• ই-পেপার

হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান পদ ছাড়ছেন উইল ক্যাথকার্ট

চীনের লাইনশাইন এখন বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার

অনলাইন ডেস্ক
চীনের লাইনশাইন এখন বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার
ছবি : রয়টার্স

বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির সুপারকম্পিউটারের তালিকায় আবারও শীর্ষস্থান দখল করেছে চীন। দেশটির শেনজেনের জাতীয় সুপারকম্পিউটিং সেন্টারের লাইনশাইন নামের সুপারকম্পিউটার তালিকা টপ৫০০ -এর সর্বশেষ তালিকায় প্রথম হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে রয়টার্স এ তথ্য দেয়।

তিন বছর পর চীন আবার এই তালিকায় অংশ নেয়। লাইনশাইন সম্পূর্ণভাবে চীনে তৈরি চিপ ব্যবহার করে তৈরি হয়েছে। এটি দেশটির প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতার বড় উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, বিশ্বের দ্রুততম সুপারকম্পিউটার হওয়ার অর্থ এই নয় এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কাজে সবচেয়ে শক্তিশালী। কারণ টপ৫০০-এর র‌্যাংকিং মূলত বৈজ্ঞানিক ও গবেষণামূলক কম্পিউটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে করা হয়। এআই সক্ষমতার ওপর নয়।

নতুন তালিকায় লাইনশাইন যুক্তরাষ্ট্রের এল ক্যাপিটান সুপারকম্পিউটারকে পেছনে ফেলেছে। এল ক্যাপিটান যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির বিভিন্ন গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমানে মাইক্রোসফট, অ্যামাজন, গুগল ও এক্সএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এআই-ভিত্তিক আরো শক্তিশালী কম্পিউটিং সিস্টেম তৈরি করেছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠান সাধারণত টপ৫০০ তালিকায় অংশ নেয় না।

বিশ্লেষকদের ধারণা, চীনের এই সাফল্য মূলত দেশটির নিজস্ব চিপ প্রযুক্তির অগ্রগতি তুলে ধরার প্রচেষ্টা। যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও চীন যে উন্নত কম্পিউটিং প্রযুক্তি তৈরি করতে সক্ষম, সেটিই তারা বিশ্বকে দেখাতে চায়।

উল্লেখ্য, লাইনশাইনে উন্নত এআই চিপ ব্যবহার করা হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্র ও বেসরকারি প্রযুক্তি কম্পানিগুলোর সঙ্গে চীনের প্রতিযোগিতা এখনো অব্যাহত রয়েছে।

এআই কম্পানিতে সরকারের মালিকানা চায় ট্রাম্প প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক
এআই কম্পানিতে সরকারের মালিকানা চায় ট্রাম্প প্রশাসন
ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) কম্পানিগুলোর বিপুল মুনাফার একটি অংশ সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে বণ্টনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এআই খাতের দ্রুত উত্থান এবং সম্ভাব্য বিপুল আয়ের সুফল যেন কেবল কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে, সে লক্ষ্যেই নতুন এই উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা চলছে।

সোমবার (২২ জুন) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স

ট্রাম্পের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে নীতিনির্ধারক, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও বিশেষজ্ঞরা তিনটি প্রধান প্রস্তাব সামনে এনেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—এআই কম্পানিতে সরকারি মালিকানা অংশগ্রহণ, বিশেষ কর আরোপ এবং সরকারি অর্থায়নের বিনিময়ে শেয়ার নেওয়া।

এদিকে, ওপেন এআই এবং অ্যানথ্রপিক সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য গোপনে আবেদন জমা দিয়েছে বলে জানা যায়। বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, শেয়ারবাজারে এলে ওপেনএআইয়ের সম্ভাব্য বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এই বিশাল অর্থনৈতিক সম্ভাবনার কারণেই ট্রাম্প প্রশাসন এআই খাতের আয় থেকে সাধারণ মানুষের অংশ নিশ্চিত করার উপায় খুঁজছে।

মার্কিন সিনেটর  বার্নি স্যান্ডার্স প্রস্তাব করেছেন, বড় এআই কোম্পনিগুলোর ৫০ শতাংশ মালিকানা সরকারের হাতে থাকা উচিত। পাশাপাশি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদেও সরকারি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার কথা বলেছেন তিনি। তার মতে, এতে জনগণ আর্থিক সুবিধা পাবে এবং জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত ঠেকানো সহজ হবে।

আরেকটি প্রস্তাব অনুযায়ী, কম্পানিগুলো নগদ কর দেওয়ার পরিবর্তে সমপরিমাণ মূল্যের শেয়ার সরকারের কাছে হস্তান্তর করতে পারে। এতে ধীরে ধীরে জনগণের মালিকানা বৃদ্ধি পাবে, অথচ সরকারের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।

