• ই-পেপার

বোস্টন মাতিয়ে রেখেছে স্কটিশ ‘টার্টান আর্মি’

প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত হৃদয়ের

ক্রীড়া ডেস্ক
প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত হৃদয়ের
ছবি : মীর ফরিদ

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি হেরে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে আছে বাংলাদেশ। সিরিজে টিকে থাকতে দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্বাগতিকরা। প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া তাওহিদ হৃদয়।

চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়। 

প্রথম টি-টোয়েন্টি হারের জন্য দলের ব্যাটারদের দায়ি করেন বাংলাদেশ অধিনায়ক হৃদয় বলেন, ‘ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। আমাদের অন্তত ১৬০ বা ১৭০ রান করা উচিত ছিল। ইনিংসের মাঝপথে আমরা পরপর উইকেট হারিয়েছি। এজন্য আমরা কোন জুটি গড়তে পারিনি।’

প্রথম ম্যাচে হারের দুঃস্মৃতি ভুলে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রথমবারের মত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দেওয়া হৃদয় আরো বলেন, ‘আশা করি এখান থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়াবো। সবাই জানি আমরা কি ভুল করেছি। আশা করি পরের ম্যাচে আমরা ভুলগুলো কাটিয়ে উঠতে পারবো।’

ব্যাটাররা খারাপ করলেও প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বোলারদের পারফরমেন্সে খুশি বলে জানান হৃদয়। তিনি আরো বলেন, প্রতি ম্যাচেই বোলাররা ভালো করছে।

হৃদয় বলেন, ‘১৩১ রানের পুঁজি লড়াই করার জন্য যথেষ্ট নয়। এই রান নিয়ে লড়াই করতে হলে অনেক বেশি ভালো বল করতে হয়। অবশ্য প্রতিটি সিরিজ এবং প্রতিটি ম্যাচে বোলিং ইউনিট ভালো করেছে। পরের ম্যাচগুলোতেও বোলাররা আরও ভালো করবে বলে আমি আশা করি।’

এখন পর্যন্ত টি-টোয়েন্টিতে ১২বার মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। এরমধ্যে বাংলাদেশ জিতেছে চারবার। অস্ট্রেলিয়ার জয় আটবার। 

তবে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের সুখস্মৃতি আছে বাংলাদেশের। ২০২১ সালে মিরপুরে অসিদের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ ৪-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। 

সিরিজ জয় নিশ্চিত করার মিশনে প্রথম ম্যাচের একাদশ ধরে রাখার ইঙ্গিত দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সিরিজে টিকে থাকতে একাদশে পরিবর্তন আনতে পারে বাংলাদেশ। 

বাংলাদেশ দল : লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তাওহিদ হৃদয় (সহ-অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, শামীম হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, নাহিদ রানা, আব্দুল গাফফার সাকলাইন ও সৌম্য সরকার। 

অস্ট্রেলিয়া দল : মিচেল মার্শ (অধিনায়ক), জেভিয়ার বার্টলেট, নিখিল চৌধুরী, কুপার কনোলি, টিম ডেভিড, জোয়েল ডেভিস, ন্যাথান এলিস, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যারন হার্ডি, ট্রাভিস হেড, জশ ইংলিস, স্পেন্সার জনসন, ম্যাথু কুহেনিম্যান, রিলি মেরেডিথ, জশ ফিলিপ, ম্যাথু রেনশ ও এডাম জাম্পা।

স্টেডিয়ামের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বৃদ্ধি করল বিসিবি

ক্রীড়া ডেস্ক
স্টেডিয়ামের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বৃদ্ধি করল বিসিবি
সংগৃহীত ছবি

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১২ হাজার ৫০০ টাকা করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিসিবির অডিট কমিটি, সিকিউরিটি কমিটি এবং টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদ। 

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩৩ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর মাসিক বেতন আগের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি পারিশ্রমিক পাবেন। 

ইব্রাহিম বলেন, ‘আজ আমি অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে কর্মরত পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ঘোষণা দিচ্ছি। এটি আমাদের সভাপতি তামিম ইকবালের সেই অঙ্গীকারেরই অংশ, যা আমরা অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় করেছিলাম। শুধু ক্রিকেটারদের নয়, মাঠে ক্রিকেটকে সচল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া পুরো দলটির কল্যাণ নিশ্চিত করাও আমাদের দায়িত্ব।’

বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্টও করেছেন সাঈদ ইব্রাহিম। 

সেখানে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অংশ হিসেবে আমাদের দায়িত্ব শুধু ক্রিকেটার তৈরি করা নয়, বরং ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রতিটি মানুষের মর্যাদা ও জীবিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করা। ন্যায্য পারিশ্রমিক কোনো বিশেষ সুবিধা নয়; এটি কঠোর পরিশ্রম, নিষ্ঠা ও অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি। যখন একজন কর্মী তার পরিবারের জন্য আরও নিরাপদ ও সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করতে পারেন, তখন তিনি আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য- বাংলাদেশ ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও শক্তিশালী অংশীদারে পরিণত হন।’

