময় গিদিওন সার ইসরায়েলকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী শাসনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গিদিওন সার বলেন, ‘বিশ্বের একমাত্র ইহুদি রাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রাচ্যের একমাত্র গণতান্ত্রিক দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে করা এই অপবাদ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তার (কাজা কালাস) সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ রাখা ছাড়া আমার আর কোনো বিকল্প নেই।’

প্রসঙ্গত, কাজা কালাসের মে মাসে মেক্সিকো সফরকে ঘিরে প্রকাশিত বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদনের পর এই বিতর্কের সূত্রপাত  হয়। এসব প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, তিনি ফিলিস্তিনিদের প্রতি ইসরায়েলের আচরণের সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অ্যাপার্টহাইড ব্যবস্থার তুলনা করেছিলেন।

সার বলেন, কয়েকজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা প্রকাশ্যে ওই মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তবে কালাস এখন পর্যন্ত এসব প্রতিবেদনের সত্যতা অস্বীকার বা ব্যাখ্যা করেননি।

তিনি বলেন, ‘আমি যা বলেছি, সেটাই করছি। তিনি এই অপবাদ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আমি তার সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করছি।’