• ই-পেপার

মেহেরপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের সম্প্রীতিবিষয়ক আলোচনাসভা

পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে সরিষাবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর)
পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে সরিষাবাড়ীতে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক সভা
ছবি : কালের কণ্ঠ

পুকুর, নদী-নালা ও বন্যার পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যু রোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের হাসরা মাজালিয়া এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার সভাপতি জাকারিয়া আহমেদ ও অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান লিটন। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন  বাংলাদেশ বেতার ময়মনসিংহের উপস্থাপক ও আবৃত্তিকার আসাদুজ্জামান আসাদ। 

সচেতনতামূলক এ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ সরিষাবাড়ী উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও সহজপাঠ ফাউন্ডেশনের পরিচালক আতিফ আসাদ, সোহানুর রহমান সোহান, সদস্য শাকিল আহমেদ, পিয়াস, অনিক, রাহাত মিয়া ও সাব্বির আহমেদ প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসাদুজ্জামান আসাদ  বলেন, ‘১-৫ বছর বয়সী শিশুরা পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি থাকে। অনেক সময় ঘরের ভেতরে থাকা পানিভর্তি বালতি, টব, ড্রাম কিংবা অন্যান্য পাত্রই শিশুদের জন্য বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

তিনি বলেন, ‘ছোট শিশুরা কৌতূহলবশত এসব পানির পাত্রের কাছে যায় এবং অসাবধানতাবশত পড়ে গিয়ে বিপদে পড়ে। মাত্র কয়েক ইঞ্চি পানিতেও একটি শিশুর মৃত্যু হতে পারে। পরিবারের সদস্যরা একটু সচেতন হলেই এ ধরনের হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক সামিউল হক বলেন, ‘ব্যবহারের পর বালতি, টব বা ড্রামে থাকা পানি দ্রুত ফেলে দিতে হবে এবং পাত্রগুলো উল্টো করে রাখতে হবে। যদি কোনো কারণে পানি সংরক্ষণ করতে হয়, তাহলে শক্ত ঢাকনা দিয়ে ভালোভাবে বন্ধ রাখতে হবে, যাতে শিশুরা সহজে খুলতে না পারে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ছোট পানির পাত্র, মগ বা অন্যান্য জিনিস শিশুদের হাতের নাগালের বাইরে রাখতে হবে। পাশাপাশি শিশুদের চলাফেরার সময় বড়দের বাড়তি নজরদারি প্রয়োজন।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার উপদেষ্টা ও কালের কণ্ঠের সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি মমিনুল ইসলাম কিসমত বলেন, ‘আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। প্রত্যেক শিশুর নিরাপদে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। শিশুদের সুরক্ষার দায়িত্ব পরিবারের প্রতিটি সদস্যের।’

তিনি বলেন, ‘শিশুদের নিরাপত্তায় বাথরুমের দরজা সব সময় বন্ধ রাখা উচিত, যাতে তারা একা সেখানে প্রবেশ করতে না পারে। বিশেষ করে যারা হামাগুড়ি দেওয়া বা হাঁটা শেখে, তাদের প্রতি সব সময় সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। পরিবারের সবাইকে পানিতে ডুবে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করা প্রয়োজন।’

সভায় বক্তারা বলেন, শিশুদের প্রতি বাড়তি যত্ন, নিরাপদ পরিবেশ তৈরি এবং সামান্য সতর্কতাই পানিতে ডুবে মৃত্যুর মতো মর্মান্তিক ঘটনা থেকে পরিবারগুলোকে রক্ষা করতে পারে।

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিবপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে শিবপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
সংগৃহীত ছবি

আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নরসিংদীর শিবপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী। 

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ও প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন, শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন, শিবপুর মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়া এবং বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও শিবপুর উপজেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান মনির।

সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী বলেন, ‘প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আজ যে চারা রোপণ করা হচ্ছে, এগুলো আগামী দিনের নিরাপদ পরিবেশ, নির্মল বাতাস ও সুন্দর জীবনের প্রতিশ্রুতি। বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা ইয়াসমিন বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন ব্যক্তি, পরিবার ও সামাজিক সংগঠনের সম্মিলিত অংশগ্রহণ। 

