• ই-পেপার

নিখোঁজের এক দিন পর জলাশয়ে মিলল মাহাদীর মরদেহ, শোকে স্তব্ধ নিকুঞ্জ-খিলক্ষেত

জেনেভা ক্যাম্পে রাতের আঁধারে মাদকের রমরমা, নিয়ন্ত্রণে গডফাদাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক
জেনেভা ক্যাম্পে রাতের আঁধারে মাদকের রমরমা, নিয়ন্ত্রণে গডফাদাররা
(বাঁ থেকে) মনু গাল কাটা মনু, শাহ আলম, উল্টা সালাম, সামির নেটা সামির ও ইমতিয়াজ।

রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে প্রতি রাতে মাদকের হাট বসে। এখনো সেখানকার প্রতিটি সড়ক, গলি ও চিহ্নিত মাদক স্পট রীতিমতো দখলে থাকে শীর্ষ মাদক গডফাদার উল্টা সালাম, গাল কাটা মনু, শাহ আলম, নেটা সামির ও ইমতিয়াজের নিয়ন্ত্রণে। তাদের শতাধিক সহযোগী অনেকটা প্রকাশ্যে ইয়াবা, হেরোইন, গাজা, আইস, সিসাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করে।

ক্যাম্পের চারপাশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল থাকলেও রহস্যজনক কারণে এসব মাদক কারবারিদের ধরা হয় না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবার কেউ তাদের মাদক কারবারের প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মারধর করা হয়। দেওয়া হয় হত্যার হুমকি। গত দুই দিনে কয়েকজন ব্যক্তিকে তারা মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল রাতেও তারা একজনকে মারধরের পর হত্যার হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেনেভা ক্যাম্পের একাধিক ব্যক্তি জানায়, ক্যাম্পের ভেতরে প্রতিদিন বিকাল থেকে রাতভর গডফাদারদের নিয়ন্ত্রণে প্রকাশ্যে মাদক কারবার চলে। এর মধ্যে গডফাদার উল্টা সালাম, ইমতিয়াজ, নেটা সামির, শাহ আলম ও গাল কাটা মনুর প্রভাব রয়েছে ক্যাম্পের ভেতরে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশে ৫ আগস্ট পরবর্তী দফায় দফায় অভিযানের পরও জেনেভা ক্যাম্পের মাদক কারবার এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এরা ছাড়াও ইরফান, লালনসহ আরো অনেক পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক গডফাদার ক্যাম্পে মাদক ব্যবসার নেতৃত্ব দেয়। তাদের প্রত্যেকের ৫০ জনের বেশি সহযোগী ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় ঘুরে ঘুরে অনেকটা প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করে।

দিনের বেলায়ও লাইন ধরে অনেকটা রিলিফের পণ্যের মতো প্রকাশ্যে তাদের কাছ থেকে মাদক কিনতে দেখা যায় সরেজমিনে। অথচ এ এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বারবার জোরালো অভিযানেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি এই মরণ নেশার লেনদেন।

এদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দীন কালের কণ্ঠকে বলেন, জেনেভা ক্যাম্পের মাদক গডফাদাররা আড়ালে থেকে সহযোগীদের দিয়ে মাদক কারবার করে। এদের মধ্যে অনেকেই এরই মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে। বর্তমানে যারা গ্রেপ্তার হয়নি তাদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে। 

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদক গডফাদাররা আধিপত্য ধরে রাখতে ক্যাম্পে তাদের সহযোগীদের দিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি করে। এর জেরে প্রাণ যাচ্ছে এলাকার নিরীহ মানুষের। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এক আতঙ্কের জনপদ। শুধু মাদক কারবারই নয়, প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে এ এলাকায়। এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে থাকেন। মাঝে মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান হয় এতে কিছুদিনের জন্য স্বস্তি ফিরলেও ফের একই পরিস্থিতি রয়েছে। মোহাম্মদপুর থানাধীন আটকেপড়া পাকিস্তানিদের আবাসস্থল জেনেভা ক্যাম্পে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চলছে জানিয়ে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রতিদিন সেখানে হাত বাড়ালেই মাদক পাওয়া যায়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও তাদের ক্রেতা। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আরো কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে মাদক কারবার বারতেই থাকবে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ এপ্রিল থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই এই তৎপরতা বৃদ্ধি পায়।

পুলিশ ও ক্যাম্পের বাসিন্দাদের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়, এর আগে মাদক অপরাধীদের হাতে খুন হয় শাহ আলম নামের এক নিরপরাধ তরুণ। তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। গত এক বছরে একই কারণে এই মাদক কারবারিরা আরো পাঁচজনকে খুন করে। তাদের চাপাতির কোপে ও গুলিতে আহত হয় অর্ধশতাধিক লোক। এর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

পুলিশ বলছে, ক্যাম্পের অন্তত ৮০ শতাংশ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এখন মাদকে জড়িয়ে পড়েছে। শিশু ও কিশোরদের পাশাপাশি নারীদেরও ব্যবহার করে তারা ক্যাম্পে মাদক কারবার করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, জেনেভা ক্যাম্পে ছোট ছোট ঘর রয়েছে। সেই সঙ্গে রয়েছে পান-সিগারেট-চায়ের অনেক দোকান। এর বাইরে ভাসমান কিছু দোকান রয়েছে। এসবের অনেকগুলো মাদক ব্যবসায়ীরা ব্যবহার করে।