এছাড়া এআই অবকাঠামো ও চিপ উৎপাদনে সরকারি বিনিয়োগের বিনিময়ে মালিকানা অংশ নেওয়ার প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে। এর আগে ইন্টেল-এর উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সরকারি সহায়তার বিনিময়ে মালিকানা অংশ গ্রহণের নজির রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই প্রযুক্তি বিকাশে বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন হলেও সরকারের বিনিয়োগকারীর ভূমিকায় চলে যাওয়া স্বার্থের সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে। কারণ, একই সঙ্গে নিয়ন্ত্রক ও বিনিয়োগকারী হিসেবে কাজ করলে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

এদিকে ওপেনএআই একটি ‘পাবলিক ওয়েলথ ফান্ড’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। এই তহবিল বিভিন্ন এআই কম্পানিতে বিনিয়োগ করবে এবং সেখান থেকে অর্জিত মুনাফা দেশের নাগরিকদের মধ্যে সমানভাবে বণ্টন করা হবে।

অন্যদিকে অ্যানথ্রপিক “ডিজিটাল ডিভিডেন্ড” ধারণা নিয়ে কাজ করছে। এ প্রস্তাব অনুযায়ী, এআই কম্পানির কাছ থেকে আদায় করা করের অর্থ সরাসরি নাগরিকদের ব্যাংক হিসাবেই পাঠানো হবে।

বিশেষজ্ঞরা এ ধারণার তুলনা করেছেন আলাস্কা পার্মানেন্ট ফান্ড-এর সঙ্গে। সেখানে তেল থেকে অর্জিত আয়ের একটি অংশ প্রতি বছর অঙ্গরাজ্যের বাসিন্দাদের মধ্যে লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করা হয়। এখন একই মডেলে এআই খাতের আয় জনগণের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে,  জনগণের তথ্য সরকারি, গবেষণা ও অবকাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই এআই শিল্পের বিকাশ ঘটছে। ফলে এই খাতের আর্থিক সুফলের একটি অংশ সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছানো উচিত।

বহুল প্রতিক্ষিত গেম ‘জিটিএ ৬’ এর প্রি-অর্ডারের তারিখ প্রকাশ করলো রকস্টার

অনলাইন ডেস্ক
বহুল প্রতিক্ষিত গেম ‘জিটিএ ৬’ এর প্রি-অর্ডারের তারিখ প্রকাশ করলো রকস্টার
ছবি : রকস্টার গেমস

গেমিং দুনিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও বহুল প্রতীক্ষিত গেম ‘গ্র্যান্ড থেফট অটো ৬’ (জিটিএ-সিক্স)-এর মুক্তির তারিখ ও প্রি-অর্ডারের সময়সূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রকস্টার। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) থেকে গেমটির প্রি-অর্ডার শুরু হবে এবং গেমটি চূড়ান্তভাবে বাজারে আসবে ১৯ নভেম্বর

বিশ্লেষকদের মতে, রকস্টারের এই অ্যাকশন অ্যাডভেঞ্চার গেমটি হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল গেম। এর নির্মাণ ব্যয় আনুমানিক ১ বিলিয়ন ডলার (৮৬৬ মিলিয়ন পাউন্ড) ছাড়িয়ে গেছে। এর আগে গেমটির মুক্তি দুইবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ভক্তদের প্রত্যাশা অনুযায়ী গেমটির গ্রাফিক্স ও মেকানিজম নিখুঁত করার জন্যই অতিরিক্ত সময় নেওয়া হয়েছিল বলে জানায় রকস্টার। আগামী ১৯ নভেম্বর গেমটি প্রাথমিকভাবে প্লে-স্টেশন ৫ ও এক্সবক্স সিরিজ এক্স ও এস কনসোলে মুক্তি পাবে। তবে এর পিসি সংস্করণ কবে আসবে, তা এখনো জানানো হয়নি। গেমটির দাম কত হতে পারে তা গোপন রাখা হলেও বিশ্লেষকদের ধারণা, গেমটির মূল্য ১০০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

৮৫৮

জিটিএ ফ্র্যাঞ্চাইজির ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো মূল থ্রিডি প্রেক্ষাপটে কোনো নারী চরিত্রকে লিড রোলে দেখা যাবে, যার নাম ‘লুসিয়া’। তার সাথে অপরাধের সঙ্গী হিসেবে দ্বিতীয় খেলার যোগ্য চরিত্র হিসেবে থাকবে ‘জেসন’। গেমের ট্রেলার অনুযায়ী, এই জুটির রোমাঞ্চকর অপরাধের গল্পটি আমেরিকার অন্ধকার জগতের বিখ্যাত ‘বনি অ্যান্ড ক্লাইড’ জুটির আদলে সাজানো হয়েছে। এবারের গেমটির পটভূমি তৈরি হয়েছে ফ্লোরিডার আদলে একটি কাল্পনিক অঙ্গরাজ্য ‘লিওনিডা’-কে কেন্দ্র করে। গেমারদের জন্য সবচেয়ে বড় সুখবর হলো, পুরোনো গেমের জনপ্রিয় শহর ‘ভাইস সিটি’ এই সংস্করণে প্রধান শহর হিসেবে ফিরছে।

