• ই-পেপার

‘ডাঙ্কি’ হিট না হওয়ার কারণ বললেন রাজকুমার হিরানী

কাইলি কি টিমোথির সন্তানের মা হতে চলেছেন?

বিনোদন ডেস্ক
কাইলি কি টিমোথির সন্তানের মা হতে চলেছেন?
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে কাইলি জেনার ও টিমোথি শালামেটের সম্পর্ক। সম্প্রতি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ ভাইরাল হওয়া কয়েকটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, কাইলি জেনার তার প্রেমিক টিমোথি শালামেটের সন্তানের মা হতে চলেছেন।

একটি ভাইরাল পোস্টে বলা হয়, ‘কাইলি জেনার টিমোথি শালামেটের সঙ্গে প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় আছেন।’ পোস্টটি কয়েক মিলিয়ন বার দেখা হয়েছে। একই ধরনের আরো কিছু পোস্টে একটি আলট্রাসাউন্ডের ছবিও শেয়ার করা হয়েছে, যা কাইলির বলে দাবি করা হয়।

তবে এখন পর্যন্ত কাইলি জেনার বা টিমোথি শালামেট—কেউই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তারা গর্ভধারণের খবর নিশ্চিত বা অস্বীকারও করেননি।

এদিকে যে এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে প্রথম এ দাবি ছড়ানো হয়, সেটি মূলত ব্যঙ্গাত্মক ও প্যারোডি কনটেন্ট প্রকাশের জন্য পরিচিত। ফলে ভাইরাল এই তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

kkk
ছবি : সংগৃহীত।

কাইলি জেনার ও টিমোথি শালামেটের সম্পর্কের গুঞ্জন প্রথম শোনা যায় ২০২৩ সালে। এরপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে একসঙ্গে দেখা গেছে এই জুটিকে। বর্তমানে তারা হলিউডের আলোচিত তারকা জুটিগুলোর একটি।

তাই আপাতত কাইলির গর্ভধারণের খবরকে শুধুই গুঞ্জন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কারণ এ বিষয়ে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য বা আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ হয়নি।

অনুপম রায়ের কনসার্ট স্থগিত

অনলাইন ডেস্ক
অনুপম রায়ের কনসার্ট স্থগিত
সংগৃহীত ছবি

কাল শুক্রবার রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে সংগীত পরিবেশন করার কথা ছিল পশ্চিমবঙ্গের কণ্ঠশিল্পী, গীতিকার ও সুরকার অনুপম রায় ও তার ব্যান্ডের। সেই কনসার্ট স্থগিত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে আয়োজক ইয়ামাহা মিউজিক বাংলাদেশ।

ইয়ামাহা মিউজিক বাংলাদেশ জানিয়েছে, ‘আমরা সব অনুমতি পেয়েছিলাম। তবে আজ অনিবার্য কারণে আপাতত এ কনসার্টটি স্থগিত হয়েছে। আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরবর্তী তারিখ জানাব, না হলে টিকিটের রিফান্ড প্রসেস প্রকাশ করব। যে কেউ টিকিট চাইলে রিফান্ড করতে পারবেন।’

ফিরে এসো অলকা ইয়াগনিক

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
ফিরে এসো অলকা ইয়াগনিক

সুরেলা কণ্ঠের অলকা ইয়াগনিককে ভুলে যাওয়ার সুযোগ নেই। তেজাব সিনেমায় ‘এক দো তিন’ গানে মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে নেচেছিল গোটা ভারত। পেছনের কণ্ঠটি ছিল অলকা ইয়াগনিকের। চার দশকের ক্যারিয়ারে ‘তালে সে তাল মিলা’, ‘টিপ টিপ বারসা পানি’, ‘দিলবার দিলবার’, ‘সুরাজ হুয়া মাধ্যম’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’এর মতো অসংখ্য জনপ্রিয় গান গেয়েছেন তিনি।

কুমার শানুর সঙ্গে ‘চুরা কে দিল মেরা’ গেয়ে তিনি চুরি করেছেন কোটি ভক্তের হৃদয়। ক্যারিয়ারে ২৫টি ভাষায় ২২ হাজার গান রেকর্ড করা অলকার কণ্ঠ থেমে যায় ২০২৪ সালে, ‘অমর সিং চিমকিলা’ ছবির পর আর কোনো গানে কণ্ঠ দেননি তিনি। দুই বছর একদম চোখের আড়ালে ছিলেন অলকা।