বর্তমান বিসিবি নির্বাচনে নির্বাচিত তামিম ইকবাল, সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদসহ কয়েকজন পরিচালক এর আগে বোর্ডের অ্যাডহক কমিটিতেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখান থেকেই কর্মীদের কল্যাণে কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার আলোচনা শুরু হয়েছিল বলে জানান তিনি।

সাঈদ ইব্রাহীম আরো বলেন, ‘অ্যাডহক কমিটির যাত্রার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অটল থেকেছি। সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, খেলোয়াড় গঠন কিংবা কর্মীদের কল্যাণ- প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের লক্ষ্য ছিল কথাকে কাজে রূপ দেওয়া। এই বেতন বৃদ্ধি সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন এবং এটি প্রমাণ করে যে বোর্ড ক্রিকেট পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অবদানকে মূল্যায়ন করে।’

‘পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সকল কর্মীকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের অবদান অত্যন্ত মূল্যবান, এবং ভবিষ্যতেও তা যথাযথভাবে স্বীকৃত হবে।’ বলে আরো যোগ করেন তিনি। 

নকআউটে চোখ মেক্সিকো-দক্ষিণ কোরিয়ার

ক্রীড়া ডেস্ক
নকআউটে চোখ মেক্সিকো-দক্ষিণ কোরিয়ার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের হাই হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্বাগতিক মেক্সিকো ও এশিয়ার টাইগার দক্ষিণ কোরিয়া। শুক্রবার ভোরে গুয়াদালাহারার এস্তাদিও আকরনে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচে যে দলই জয়ী হবে, তারাই সবার প্রথমে রাউন্ড অব থার্টি টু নিশ্চিত করবে। 

উভয় দলই নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয়ে ৩ পয়েন্ট নিয়ে বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। 

উদ্বোধনী ম্যাচে ঘরের মাঠে মেক্সিকো ২-০ গোলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়ে উড়ন্ত সূচনা করেছে। তবে রক্ষণভাগের মূল খেলোয়াড় সেসার মন্তেস লাল কার্ড দেখায় এই ম্যাচে তিনি খেলতে পারছেন না।

অন্যদিকে  চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় এশিয়ার এই পরাশক্তি। দলের পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন ওহ হিয়ন-গিউ।

যেহেতু এবার ১২টি গ্রুপের শীর্ষ দুটি দলের পাশাপাশি সেরা আটটি তৃতীয় স্থান অধিকারী দলও নকআউট পর্বে যাবে। তাই আজকের ম্যাচে মেক্সিকো বা দক্ষিণ কোরিয়ার যেকোনো এক দলের ৬ পয়েন্ট নিশ্চিত হলে তারা সরাসরি শেষ রাউন্ড অব থার্টি টুতে পৌঁছে যাবে।

বিশ্বকাপে লাল কার্ডে ব্রাজিল, হলুদে শীর্ষে আর্জেন্টিনা

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপে লাল কার্ডে ব্রাজিল, হলুদে শীর্ষে আর্জেন্টিনা
ছবি : এআই

ফুটবল বিশ্বকাপের অধিকাংশ রেকর্ডে নাম রয়েছে ব্রাজিলের। এই যেমন একমাত্র দল হিসেবে সব বিশ্বকাপে খেলা কিংবা সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হওয়া। এমন ইতিবাচক রেকর্ডে নিজেদের নাম দেখতে সবারই ভালো লাগে। উল্টোটায় কেউই দেখতে চায় না।

ব্রাজিল যেমন নিচের বিব্রতকর রেকর্ডটিতে নিজেদের নাম দেখতে চায় না। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ লাল কার্ড দেখেছে সেলেসাওরা। উইনস্পোর্টস অনলাইনের তথ্য মতে, তাদের নামের পাশে লাল কার্ড রয়েছে ১১টি।

দুইয়ে আছে ব্রাজিলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা। আলবিসেলেস্তারা অবশ্য একা নয়, তাদের সঙ্গী ক্যামেরুন। বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুদলই সমান ৯টি কার্ড দেখেছে। ঠিক পরেই আছে ৮টি করে কার্ড দেখা নেদারল্যান্ডস, ইতালি ও উরুগুয়ে। ৭টি করে লাল কার্ডে যৌথভাবে চারে আছে জার্মানি-মেক্সিকো। বিপরীতে পাঁচে থাকা ফ্রান্স-পর্তুগাল লাল কার্ড দেখেছে ৬টি করে।

অন্যদিকে হলুদ কার্ডে সবার শীর্ষে আর্জেন্টিনা। তাদের ধারেকাছে নেই অন্যরা। ১৩৪ কার্ড দেখা তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কাছাকাছি যে দলটি তারা হচ্ছে জার্মানি। তাদের নামের পাশে হলুদ কার্ড ১১৮টি। ব্রাজিল দেখেছে ১১১টি। ১০৩ কার্ড দেখা নেদারল্যান্ডসের বিপরীতে পাঁচ নম্বরে আছে ইতালি। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া ইতালির কার্ড ৯০টি।