এর আগের সংস্করণ ‘জিটিএ ৫’ ২০১৩ সালে মুক্তির পর বিশ্বব্যাপী প্রায় ২৩ কোটি কপি বিক্রি হয়ে ইতিহাস গড়েছিল। বিনোদন জগতের অন্যতম সফল এই ফ্র্যাঞ্চাইজি গেমারদের ওপেন ওয়ার্ল্ড বা বিশাল মানচিত্রে ইচ্ছামতো ঘুরে বেড়ানোর স্বাধীনতা দেয়। একই সাথে সমসাময়িক সমাজ, রাজনীতি ও পপ কালচারকে ব্যঙ্গ করার জন্য রকস্টারের বিশেষ সুনাম রয়েছে। গেমটি নিয়ে উন্মাদনা এতটাই বেশি যে, ইউটিউবে জিটিএ ৬-এর আগের দুটি ট্রেলার ইতিমধ্যেই প্রায় ৪৪ কোটি ৭০ লাখ বার দেখা হয়েছে। আগামী নভেম্বর মাসে জিটিএ ৬-এর মুক্তি, বিনোদন ও গেমিং ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্থাপন করতে যাচ্ছে বলে ধারণা করছেন প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।

চিপ বোনাস ও এআই সংকটে বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
চিপ বোনাস ও এআই সংকটে বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির শঙ্কা
ছবি : এআই জেনারেটেড

বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক জনপ্রিয়তায় দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি ও চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো রেকর্ড লাভ করছে। এই লাভের বড় একটি অংশ কর্মীদের বোনাস হিসেবে দেওয়া হচ্ছে, যা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তবে এই এআই বুমের কারণে চিপ সংকট তৈরি হওয়ায় সাধারণ স্মার্টফোন বা প্রযুক্তি পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সিএনবিসির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
 
দক্ষিণ কোরিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন রিপোর্টে বলা হয়, দেশের শীর্ষ চিপ তৈরি কোম্পানি স্যামসাং এবং এসকে হাইনিক্স -এর কর্মীরা এবার অস্বাভাবিক রকমের মোটা অঙ্কের বোনাস পাচ্ছেন। কোম্পানির বিপুল লাভের কারণে কোনো কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী শুধু বোনাস হিসেবেই একবারের বোনাসে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৪ থেকে ৫ কোটি টাকা (৬০ থেকে ৭০ কোটি কোরিয়ান ওন) পর্যন্ত পাচ্ছেন।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত একবারে পাওয়া বোনাসের টাকা বাজারের জিনিসের দাম (মূল্যস্ফীতি) সরাসরি খুব একটা বাড়ায় না। কিন্তু এবারের বোনাসের অঙ্কটা এত বড় , এটি দেখে অন্যান্য খাতের কর্মীরাও এখন বেশি বেতনের দাবি তুলতে পারেন। আর সবার বেতন বাড়লে কোম্পানিগুলোর খরচ বাড়বে।এর ফলে শেষ পর্যন্ত সাধারণ পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।

ইতিমধ্যেই এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে—দক্ষিণ কোরিয়ার দামি বা বিলাসবহুল পণ্যের বাজারে কেনাকাটা অনেক বেড়েছে। বিশেষ করে, প্রযুক্তি খাতের কর্মীরা আগের চেয়ে ক্রেডিট কার্ডে অনেক বেশি টাকা খরচ করছেন।

এদিকে বিশ্বজুড়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা -এর ব্যবহার রাতারাতি বেড়ে যাওয়ায় কম্পিউটারের মেমোরি চিপের ওপর মারাত্মক চাপ পড়েছে। এর ফলে ল্যাপটপ বা ফোনের তথ্য জমা রাখার প্রধান দুটি চিপ—ড্র্যাম ও ন‍্যান্ড-এর তীব্র অভাব দেখা দিয়েছে এবং এগুলোর দাম হু হু করে বাড়ছে।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা একে বিশ্বজুড়ে একটি বড় "চিপ সংকট" হিসেবে দেখছেন। এই সংকটের ধাক্কা সরাসরি সাধারণ মানুষের উপর প্রভাব পড়বে। কারণ স্মার্টফোন এবং অন্যান্য গ্যাজেটের দাম অনেক বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল জানিয়েছে, চিপের এই ঘাটতির কারণে তাদের আইফোনসহ অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ানো ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। কোম্পানির প্রধান নির্বাহী টিম কুক এই পরিস্থিতিকে "অসহনীয়" বা সহ্য করার ক্ষমতার বাইরে বলে মন্তব্য করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ভবিষ্যতে আইফোনের প্রো মডেলগুলোতে দাম বাড়তে পারে, আর গড় স্মার্টফোনের দামও প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে।

উল্লেখ্য, চিপ সংকটের মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করছে এআই ডেটা সেন্টারের বিপুল চাহিদা, যেখানে বড় পরিমাণ মেমোরি ব্যবহার করছে এনভিডিয়া–এর মতো কোম্পানির এআই সিস্টেম। একই সঙ্গে মাইক্রন টেকনোলজি,  এসকে হাইনিক্স এবং স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স বিশ্বব্যাপী মেমোরি চিপ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাজারে এই চাপ অব্যাহত থাকলে প্রযুক্তিপণ্যের দাম আরো বাড়তে পারে এবং বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে।