• ই-পেপার

নতুন সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হলেন শাকিব, ফিরছেন ‘বরবাদ’ টিমের সঙ্গে

অনুমোদনের অপেক্ষায় বহু সিনেমা, কমিটি থাকলেও কার্যক্রম নেই

ইমরুল নূর
অনুমোদনের অপেক্ষায় বহু সিনেমা, কমিটি থাকলেও কার্যক্রম নেই
সংগৃহীত ছবি

অনেকদিন ধরেই চলচ্চিত্র আমদানি-রপ্তানি কমিটির কার্যত কোনো কার্যক্রম না থাকায় বিদেশি সিনেমা আমদানি ও রপ্তানির আবেদনগুলো ঝুলে আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে একদিকে যেমন প্রযোজনা ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষতির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে নতুন সিনেমার অভাবে বিপাকে পড়েছেন সিনেমাহল মালিকরাও।

বছরদুয়েক আগে চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড গঠনের পর আমদানি-রপ্তানি কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। এরপর সাফটা চুক্তির আওতায় পাঁচ শর্তসাপেক্ষে বিদেশি চলচ্চিত্র আমদানির অনুমোদন দেয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। 

তবে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, গত নির্বাচনের পর থেকে কমিটির কার্যক্রম প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। কয়েক মাস ধরে কোনো সভাও অনুষ্ঠিত হয়নি।

এ অবস্থায় একাধিক প্রযোজনা ও আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বিদেশি সিনেমা আমদানি ও রপ্তানির আবেদন করলেও সেগুলোর অনুমোদন মিলছে না বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। চলচ্চিত্র অঙ্গনের কেউ কেউ বলছেন, কমিটি ভেঙে গেছে। আবার অনেকে মনে করছেন, কমিটি থাকলেও সেটি সক্রিয় নয়।

এরই মধ্যে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ইন-উইন এন্টারপ্রাইজ প্রায় দুই মাস আগে পাঁচটি থাই সিনেমা আমদানির আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত অনুমোদন পায়নি। 

প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার এবং সাবেক হল মালিক সভাপতি ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ জানান, দীর্ঘ অপেক্ষার কারণে ব্যবসায়িক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, ‘এমনিতেই দেশি সিনেমা নেই। সিনেমা চালাতে পারছি না। আমাদের তো সিনেমাহল চালাতে হবে। বিদেশি ছবি আমদানির জন্য আবেদন করে রাখলেও মুক্তির জন্য এখনো পর্যন্ত অনুমোদন পাইনি।’

তিনি আরো বলেন, ‘অনেক দিন ধরে কমিটির কোনো সভাও পাইনি। এখন সিনেমাহল বন্ধ রাখতে হয়েছে। বিদেশি ছবিগুলোর অনুমোদন পেলে এখন সেগুলো চালাতে পারতাম। থাই ছবি এনে সেগুলো পয়সা খরচ করে ডাবিং করে রেখেছি কিন্তু অনুমোদন না পাওয়ায় এখন আমাদের বসে থাকতে হচ্ছে। দুই মাস আগে আবেদন করেছি কিন্তু এখনো কোনো সাড়া পাইনি। মন্ত্রণালয়ের উচিত বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে সেগুলো অনুমোদনের ব্যবস্থা করা। তাহলে আমরা হল মালিকরা তাদের হলগুলো রানিং রাখতে পারি।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রযোজক জানান, দেশীয় সিনেমার স্বল্পতার সময়ে বিদেশি ছবি প্রদর্শন সিনেমাহল সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু তিনি নিজেও কয়েকটি চলচ্চিত্র আমদানির আবেদন করে রাখলেও তা নিয়ে কোনো সাড়া পাননি। 

তবে চলচ্চিত্র আমদানি ও রপ্তানি কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে—এমন ধারণা সঠিক নয় বলে জানিয়েছেন কমিটির সদস্য ও চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন। ২০২৪ সালের অক্টোবরে পুনর্গঠিত এই কমিটিতে সদস্য হিসেবে যুক্ত হন তিনি।

শাহীন সুমন বলেন, ‘কমিটি তো ভাঙেনি, এখনো বহাল আছে। এখন চলচ্চিত্র আমদানি রপ্তানির অনুমোদনের বিষয়টি তো মন্ত্রণালয় দেখে। কেন ছবিগুলো অনুমোদন পাচ্ছে না সেটি মন্ত্রণালয় ভালো বলতে পারবে।’