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শিবপুরবাসীর জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। একটি গাছ রোপণ মানে একটি প্রাণের আশ্রয় তৈরি করা, একটি সবুজ ভবিষ্যতের ভিত্তি স্থাপন করা। তাই গাছ লাগানোর পর সেটিকে বড় করে তোলার দায়িত্বও আমাদের সবার।’

ক্ষুদে ফুটবলারদের মাঝে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা বিতরণ

স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
ক্ষুদে ফুটবলারদের মাঝে বসুন্ধরা শুভসংঘের গাছের চারা বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

পরিবেশে জলবায়ুর ভারসাম্য রক্ষা করে সবুজ সুন্দর আগামী গড়ার প্রত্যয়ে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে ক্ষুদে ফুটবলারদের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলের চারা বিতরণ করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। সংগঠনটির স্বরূপকাঠি উপজেলা শাখার উদ্যোগে রবিবার সকালে সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুশীলনরত ক্ষুদে ফুটবলারদের হাতে এ গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।

বিভিন্ন প্রজাতির আম, জাম, পেয়ারা, কাঁঠাল ও লিচুসহ বিভিন্ন প্রজাতির ফলের চারা তুলে দিয়ে এগুলোকে রোপণ করে পরিচর্যা করার জন্য বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন শুভসংঘের সদস্যরা। 

কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি ও উপজেলা শুভসংঘের উপদেষ্টা হযরত আলী হিরুর নেতৃত্বে উপজেলা শুভসংঘের সভাপতি মহিবুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদুল আলম অপু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাকিম বিল্লাহ রাজু, সহসাস্কৃতিক সম্পাদক মুগ্ধ হাসান ও সদস্য রমজান আলী রাকিব বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন।

বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে উপজেলা শুভসংঘের উপদেষ্টা হযরত আলী হিরু বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় শুভসংঘের প্রধান ইমদাদুল হক মিলনের নির্দেশনায় সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। এরই অংশ হিসেবে শুভসংঘ স্বরূপকাঠি শাখার পক্ষ থেকে আজকে ক্ষুদে খেলোয়াড়দের হাতে আমরা বিভিন্ন প্রজাতির ফলের চারা তুলে দিয়েছি। শিশুদেরকে বৃক্ষরোপণে আগ্রহী করে তোলার পাশাপাশি রোপিত গাছ থেকে ফলের চাহিদা মেটানোই আমাদের লক্ষ। 

শুভসংঘের এমন কর্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়ে ফুটবল কোচ নাসির আহম্মেদ রফিক ও মো. হুমায়ুন কবীর খোকন বলেন ‘শুভসংঘের পক্ষ থেকে আজকে আমাদের প্রশিক্ষণার্থী খেলোয়াড়দের মাঝে ফলের চারা বিতরণ করেছে শুভসংঘ। এর ফলে শিশুরা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের পাশাপাশি পরিবেশের প্রতিও যন্তশীল হতে পারবে।’ 

বসুন্ধরার সহায়তায় সুদিনের স্বপ্ন : প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন পেলেন ৩০ নারী

শিবপুর থেকে জাকারিয়া জামান
বসুন্ধরার সহায়তায় সুদিনের স্বপ্ন : প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন পেলেন ৩০ নারী

সামনে নতুন সেলাই মেশিন নিয়ে বসে আছেন, পাশেই রাখা আছে একটি নিমগাছের চারা। সব মিলিয়ে যেন আজ তাদের উচ্ছ্বাস বাঁধনহারা। গত তিন মাস সেলাইয়ের নানা কাজ শিখেছেন, আজ পূর্ণতা পাওয়ার দিন। বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছেন একটি নতুন স্বপ্ন, সেলাই মেশিন। এই সেলাই মেশিনেই নতুন সুন্দর আগামীর স্বপ্ন বুনবেন দরিদ্র অসচ্ছল নারীরা।