দুই বছর পর গত মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে দেখা মিললে অলকা ইয়াগনিকের। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক ‘পদ্মভূষণ’ গ্রহণ করেছেন তিনি। অলকা ইয়াগনিকের ’পদ্মভূষণ’ পাওয়া কোনো বিস্ময় নয়, তবে পুরস্কার নিতে তাকে হুইল চেয়ারে আসতে দেখে উদ্বিগ্ন হয়েছেন অনেকে। সুরের রাণী প্রাণবন্ত অলকাকে ম্লান মুখে হুইল চেয়ারে দেখে কষ্ট পেয়েছেন অনেকেই।

কিংবদন্তি গায়িকা অলকা ইয়াগনিক ‘সেন্সোরিনিউরাল হিয়ারিং লস’ নামে একটি বিরল শ্রবণজনিত জটিলতায় ভুগছেন। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে একটি বিমানভ্রমণ শেষে নামার পরপরই হঠাৎ আবিষ্কার করেন, তিনি আর কিছুই শুনতে পাচ্ছেন না। আকস্মিক বধিরতা থমকে দেয় তার ক্যারিয়ার। হঠাৎ কোনো ভাইরাল অ্যাটাকের কারণে তার এ অবস্থা হয়েছে বলে ডাক্তারদের মত। কারো কারো মতে চার দশকের ক্যারিয়ারে বিরামহীনভাবে উচ্চশব্দের সঙ্গে থাকার কারণেও এমনটি হতে পারে।

আড়ালে থাকলেও শ্রোতারা অলকাকে ভুলে যাননি। তিনি ইউটিউবে সর্বকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী, যার ২০২০ সালে ১৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন এবং ২০২১ সালে ১৭ বিলিয়ন স্ট্রিমের জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম রয়েছে। ২০২৬ সালেও তিনি ইউটিউবে প্রতি সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি স্ট্রিম হওয়া সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রেখেছেন। বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে দুটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দুটি বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন পুরস্কার এবং সেরা প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে সাতটি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারসহ অসংখ্য সম্মাননা লাভ করেছেন সুরের এই জাদুকর।

হুইল চেয়ারে অলকাকে দেখে তার ভক্তদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। পরদিন অলকা নিজেই ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে নিজের বর্তমান অবস্থার বর্ণনা করে আবেগঘন এক পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টটি তিনি শুরু করেছেন এভাবে, ‘গত দুই বছর ধরে আমি লাইমলাইট, গণমাধ্যমের সামনে আসা এবং আপনাদের সঙ্গে নিজের পথচলার গল্প ভাগ করে নেওয়া থেকে দূরে আছি। আপনাদের মধ্যে অনেকেই জানতেন যে, আমি এক কঠিন স্বাস্থ্যগত সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আর এই পুরোটা সময় আপনাদের ভালোবাসা, প্রার্থনা, বার্তা এবং অবিচল সমর্থন প্রতিটা পদক্ষেপে আমার পাশে ছিল।’

এরপর তিনি যোগ করেন, ‘আজ যখন আমি দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা—মর্যাদাপূর্ণ ‘পদ্মভূষণ’ গ্রহণ করতে বাইরে পা রাখলাম, তখন আমার হৃদয় কৃতজ্ঞতায় ভরপুর ছিল। এই সম্মাননা আমাকে গভীরভাবে বিনম্র করেছে। যদিও এতে আমার নাম লেখা আছে, কিন্তু এটি ঠিক ততটাই সেই প্রতিটি শ্রোতার, যারা আমার কণ্ঠকে তাদের জীবনে স্বাগত জানিয়েছেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে আমার গানগুলোকে বহন করে নিয়ে গেছেন এবং আমার ভালো ও খারাপ উভয় সময়েই আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন।’

ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসছেন জানিয়ে অলকা লিখেছেন, ‘এই মুহূর্তটি বিশেষভাবে অর্থপূর্ণ মনে হচ্ছে কারণ এটি কেবল আমার কাজের স্বীকৃতি নয়, বরং ভালোবাসা, আশা এবং ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি থেকে যে শক্তি আসে, তার এক অনন্য স্মারক। আমি ধীরে ধীরে নিজের চেনা ছন্দে ফিরে আসছি এবং আজ এখানে উপস্থিত হতে চেয়েছি—শুধু নিজের জন্য নয়, বরং আপনাদের প্রত্যেকের জন্য যারা আমার এই পথচলার অংশ হয়েছেন।’

অলকা ইয়াগনিক তাকে এই সম্মাননা দেওয়ার জন্য দেশের নেতৃত্ব এবং কর্তৃপক্ষের প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি শেষ করেছেন ভক্তদের প্রতি ভালোবাসা জিনিয়ে, ‘বছরের পর বছর ধরে আমার প্রতি আপনাদের এই স্নেহ, দয়া, প্রার্থনা এবং বিশ্বাসের জন্য ধন্যবাদ। আমি এর সবকিছুই নিজের সঙ্গে বহন করি। আজ আমি কেবল একটি পুরস্কারই গ্রহণ করিনি—আমি সেই কোটি মানুষের ভালোবাসা অনুভব করেছি, যারা আমার এই যাত্রার অংশ ছিলেন। ধন্যবাদ। ভালোবাসাসহ, অলকা।’

