• ই-পেপার

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে মাদকমুক্ত করতে কঠোর অবস্থানে পুলিশ

ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

অনলাইন ডেস্ক
ডিএনসিসির ১৯০৫ কেন্দ্রে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আগামী ২৮ জুন ৫৪টি স্থায়ী এবং ১ হাজার ৮৫১টি অস্থায়ী কেন্দ্রে শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ডিএনসিসির নগর ভবনে স্বাস্থ্যবিভাগের উদ্যোগে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক অবহিতকরণ কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিটি কেন্দ্রে দুজন করে মোট ৩ হাজার ৮১০ জন স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করবেন। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ে তদারকির জন্য ১৮৩ জন প্রথম সারির এবং ১০৩ জন দ্বিতীয় সারির সুপারভাইজার নিয়োজিত থাকবেন।

কর্মশালায় জানানো হয়, আগামী রবিবার (২৮ জুন) দিনব্যাপী ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী সব শিশুকে একটি করে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১ বছর থেকে ৫ বছর বয়সী সব শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এতে আরো জানানো হয়, সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী, বস্তিবাসী এবং বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় অবস্থানকারী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য ডিএনসিসির পক্ষ থেকে চারটি অ্যাম্বুলেন্স মোতায়েন করা হবে। ক্যাম্পেইনের দিনসহ পরবর্তী চারদিন মোবাইল সেবার মাধ্যমে ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

এ ছাড়া কর্মজীবী অভিভাবকদের সুবিধার্থে ক্যাম্পেইনের দিনসহ পরবর্তী চারদিন ডিএনসিসির স্থায়ী কেন্দ্রগুলোতে সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর ব্যবস্থা থাকবে।

শাহজালালে উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বিকল, দরজা ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
শাহজালালে উড়োজাহাজের ইঞ্জিন বিকল, দরজা ভেঙে যাত্রীদের উদ্ধার

রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চট্টগ্রামগামী একটি উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা ঘটেছে। উড্ডয়নের প্রস্তুতির সময় ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিলে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

গত বুধবার (২৪ জুন) সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটটি রানওয়ের দিকে যাওয়ার সময় হঠাৎ ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। পরে জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় উড়োজাহাজ থেকে যাত্রীদের দ্রুত বের করে আনা হয়।

জানা গেছে, ফ্লাইটটিতে মোট ৭০ জন যাত্রী ছিলেন। ইঞ্জিনে ত্রুটির বিষয়টি জানাজানি হলে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই নিজেদের মালামাল নিয়ে দ্রুত নামার চেষ্টা করেন।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক কামরুল ইসলাম জানান, ককপিটের পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় অগ্নি-সতর্ক সংকেত দেখা গেলে পাইলট সঙ্গে সঙ্গে উড়োজাহাজ থামিয়ে নিয়ন্ত্রণকক্ষকে বিষয়টি জানান। এরপর নিরাপত্তা বিধি মেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

তিনি আরো বলেন, উড্ডয়নের আগেই সমস্যা শনাক্ত হওয়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ফ্লাইটটি সকাল ৭টায় ঢাকা ছাড়ার কথা থাকলেও ঘটনার কারণে বিলম্ব হয়। পরে সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সকাল ৮টার দিকে ফ্লাইটটি যাত্রা শুরু করে।

হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল শুরু

অনলাইন ডেস্ক
হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল শুরু
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শোক, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল ১০টার পর মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের কালো পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখা গেছে।

নারী, পুরুষ ও শিশু—সব বয়সী মানুষের অংশগ্রহণে হোসেনি দালান এলাকায় সকাল থেকেই শোকের আবহ বিরাজ করে। তারা কারবালার শোকাবহ ঘটনার স্মরণে মাতম করছেন এবং বিভিন্ন শোকগাথা ও ধর্মীয় স্লোগান দিচ্ছেন। মিছিলে অংশ নেওয়া অনেকেই প্রতীকী তাজিয়া বহন করছেন। অনেকের হাতে প্রতীকী ছুরি, আলাম, নিশান, বেস্তা ও বইলালাম শোভা যায়- যা কারবালার ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেয়। 

তাদের ‘হায় হোসেন, হায় হোসেন’ ধ্বনিতে রাজধানীর বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। শোকযাত্রাটি আজিমপুর, নীলক্ষেত, নিউমার্কেট, সায়েন্সল্যাব হয়ে ধানমন্ডিতে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে তাজিয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। হোসেনি দালান ও আশপাশের এলাকায় সোয়াত, র‍্যাব, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং মিছিলের পুরো পথজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। সন্দেহজনক ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপরও নজরদারি চালানো হয়।

প্রতিবছর পবিত্র আশুরা উপলক্ষে হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয়। কারবালার প্রান্তরে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর দৌহিত্র হজরত ইমাম হোসাইন (রা.) এবং তার পরিবারের সদস্য ও সঙ্গীদের শাহাদাতের স্মরণে শিয়া সম্প্রদায় এ শোক মিছিল আয়োজন করে। 

তাজিয়া মিছিল

হোসেনি দালান এলাকায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

অনলাইন ডেস্ক
হোসেনি দালান এলাকায় সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
সংগৃহীত ছবি

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে পুরান ঢাকার হোসেনি দালান থেকে বের হওয়া ঐতিহ্যবাহী তাজিয়া মিছিলকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। যেকোনো নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে সোয়াত, র‍্যাব ও পুলিশ সদস্যরা।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল থেকে পুরান ঢাকার হোসেনি দালান ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, এলাকাজুড়ে পোশাকধারী ও সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হোসেনি দালানের প্রবেশমুখে অবস্থান নিয়েছেন সোয়াত সদস্যরা। র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরাও সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাজিয়া মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

সকাল থেকেই শিয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের হোসেনি দালানে জড়ো হয়ে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতি নিতে দেখা যায়। কালো পোশাকে নারী-পুরুষ ও শিশুরা ইমাম হাসান (রা.) এবং ইমাম হুসাইন (রা.)সহ কারবালার শহীদদের স্মরণে শোক পালন করছেন। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান শেষে নির্ধারিত সময়ে হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে।