• ই-পেপার

রোনালদোর পেনাল্টিময় জীবন

৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ‘খেলা অসম্ভব’, ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে ম্যাচ স্থগিতের দাবি

ক্রীড়া ডেস্ক
৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ‘খেলা অসম্ভব’, ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে ম্যাচ স্থগিতের দাবি

গুগল ওয়েদারে দেখানো হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় এই মুহূর্তে তাপমাত্রা ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস; কিন্তু অনভূত হচ্ছে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো। এই পরিস্থিতিকে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

তীব্র দাবদাহের মধ্যেই আগামীকাল স্থানীয় সময় বিকেলে (বাংলাদেশ সময় রবিবার রাত ৩টা) মুখোমুখি হওয়ার কথা ফ্রান্স-প্যারাগুয়ের। তবে আবহাওয়া নিয়ে বড় ধরনের উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় বিশ্বকাপের শেষ ষোলো পর্বের ম্যাচটি স্থগিত করার দাবি উঠেছে। 

ফুটবলারদের আন্তর্জাতিক সংগঠন ফিফপ্রো এবং ক্রীড়া বিজ্ঞানীদের পক্ষ থেকে ম্যাচের সময়সূচি বদলানোর জন্য ফিফাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস বলছে, ম্যাচ চলাকালে তাপমাত্রা ৩৭ থেকে ৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ম্যাচটি হওয়ার কথা ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ডে, যেটি একটি ছাদবিহীন স্টেডিয়াম। তাই সরাসরি রোদ ও উচ্চ আর্দ্রতা খেলোয়াড়, কোচ, রেফারি এবং দর্শকদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় ধরে দৌড়ঝাঁপ করলে হিট স্ট্রোক, পানিশূন্যতা, এমনকি প্রাণহানির ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া অতিরিক্ত গরমের কারণে খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খেলায় ব্যাঘাত ঘটতে পারে, যা ম্যাচের ফলেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বর্তমান নির্দেশিকা অনুযায়ী, ওয়েট-বাল্ব তাপমাত্রা ৩২ ডিগ্রি সেলসিয়াস অতিক্রম করলে ম্যাচ স্থগিত করার সুযোগ রয়েছে। আগামীকালের ম্যাচে সেই সীমা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় ফিফার ওপর চাপ বাড়ছে।

তবে ফিফা জানিয়েছে, দর্শক ও সংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তায় তারা বিভিন্ন ব্যবস্থা নিচ্ছে। স্টেডিয়ামের বাইরে কুলিং টেন্ট, পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা এবং ম্যাচ চলাকালে বাধ্যতামূলক হাইড্রেশন ব্রেক রাখা হবে। যদিও বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব ব্যবস্থা তীব্র গরমের কবল থেকে সবাইকে সুরক্ষা দিতে যথেষ্ট নয়।

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ এরই মধ্যে বিশ্বকাপের ফ্যান ফেস্টিভ্যালের সময়সূচিতেও পরিবর্তন আনতে বাধ্য করেছে। আবহাওয়ার এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আরো কয়েকটি ম্যাচ একই ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কেপ ভার্দের রূপকথা কি থামাতে পারবে আর্জেন্টিনা

শাহজাহান কবির, মায়ামি থেকে
কেপ ভার্দের রূপকথা কি থামাতে পারবে আর্জেন্টিনা

‘আমার মনে হয়, কেপ ভার্দে আর্জেন্টিনাকে হারাবে ১-০ গোলে’—এই মুহূর্তে এমন মন্তব্য করে কেউ হয়তো আলোচনায় থাকতে চান, নয়তো বাড়াবাড়ি রকমের আবেগতাড়িত তিনি। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার আগে গোটা কেপ ভার্দে এমন আবেগে ভাসলে অবশ্য তা বাড়াবাড়ি নয় মোটেও।