মুহূর্তেই ভাইরাল অলকা ইয়াগনিকের পোস্ট। হাজারো ভক্তের ভালোবাসা, শুভকামনায় উপচে পড়ছে কমেন্ট বক্স। সে তালিকায় সাধারণ মানুষ যেমন আছেন; আছেন কুমার শানু, ইলা অরুণ, অদিতি সিং শর্মা, সুদেশ ভোসলে, অকৃতি কাক্কার, ভূমি পেদনেকার, বীর পাহারিয়ার মতো তারকারাও। অনেকে তাকে পদ্মভূষণ পাওয়ায় অভিনন্দন জানিছেন। অনেকে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে লিখেছেন, ‘ফিরে এসো অলকা ইয়াগনিক।’

স্টেপ ভুলে গেলে শার্ট খুলে ফেলব : সালমান খান

বিনোদন ডেস্ক
স্টেপ ভুলে গেলে শার্ট খুলে ফেলব : সালমান খান
সংগৃহীত ছবি

বলিউডের সেরা নৃত্যশিল্পীদের তালিকায় সাধারণত সালমান খানের নাম খুব বেশি আসে না। তবে অভিনেতা বিন্দু দারা সিংয়ের মতে, এর কারণ তার নাচের দক্ষতার অভাব নয়। বরং সালমান খুব কম মহড়া করেও সহজেই নাচের স্টেপ আয়ত্ত করতে পারেন।

সম্প্রতি ‘কাড়াক’ ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিন্দু বলেন, সালমান খানের অসাধারণ স্মৃতিশক্তি ও সহজাত প্রতিভা রয়েছে। তিনি জানান, অন্য অনেক অভিনেতা যেখানে একটি গানের জন্য ১০-২০ দিন মহড়া করেন, সেখানে সালমান কোরিওগ্রাফারের কাছ থেকে স্টেপ একবার দেখেই শট দিতে শুরু করেন।

বিন্দুর জানান, সালমান আসেন, বসেন এবং জানতে চান তাকে কী করতে হবে। ড্যান্স মাস্টার স্টেপগুলো দেখিয়ে দেন, আর তিনি সঙ্গে সঙ্গে শুটিং শুরু করেন। কোনো অনুশীলন ছাড়াই তিনি স্টেপগুলো রপ্ত করে ফেলেন। যদি তিনি নিয়মিত মহড়া করতেন, তাহলে ইন্ডাস্ট্রির সেরা নৃত্যশিল্পীদেরও টেক্কা দিতে পারতেন।

‘ম্যায়নে প্যায়ার কিঁউ কিয়া’, ‘পার্টনার’ ও ‘মুঝসে শাদি করোগি’ ছবিতে সালমানের সঙ্গে কাজ করেছেন বিন্দু। তার মতে, মহড়ার প্রতি অনাগ্রহের কারণেই অনেক সময় সালমানের নাচের প্রতিভা যথাযথ মূল্যায়ন পায় না।

তিনি আরো বলেন, সালমান যদি কোনো গানের জন্য ১০-১৫ দিন অনুশীলন করতেন, তাহলে তার মতো নৃত্যশিল্পী আর থাকত না। মানুষ তার পারফরম্যান্স দেখে অবাক হয়ে যেত।

সাক্ষাৎকারে ‘মুঝসে শাদি করোগি’ ছবির শুটিংয়ের একটি ঘটনাও তুলে ধরেন বিন্দু। তিনি জানান, শুটিং চলাকালে দিল্লিতে একটি লাইভ অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার কথা ছিল সালমানের। কোরিওগ্রাফার মহড়ার জন্য সময় চাইলে সালমান একবার পুরো কোরিওগ্রাফি দেখে নেন এবং পরে সবাইকে চলে যেতে বলেন।

এ ঘটনায় অবাক হয়ে বিন্দু তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘যদি স্টেপ ভুলে যান?’ জবাবে সালমান মজা করে বলেন, ‘তাহলে শার্ট খুলে ফেলব।’

বিন্দুর মতে, সালমান খানের এই আত্মবিশ্বাস, সহজাত দক্ষতা এবং স্বতঃস্ফূর্ত পারফরম্যান্সই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। যদিও তার কিছু নাচের ভঙ্গি প্রায়ই সামাজিক মাধ্যমে মিমের বিষয় হয়, তবুও তিনি মনে করেন, সালমানের প্রতিভা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।