তার মতে, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের অনিশ্চয়তার কারণে দীর্ঘদিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে স্থবিরতা তৈরি হয়েছিল। তবে বর্তমানে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ায় অনুমোদন-সংক্রান্ত জটিলতাও শিগগির কাটতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে চলচ্চিত্র আমদানি-রপ্তানি কমিটির বর্তমান অবস্থা এবং অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা আবেদনগুলোর বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানানো হয়, কমিটি এখনও বহাল রয়েছে এবং শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (চলচ্চিত্র-২) শারমীন আখতার কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘নতুন কমিটি গঠনের আগ পর্যন্ত এই কমিটিই বহাল রয়েছে। যেসব আবেদন জমা পড়েছে সেসব নিষ্পত্তির জন্য ইতিমধ্যেই আগামী সপ্তাহে তথ্য মন্ত্রণালয়ে সভা ডাকা হয়েছে।’ এর বেশি তিনি আর কিছু বলতে চাননি। 

জানা গেছে, জমা পড়া আবেদনের প্রেক্ষিতে তা নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আগামী ৭ জুলাই তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দুপুর আড়াইটায় এক সভা ডাকা হয়েছে। 

দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা এসব আবেদন নিষ্পত্তি হলে বিদেশি সিনেমা আমদানির পথ আবারও সচল হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, এতে একদিকে যেমন সিনেমাহলগুলো যেমন উজ্জীবিত হবে, অন্যদিকে দর্শকদেরও প্রেক্ষাগৃহমুখী করার সুযোগ তৈরি হবে।

পুষ্পা স্টাইলে মাদক পাচারের চেষ্টা, বড় চালান আটকে দিল পুলিশ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
পুষ্পা স্টাইলে মাদক পাচারের চেষ্টা, বড় চালান আটকে দিল পুলিশ

ভারতের ব্লকবাস্টার ‘পুষ্পা’ সিনেমায় মূল্যবান লাল চন্দন পাচার করে কোটি কোটি রুপি কামিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করা আল্লু আর্জুন। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে তিনি অভিনব সব কৌশল বেছে নিতেন। পুষ্পা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তেমন এক অভিনব কায়দায় মাদক পাচারের চেষ্টা করেছিল তেলেঙ্গানার একটি চক্র। সিনেমায় সফল হলেও বাস্তবে পাচারকারীরা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে গেছে।

পুষ্পায় লাল চন্দন পাচারের জন্য আল্লু আর্জুন নানা কায়দা অবলম্বন করতেন। তার মধ্যে একটি ছিল দুধের ট্যাঙ্কারের নিচে গোপন কুঠুরি বানিয়ে তাতে লাল চন্দন পাচার করা। তেমনিভাবে পাচারকারীরা একটি কন্টেইনারে গোপন কুঠুরি বানিয়ে গাঁজা পাচার করছিল। কিন্তু পুষ্পা সিনেমা তো শুধু পাচারকারীরা দেখেনি, পুলিশও নিশ্চয়ই দেখেছে। তাই গোপন কুঠুরি আর গোপন থাকেনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেলেঙ্গানার ঈগল ফোর্স এবং ভদ্রাদ্রি কোঠাগুদেম পুলিশ যৌথভাবে কয়েক ঘণ্টা ধরে একটি কনটেইনার ট্রাক এবং সেটির পাহারায় থাকা একটি মোটরসাইকেলকে অনুসরণ করে।

মঙ্গলবার বিকেলে পুলিশ দলটি আইটিসি পেপারস বোর্ড ওয়েস্ট গেটের কাছে যানবাহন দুটিকে আটকে দেয়। গোপন কুঠুরি থেকে পুলিশ ২ কোটি ৬২ লাখ রুপি মূল্যের ৫২৫ কেজি গাঁজা জব্দ করেছে।

তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এই গাঁজা ওড়িশার আল্লুরিকোটা বনাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং তেলেঙ্গানায় প্রবেশের আগে তা অন্ধ্রপ্রদেশের তুলাসিপাকা হয়ে পরিবহন করা হচ্ছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চালানটি খাম্মাম, ওয়ারাঙ্গল, আদিলাবাদ এবং মহারাষ্ট্র হয়ে উত্তর প্রদেশে যাওয়ার কথা ছিল।

পুলিশ এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে ওড়িশার একজন মাদক সরবরাহকারী, অন্ধ্রপ্রদেশের একজন এসকর্ট আরোহী এবং উত্তর প্রদেশের এক ট্রাক চালক। এই চক্রের আরো কয়েকজন সন্দেহভাজনকে খুঁজছে পুলিশ। সন্দেহভাজনদের তালিকায় রয়েছেন কন্টেইনার ট্রাকের মালিক এবং মাদকের সম্ভাব্য গ্রাহকরাও।

ডাক্তারি ডিগ্রি থাকলেও অভিনয়-গানকেই পেশা করেছেন যেসব তারকা

বিনোদন ডেস্ক
ডাক্তারি ডিগ্রি থাকলেও অভিনয়-গানকেই পেশা করেছেন যেসব তারকা
মানুষী ছিল্লার, সাই পল্লবী, শ্রীলীলা