সে রকম কিছু ঘটিয়েই তো তারা এখন মায়ামিতে মুখোমুখি আর্জেন্টিনার। খোদ দলটির ফুটবলাররা বলেছেন, তাঁরা এর আগে লিওনেল মেসিকে খেলতে দেখেছেন শুধু টিভিতে, আগামীকাল ভোরে মাঠে সেই মেসিকে ট্যাকল করতে হবে তাঁদের, চোখে চোখ রেখে বলতে হবে, ‘তুমি সেরা হতে পারো, তবে আমরাও কম নই।’ দেশটির প্রেসিডেন্ট জোসে মারিয়া নেভেসও তাই আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারানোর অমন আগাম ঘোষণা দিয়ে দেন।

কেপ ভার্দের রূপকথা কি থামাতে পারবে আর্জেন্টিনা? মেসিদের জন্য একেবারে ভিন্ন চ্যালেঞ্জ হয়ে এসেছে এই ম্যাচ। নিশ্চিতভাবেই লিওনেল স্কালোনির টুর্নামেন্টপূর্ব হিসাব-নিকাশ ও গবেষণায় ছিল না এই কেপ ভার্দে। তারা নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে হাজির হয়েছে আলবিসেলেস্তেদের সামনে। স্পেন, উরুগুয়েকে আটকে দিয়ে তারা এমন একটা বাতাবরণ তৈরি করেছে যে বাজিকররাও হয়তো দ্বিধায়। তাদের এই রূপকথার শেষ কোথায়!

কেপ ভার্দে যে এসেছে হিসাবের বাইরে থেকে। তাই হিসাব-নিকাশে তাদের মেলানোটা সহজ হবে না। তবে এবার ভাবুন আর্জেন্টিনা বা মেসির কথা। এই বিশ্বকাপেই যিনি খেলতে পারবেন কি না নিশ্চয়তা ছিল না, তিনি প্রথম তিন ম্যাচেই ছয় গোল করে ফেলবেন, ভাবতে পেরেছিল কেউ?

বিশ্বকাপে অবশ্য অনেক হিসাবই মেলে না। গতবার সৌদি আরবের কাছে প্রথম ম্যাচে হারের পর কে-ই বা ভাবতে পেরেছিল যে সেই আর্জেন্টিনাই ট্রফি নিয়ে বাড়ি যাবে! মায়ামিতে আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে লড়াইয়ে তাই রোমাঞ্চের ডাক আছে ষোলো আনাই। সেটি ডেভিড আর গোলিয়াথের লড়াই হলেও।

বিশ্বকাপের এই মাঝপথেও সত্যিকার অর্থে জমে উঠতে চলেছে শিরোপার লড়াই। ফ্রান্স আছে আগুনে ফর্মে, তারাই চ্যাম্পিয়ন হলে আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের কী হবে? ব্রাজিল যে গতবারের আর্জেন্টিনার মতোই এগোচ্ছে নানা চ্যালেঞ্জ সামলে। আর্জেন্টিনা বড় সমস্যায় পড়েনি এখনো, মেসি যেভাবে চাইছেন সবই হচ্ছে। তো এই যাত্রা কি থেমে যাবে! কেপ ভার্দে চমকেরও তাই হয়তো আজই শেষ, না হলেই বরং সেটি হবে আরো বড় চমক। বিশ্বকাপ কোন পথে যাচ্ছে, পথের বাঁকে বাঁকে রোমাঞ্চটা এখানেই।

কেপ ভার্দে কোচ মেসিকে থামানোরও পরিকল্পনা এঁটেছেন। মেসি কিভাবে কী করেন, সেটি অবশ্য কারোরই অজানা নয়। তবু ম্যাচ পরিস্থিতিতে তিনি ঠিকই পথ খুঁজে নেন, হয়তো অপ্রত্যাশিতভাবে গতি বাড়ান, চেনা মুভমেন্টেও যোগ করেন নতুন সৃষ্টিশীলতা, পার্থক্য গড়া হয়ে যায় সেভাবেই।

আলোচিত পারফর্মার ভোজিনিয়াও এই ম্যাচে আর্জেন্টাইন তারকাকে কেমন সামলান, সেটিও দেখার। জর্দানের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে স্কালোনি সবাইকে খেলার সুযোগ দিয়েছেন। নক আউট পর্বের শুরু থেকে মেসিসহ মূল একাদশটাই তাঁর ফিরিয়ে আনার কথা। জর্ডান ম্যাচের পর সেই চেনা একাদশের কোনো পরিবর্তন আসে কি না, সেটিই দেখার।