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের দরিদ্র পরিবারের ৩০ জন নারীর স্বপ্ন পূরণের সারথি হয়েছে দেশের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ। শনিবার (২০ জুন) দেশসেরা সামাজিক সংগঠন বসুন্ধরা শুভসংঘের উপজেলা শাখার আয়োজনে শিবপুর উপজেলা অডিটরিয়ামে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়েছে।

বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান মনিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনের সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী। অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত কথাসাহিত্যিক ও বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ইমদাদুল হক মিলন। আলোচক ছিলেন নরসিংদী জেলা পরিষদের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন মাস্টার। বিশেষ অতিথি ছিলেন শিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইয়াছমিন, শিবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হারিস রিকাবদার, শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কোহিনূর মিয়া প্রমুখ।

স্বামী হারানোর পর তিন সন্তানকে নিয়ে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হন নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাসিন্দা জুলেখা আক্তার। সংসারে উপার্জনক্ষম আর কেউ না থাকায় সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া, পড়াশোনার খরচ চালানো—সব কিছুই হয়ে ওঠে তার জন্য কঠিন সংগ্রাম। তবে সেই সংগ্রামে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে একটি সেলাই মেশিন। বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে তিন মাসের বিনা মূল্যের প্রশিক্ষণ শেষে হাতে পাওয়া এই মেশিনে কাজ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন জুলেখা।

জুলেখার মতো শিবপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৩০ জন অসচ্ছল নারীকে প্রশিক্ষণ শেষে সেলাই মেশিন দেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে তাদের হাতে সেলাই মেশিন, প্রশিক্ষণের সনদ, ফলদ ও ঔষধি গাছের চারা এবং বই তুলে দেওয়া হয়।

সেলাই মেশিন পেয়ে উচ্ছ্বসিত সানজিদা আক্তার বলেন, ‘আমি নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়ে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমরা সেলাইকাজে দক্ষ হয়েছি। এখন মেশিন হাতে পাওয়ার পর কাজ করে নিজেরা স্বাবলম্বী হতে পারব। পরিবারের হালও ধরতে পারব। বসুন্ধরা গ্রুপ ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, তাদের সুসাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান মনির বলেন, অসচ্ছল নারীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেলাই মেশিনগুলো তাদের আয়মুখী কাজে যুক্ত হতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় উপকারভোগীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপের সহায়তায় কয়েক বছর ধরে গ্রামীণ দরিদ্র নারীদের টেকসই উন্নয়নে কাজ করছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। এর ধারাবাহিকতায় শিবপুরের নারীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সেলাই মেশিন দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা নিজেদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারেন। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের সার্বিক নির্দেশনায় দেশজুড়ে মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। নারীরা স্বাবলম্বী হলে পরিবার ও সমাজ দুটোই এগিয়ে যায়। তাই দীর্ঘদিন ধরে অসচ্ছল নারীদের দক্ষ করে তোলার পাশাপাশি সেলাই মেশিন উপহার দেওয়া হচ্ছে। পরিবেশ রক্ষার অংশ হিসেবে তাদের মধ্যে দুটি করে গাছের চারাও বিতরণ করা হয়েছে।’

সংসদ সদস্য মনজুর এলাহী বলেন, ‘অসচ্ছল নারীদের কর্মমুখী করে তোলার এই উদ্যোগ মানবতার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সেলাই মেশিনের মাধ্যমে নারীরা নিজেরা আয় করতে পারবেন এবং পরিবারের দায়িত্বে ভূমিকা রাখতে পারবেন।’ তিনি শিবপুরে ভবিষ্যতেও বসুন্ধরা গ্রুপের এমন মানবিক উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

একটি সেলাই মেশিন শুধু কাপড় সেলাইয়ের যন্ত্র নয়—জুলেখা কিংবা সানজিদাদের কাছে এটি নতুন জীবনের সম্ভাবনা। সেলাই মেশিনের চাকা ঘুরলেই হয়তো ঘুরে দাঁড়াবে তাদের সংসার, বদলে যাবে সন্তানদের ভবিষ্যৎ, এমনই আশা প্রকাশ করেন অতিথিরা।