ভারতে ১ জুলাই জাতীয় চিকিৎসক দিবস উপলক্ষে এমন কয়েকজন তারকার কথা জেনে নেওয়া যাক, যারা চিকিৎসাবিদ্যা নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। কেউ চিকিৎসক হিসেবে কাজ করেছেন, আবার কেউ অভিনয়, গান বা মডেলিংয়েই নিজের পরিচয় গড়ে তুলেছেন।

অদিতি গোবিত্রিকর
অদিতি গোবিত্রিকর পেশায় একজন এমবিবিএস চিকিৎসক। ডাক্তারি পড়া শেষ করে তিনি মডেলিংয়ে আসেন এবং ২০০১ সালে 'মিসেস ওয়ার্ল্ড' খেতাব জেতেন। এরপর অভিনয়ে নাম লেখান। হিন্দি সিনেমা 'সোচ', 'পহেলি', 'দে দনা দন', 'ভেজা ফ্রাই ২' ও 'হাম তুম শাবানা'-তে অভিনয় করেছেন। পাশাপাশি মারাঠি ও তেলুগু সিনেমাতেও কাজ করেছেন। তার মতে, ডাক্তারি পড়াশোনা তাকে শৃঙ্খলাবোধ ও কঠোর পরিশ্রমের শিক্ষা দিয়েছে।

দদদ
মিয়াং চ্যাং
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

মিয়াং চ্যাং
'ইন্ডিয়ান আইডল' থেকে পরিচিতি পাওয়া মিয়াং চ্যাং বেঙ্গালুরুর একটি ডেন্টাল কলেজ থেকে দন্তচিকিৎসা বিষয়ে পড়াশোনা করেন। শোবিজে আসার আগে তিনি দন্তচিকিৎসক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে গায়ক, উপস্থাপক ও অভিনেতা হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। ‘বদমাশ কোম্পানি’, 'মডার্ন লাভ মুম্বই', 'উলাঝ' এবং বাংলা সিনেমা 'তারকাটা'-তে তার অভিনয় দর্শকদের নজর কাড়ে।

kkk
সাই পল্লবী
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

সাই পল্লবী
দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাই পল্লবী জর্জিয়ার তিবলিসি স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় পড়াশোনা শেষ করেন। পরে ভারতে মেডিকেল লাইসেন্স পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হন। তবে চিকিৎসা পেশায় না গিয়ে অভিনয়কে বেছে নেন। 'প্রেমাম', 'ফিদা', 'কালি', 'লাভ স্টোরি', 'শ্যাম সিংহা রায়', 'গার্গী', 'আমরণ'-এর মতো প্রশংসিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন। খুব শিগগিরই তাকে 'রামায়ণ' সিনেমায় সীতার চরিত্রে দেখা যাবে।

lll
মানুষি ছিল্লার
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

মানুষী ছিল্লার
মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার আগে মানুষী ছিল্লার এমবিবিএস পড়ছিলেন। তিনি চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন, এমনকি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ হওয়ার ইচ্ছাও ছিল। তবে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় জয়ের পর অভিনয়ে আসেন। তার প্রথম সিনেমা ছিল অক্ষয় কুমারের সঙ্গে 'সম্রাট পৃথ্বীরাজ'। পরে 'দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান ফ্যামিলি', 'বড়ে মিঞা ছোটে মিঞা' ও 'অপারেশন ভ্যালেন্টাইন'-এ অভিনয় করেন।

মোহন আগাশে
মারাঠি ও হিন্দি সিনেমার বর্ষীয়ান অভিনেতা মোহন আগাশে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞও। তিনি এমবিবিএস ও এমডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। 'রং দে বাসন্তী', 'আক্রোশ', 'ত্রিমূর্তি' সহ অনেক আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি চিকিৎসা ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।

পলাশ সেন
'ইউফোরিয়া' ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা ও জনপ্রিয় গায়ক পলাশ সেন এমবিবিএস চিকিৎসক। দিল্লির হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি গান চালিয়ে গেছেন। এখনও তার ক্লিনিক রয়েছে। 'ম্যায়নে দিল সে কহা', 'ধুম পিচক ধুম' সহ ইউফোরিয়ার অসংখ্য জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। অভিনয়ও করেছেন কয়েকটি সিনেমা ও ওয়েব সিরিজে।

দদ
শ্রীলীলা
ছবি: ইনস্টাগ্রাম

শ্রীলীলা
দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী শ্রীলীলা অভিনয়ের পাশাপাশি এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জন করেছেন। খুব অল্প বয়সেই তিনি তেলুগু ও কন্নড় সিনেমার জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। 'কিস', 'পেল্লি সান্দাডি', 'ধামাকা', 'ভগবন্ত কেশরী' এবং 'গুন্টুর কারাম' সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছেন।