ফিট নিকোলাস তালিয়াফিকো জর্ডান ম্যাচে একাদশে ফিরেছেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে তিনি লেফট ব্যাকের জায়গাটা ধরে রাখতে পারেন। আবার একই পজিশনে ফাকুন্দো মেদিনাও তাঁর সামর্থ্য প্রমাণ করেছেন। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মেসি গোল করেছেন তাঁর ক্রস থেকে। সেন্ট্রাল ডিফেন্সে কে খেলবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন আছে। ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ফিট হয়ে উঠেছেন বলেই খবর। সে ক্ষেত্রে নিকোলাস ওতামেন্দিই কি শুরু করবেন, নাকি রোমেরো, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন স্কালোনি।

একই রকম কৌতূহল মেসির সঙ্গী কে হবেন, সেটি নিয়ে। লাউতারো মার্তিনেজ নাকি হুলিয়ান আলভারেস শুরু করবেন? যদিও শক্তিমত্তার হিসাব বলে কেপ ভার্দের জন্য আর্জেন্টিনার যেকোনো একাদশই যথেষ্ট। তবে স্কালোনিকেও এর রহস্যভেদ করতে হবে যে স্পেনের মতো দল কেন কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোল পেল না কিংবা কোন লড়াইয়ে উরুগুয়েকে তারা রুখে দিতে পারল?

গোলের জন্য হয়তো বা মেসিই যথেষ্ট, কিন্তু উরুগুয়ের বিপক্ষে কেপ ভার্দে দেখিয়েছে তারা পাল্টা গোল করে ম্যাচে ফিরতেও পারে। কেপ ভার্দে ছোট দল বা চমক—যেটিই হোক, নক আউটের ম্যাচের সব রকম চ্যালেঞ্জই এই ম্যাচে আছে স্কালোনির সামনে। সেই চ্যালেঞ্জ জিতে শিরোপার পথে তাদের আরেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার পক্ষে বাজি ধরার লোকই এই মুহূর্তে বেশি!

ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশের সঙ্গে মিশরের কোচের হাতাহাতি

ক্রীড়া ডেস্ক
ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশের সঙ্গে মিশরের কোচের হাতাহাতি
পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান মিশরের সহকারী কোচ ইব্রাহিম হাসান। ছবি : ফেসবুক

বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় খেলতে নামছে মোহাম্মদ সালাহর মিশর। ডালাসে বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রেলিয়া।

ম্যাচের কয়েক ঘণ্টা আগে সেটি নিয়েই আলোচনা হওয়ার কথা। কিন্তু মিশর এখন আলোচনায় অন্য এক কারণে। টিম হোটেলে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়েছেন দলটির সহকারী ইব্রাহিম হাসান। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে মিশর দলের কোচিং স্টাফের তর্ক-বিতর্ক চলছে। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। 

ঘটনার সূত্রপাত ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে। এক খুদে ভক্ত মিশর দলের ফরোয়ার্ড ত্রেজেগের সঙ্গে ছবি তুলতে চেয়েছিল। এ সময় পুলিশ ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে গিয়ে শিশুটিকে ধাক্কা দেয়। এতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। 

ঘটনার পর মিশর ফুটবল ফেডারেশন (ইএফএ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে যে ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে, বাস্তবে তা নয়। দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে ছবি তুলতে আসা এক খুদে ভক্তকে নিরাপত্তাকর্মী ধাক্কা দিলে আমাদের সহকারী কোচ ইব্রাহিম হাসান শিশুটিকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান। এ সময় নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা হয়। তবে পরিস্থিতি দ্রুতই স্বাভাবিক হয়। 

বিবৃতিতে ইএফএ আরো জানিয়েছে, ঘটনাটি দলের প্রস্তুতিতে কোনো প্রভাব ফেলেনি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচ সামনে রেখে দল স্বাভাবিকভাবেই অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে।

