• ই-পেপার

ফুটবলে মাতল লালমাইয়ের বসুন্ধরা শুভসংঘের বন্ধুরা

পীরগঞ্জে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
পীরগঞ্জে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

‘সবুজে সুন্দর আগামী’ গড়ার প্রত্যয়ে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বসুন্ধরা শুভসংঘ পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলার দোয়েল কিন্ডারগার্টেন স্কুলে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর হাতে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, মানুষের জীবন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া মানে তাদের হাতে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের দায়িত্ব তুলে দেওয়া।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, সাংবাদিক মামুনুর রশিদ মিন্টু, বসুন্ধরা শুভসংঘ পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি তারেক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দুলাল, সদস্য বেলাল হোসেন, গোলাম রব্বানী, রেজাউল ইসলাম, সুকদেব সাহা, শিক্ষক শিমুল দাশ, ফারুক হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, সাইফুন নাহার, বৃষ্টি আক্তার, রিমু আক্তার, ইমরুল কায়েস মনা, মিতুসহ স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে ডামুড্যায় বৃক্ষরোপণ-চারা বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে ডামুড্যায় বৃক্ষরোপণ-চারা বিতরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে ‘সবুজে সুন্দর আগামী’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষরোপণ, ফলদ-বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের কেহুরভাঙ্গা এলাকার আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় এবং ২৯ নম্বর কেহুরভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান বাচ্চু, কনেশ্বর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন।

মো. আনিছুর রহমান বাচ্চু বলেন, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণের এই উদ্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গাছ আমাদের জীবন ও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। আজকের রোপণ করা চারাই আগামী দিনের সবুজ সম্পদ। এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং তরুণ প্রজন্মকে সবুজায়ন কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্মল ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া উচিত।

কর্মসূচিতে বসুন্ধরা শুভসংঘ শরীয়তপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা শরিফুল আলম ইমন, জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মোল্লা, ডামুড্যা উপজেলা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও প্রাইম কম্পিউটার অ্যান্ড টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন, উপজেলা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও ১১ নম্বর পশ্চিম চরভয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুবকর ছিদ্দিক, আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীয়ত উল্লাহ, ২৯ নম্বর কেহুরভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এনামুল হক এনাম, দৈনিক কালের কণ্ঠের ডামুড্যা উপজেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মেহেদী হাসান, শুভসংঘ ডামুড্যা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক বেপারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেমরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ডেমরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে রাজধানীর ডেমরায় পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেমরা থানা শাখা।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ, ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কার এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয় এবং বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর করলে হবে না; প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত এক দিন জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মিলটনের সার্বিক নির্দেশনায় এবং ডেমরা থানা শাখার সভাপতি শাহারুল ইসলাম শাকিল ও সাধারণ সম্পাদক সাদমানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেন রমনা থানা শাখার সভাপতি আশিক আহমেদ, যাত্রাবাড়ী থানা শাখার সভাপতি মো. তৌফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি শাওন সূত্রধর, ডেমরা থানা শাখার সহসাধারণ সম্পাদক ডি. এম. রিয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সম্রাট, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রেজাউর রহমান বাপ্পি, সদস্য শাহীন ও রুবায়েতসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

আবদুল হান্নান মিলটন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি স্বাস্থ্যসম্মত নগরী গড়ে তুলতে তরুণদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

ডেমরা থানা শাখার উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশই সুস্থ জীবনের ভিত্তি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেমরা থানা শাখা ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।

শেরপুরে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

মেহেদী হাসান শামীম, শেরপুর
শেরপুরে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ

পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের বার্তা ছড়িয়ে দিতে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে শেরপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে শেরপুর সদর উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীর হাতে ফলদ, বনজ, ঔষধি ও কাঠ জাতীয় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন ফলজ বৃক্ষের চারা রোপণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ শেরপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা সাংবাদিক হাকিম বাবুল, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসানাত জাহান, সহকারী শিক্ষক বাদরুন নাহার, তামান্না জান্নাত, শামীমা আক্তার, স্বপ্না রানী সূত্রধর, নাসরিন রহমান রুমি ও হালিমা খাতুন, ক্লিনআপ শেরপুর জেলা শাখার সমন্বয়ক আল আমিন রাজু, বসুন্ধরা শুভসংঘ শেরপুর জেলা শাখার সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন, সহসভাপতি আশরাফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মেহেদী হাসান শামীম, প্রচার সম্পাদক জিহাদ রানা, আপ্যায়নবিষয়ক সম্পাদক রাকিব আহমেদ, সদস্য জুয়েল আহমেদসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা।

গাছের চারা পেয়ে শিক্ষার্থী প্রিয়াঙ্কা রানী পাল আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ ও বসুন্ধরা টিস্যুর কাছ থেকে গাছ উপহার পেয়ে খুব ভালো লাগছে। আমি গাছটি বাড়িতে নিয়ে যত্নসহকারে রোপণ করব এবং বড় করে তুলব।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাসানাত জাহান বলেন, ‘বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষ বিতরণ ও বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ একটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও গাছ লাগানোর আগ্রহ বৃদ্ধি করবে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বসুন্ধরা শুভসংঘকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ শেরপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা সাংবাদিক হাকিম বাবুল বলেন, ‘বৃক্ষ আমাদের পরম বন্ধু। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগাতে হবে। শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর নিয়মিত পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা জানান, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তাই সমাজের প্রতিটি মানুষকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানো এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।