সিধু (সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়)
বাংলার জনপ্রিয় ব্যান্ড 'ক্যাকটাস'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও কণ্ঠশিল্পী সিধু কলকাতার ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারি পাস করেন। তিনি কিছুদিন চিকিৎসক হিসেবেও কাজ করেছিলেন। তবে গানের প্রতি ভালোবাসার কারণে চিকিৎসা পেশা ছেড়ে পুরোপুরি সঙ্গীতকে বেছে নেন। 'হলুদ পাখি', 'রাজা যায় রাজা আসে', 'বুদ্ধ হাসে' সহ ক্যাকটাসের বহু জনপ্রিয় গানে তার কণ্ঠ আজও সমান জনপ্রিয়।

‘টক্সিক’-এর টিজার ঘিরে বিতর্ক, নারী চরিত্রের উপস্থাপনা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক

বিনোদন ডেস্ক
‘টক্সিক’-এর টিজার ঘিরে বিতর্ক, নারী চরিত্রের উপস্থাপনা নিয়ে ক্ষুব্ধ দর্শক
সংগৃহীত ছবি

কন্নড় সুপারস্টার ইয়াশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত অ্যাকশন থ্রিলার ‘টক্সিক’–এর নতুন টিজার প্রকাশের পরই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। ‘লেডিস অ্যান্ড লেডিস’ শিরোনামের এই বিশেষ প্রমোটি সিনেমার নারী চরিত্রগুলোর সঙ্গে দর্শকদের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হলেও, মুক্তির পর সেটি সমালোচনার মুখে পড়েছে।

বুধবার প্রকাশিত টিজারে নয়নতারা, কিয়ারা আদভানি, হুমা কুরেশি, তারা সুতারিয়া এবং রুক্মিণী বসন্তের উপস্থিতি দেখানো হয়। তবে অনেক দর্শকের অভিযোগ, চরিত্রগুলোর ব্যক্তিত্ব, সংলাপ বা গল্পের গুরুত্ব তুলে ধরার বদলে তাদের অতিরিক্ত গ্ল্যামারাস ও যৌন আবেদনময়ীভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

Rate the new glimpse of Toxic out of 10 ? #Toxic #ToxicOnAugust26 #Yash

টিজারটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)–এ শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। অনেক ব্যবহারকারী মন্তব্য করেন, নারী চরিত্রকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি প্রমোতে তাদের চরিত্রের গভীরতা তুলে ধরা হয়নি; বরং কেবল দৃষ্টিনন্দন উপস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

কিছু নেটিজেন আরো কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে টিজারটিকে ‘এই দশকের সবচেয়ে অশালীন প্রচারণাগুলোর একটি’ বলেও মন্তব্য করেছেন। এমনকি ভারতের কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের কাছে সিনেমাটি আটকে দেওয়ার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ। বিশেষ করে একজন নারী নির্মাতা হিসেবে গীতু মোহনদাস কেন এমন উপস্থাপনার পথ বেছে নিলেন—সেই প্রশ্নও উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সমালোচনার বড় অংশই কেন্দ্রীভূত হয়েছে টিজারের শেষ দৃশ্যকে ঘিরে। অনেকের দাবি, সেখানে নারী চরিত্রগুলোকে ‘মেল গেজ’ বা পুরুষকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, যা অপ্রয়োজনীয় এবং কুরুচিপূর্ণ।

ANMOL JAMWAL (@jammypants4) / Posts / X

বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে অনলাইন আলোচনা প্ল্যাটফর্ম রেডিটেও। সেখানে অনেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, সিনেমাটি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্মিত হওয়ায় পরিণত বিষয়বস্তু নিয়ে তাদের আপত্তি নেই। তবে নারী চরিত্রগুলোর উপস্থিতি মাত্র কয়েক সেকেন্ডে সীমাবদ্ধ রাখা এবং তাদের গল্প বা ব্যক্তিত্বের কোনো ইঙ্গিত না দেওয়ায় তারা হতাশ।

উল্লেখ্য, একাধিকবার মুক্তির তারিখ পরিবর্তনের পর অবশেষে ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে ‘টক্সিক’। গীতু মোহনদাস পরিচালিত ছবিটি ভেঙ্কট কে. নারায়ণ ও ইয়াশের প্রযোজনায় কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হয়েছে। পরে এটি হিন্দি, তেলুগু, তামিল ও মালয়ালম ভাষায় ডাব করে বিশ্বব্যাপী মুক্তি দেওয়া হবে।