ঘটনাটি নিজের চোখের সামনেই ঘটেছে বলে দাবি করেছেন বিশ্বকাপ কাভার করতে যাওয়া মিশরীয় সাংবাদিক বেলাল এলসিসি। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘গুজব ও নানা কথাবার্তা বন্ধ করার জন্য বলছি—ঘটনাটি আমার চোখের সামনেই ঘটেছে। ইব্রাহিম হাসান হোটেলের লবিতে কোনো ধরনের ঝামেলা করেননি। বরং একটি শিশু তার এবং ত্রেজেগের সঙ্গে ছবি তুলতে চেয়েছিল। কিন্তু মার্কিন নিরাপত্তাকর্মীরা শিশুটিকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয় এবং ছবি তুলতে বাধা দেয়।

এলসিসি এরপর লিখেছেন, ‘শিশুটির প্রতি হওয়া ওই আচরণের প্রতিবাদ করতে এবং তাকে রক্ষা করতে ইব্রাহিম এগিয়ে আসেন। পরে মার্কিন নিরাপত্তাকর্মীরা ওই শিশু এবং মিশর জাতীয় দলের এক নিরাপত্তাকর্মীর ওপরও চড়াও হয়।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

শীর্ষ দশ দলের মধ্যে বাদ পড়েছে শুধু একটি, কারা সেই দুর্ভাগা

ক্রীড়া ডেস্ক
শীর্ষ দশ দলের মধ্যে বাদ পড়েছে শুধু একটি, কারা সেই দুর্ভাগা
নেদারল্যান্ডস ফুটবল দল। ছবি: সংগৃহীত

ফিফা বিশ্বকাপের দলগুলো নিয়ে করা প্রায় সব ভবিষ্যদ্বাণীই কি মেলে? উত্তর—না। মেলার কথাও নয়। 

বলা হয়ে থাকে, বিশ্বকাপ এমন এক প্রতিযোগিতা, যেখানে ছোট দল-বড় দল, র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা-পিছিয়ে থাকা খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। দিন শেষে মাঠের লড়াই-ই সবকিছু। 

তবে বড় দলের প্রতি সমর্থকদের প্রত্যাশা সব সময়ই বেশি। এবার সেই প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে নেদারল্যান্ডস। 

বর্তমানে ফিফা লাইভ র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ দশে থাকা দলগুলোর মধ্যে একমাত্র নেদারল্যান্ডসই বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে। টিকে আছে গতকালই র‌্যাংকিংয়ের চূড়ায় ওঠা ফ্রান্স, বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, রেকর্ড পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল, সাবেক দুই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড ও স্পেন, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পতুর্গাল, বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক মেক্সিকো, ডি ব্রুইনা-কোর্তোয়াদের বেলজিয়াম এবং আফ্রিকার গর্ব হয়ে ওঠা মরক্কো। 

এর আগে তিনবার বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা নেদারল্যান্ডস অবশ্য এবার অঘটনের শিকার হয়নি। রাউন্ড অব ৩২ পর্ব থেকে বাদ পড়েছে মরক্কোর কাছে হেরে। 

Ranking

তবে ব্রাজিল, পতুর্গাল, ইংল্যান্ড ও বেলজিয়াম যেখানে পিছিয়ে পড়েও দারুণভাবে ঘুরে শেষ ষোলোয় জায়গা করে নিয়েছে, সেখানে নেদারল্যান্ডস নিজেরাই এমন অভিজ্ঞতার শিকার হয়েছে। 

মরক্কোর বিপক্ষে ৯০ মিনিট পর্যন্তও ১-০ গোলে এগিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস। কিন্তু যোগ করা সময়ে ডাচরা গোল হজম করে। শেষ মুহূর্তে সমতা এলে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও কোনো দল গোল করতে না পারলে খেলা গড়ায় টাইব্রেকারে। এই পেনাল্টি শুটআউটেই কপাল পোড়ে ভার্জিল ফন ডাইকের দলের। 

বিশ্বকাপ থেকে হতাশজনক বিদায়ের পর পদত্যাগ করেন নেদারল্যান্ডস কোচ রোনাল্ড কোমান। 

ফুটবল বিষয়ক ওয়েবসাইট ওয়ান ফুটবল ডাচদের এবারের বিশ্বকাপ অভিযানকে দুটি শব্দে তুলে ধরেছে, ‘দুর্ভাগা নেদারল্যান্ডস!’