পুলিশ বলছে, গত এক বছরে মোহাম্মদপুর থানায় যেসব মামলা হয়েছে, এর অন্তত ৬০ শতাংশ মামলা হয়েছে মাদককে কেন্দ্র করে।

এক বছরে যারা নিহত : গত বছরের ৬ আগস্ট ক্যাম্পে গুলিতে মারা যান শাহেন শাহ নামের এক যুবক। একই দিনে গলায় গুলিবিদ্ধ হন শুভ নামের আরেক যুবক। তার আগে শাহ আলম নামে এক তরুণকে হত্যা করা হয়। পরে ১৭ আগস্ট আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়, যা চলে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। আরেক দফা বিরতির পর আবার ৩০ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংঘর্ষ হয়। ৪ সেপ্টেম্বর সোহেলের গুলিতে মারা যান অটোরিকশাচালক সাদ্দাম হোসেন সনু। আহত হন কুরাইশ।

এরপর ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়ে পর দিন সকাল পর্যন্ত চলে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল ছোড়াছুড়ি ও গোলাগুলি। এর মধ্যে চুয়া সেলিমের স্ত্রী নাগিন বেগম এবং ২৩ সেপ্টেম্বর চারকো ইরফান গুলিবিদ্ধ হন। ২৪ সেপ্টেম্বর গুলিবিদ্ধ সাগর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তিনি পেশায় কসাই ছিলেন। এর আগে ৩১ মে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলিতে মারা যায় রাসেল নামের এক শিশু।

স্থানীয়দের ভাষ্য, বুনিয়া সোহেল নিজে মোটরসাইকেলে করে এসে ককটেল ফাটিয়ে চলে যায়। এরপর থেকে ক্যাম্পের বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

বিমানবন্দরে প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজ উদ্ধার করলেন আনসার সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিমানবন্দরে প্রবাসীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজ উদ্ধার করলেন আনসার সদস্যরা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক প্রবাসী যাত্রীর হারিয়ে যাওয়া লাগেজ উদ্ধার করে যাচাই-বাছাই করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিমানবন্দরে দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের সতর্কতা ও তাৎক্ষণিক তৎপরতায় তা দ্রুত হস্তান্তর সম্ভব হয়েছে।

আজ বুধবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে বিমানবন্দরের ক্যানোপি-২ এলাকায় দায়িত্বরত এপিসি মো. নিজাম উদ্দীনকে বিদেশফেরত প্রবাসী যাত্রী মো. শাহীন মৃধা তার হারিয়ে যাওয়া লাগেজের বিষয়ে অবহিত করেন। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই এপিসি মো. নিজাম উদ্দীন তাৎক্ষণিকভাবে লাগেজটি উদ্ধারের উদ্যোগ নেন এবং শিফটে দায়িত্বপ্রাপ্ত থানা প্রশিক্ষক মো. ওয়াসিম মিয়াকে অবহিত করেন।

পরে থানা প্রশিক্ষক মো. ওয়াসিম মিয়ার নির্দেশনায় আনসার সদস্যরা হারানো লাগেজ উদ্ধার করতে মাইকিং, অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় ব্যাপক খোঁজখবর শুরু করেন। অনুসন্ধানের একপর্যায়ে জানা যায়, দুবাই প্রবাসী মো. ঈমান আলী ভুলবশত নিজের লাগেজ বিমানবন্দরে রেখে ওমান প্রবাসী মো. শাহীন মৃধার লাগেজ সঙ্গে নিয়ে চলে যান। এ কারণে শাহীন মৃধা নিজের লাগেজ খুঁজে না পেয়ে আনসার সদস্যদের সহায়তা চান।

এ সময় ক্যানোপি এলাকায় পড়ে থাকা মালিকবিহীন একটি লাগেজের ট্যাগ পরীক্ষা করে এপিসি মো. নিজাম উদ্দীন একটি মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করেন। পরে সেই নম্বরে যোগাযোগ করলে দুবাই প্রবাসী মো. ঈমান আলীর সঙ্গে কথা হয় এবং তাকে জানানো হয় যে, তার লাগেজটি বিমানবন্দরে পড়ে আছে। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি পুনরায় বিমানবন্দরে ফিরে আসেন।

পরবর্তীতে তার সঙ্গে থাকা লাগেজটি যাচাই করে দেখা যায়, সেটি আসলে ওমান প্রবাসী মো. শাহীন মৃধার হারিয়ে যাওয়া লাগেজ। পরে উভয় যাত্রীকে উপস্থিত রেখে লাগেজ দুটির ট্যাগ নম্বর, সঠিক বিবরণ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ভুলবশত মো. ঈমান আলী মো. শাহীন মৃধার লাগেজ নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তার নিজের লাগেজটি বিমানবন্দরের ক্যানোপি এলাকায় পড়ে ছিল।

সবশেষে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উভয় যাত্রীর নিকট তাদের নিজ নিজ লাগেজ হস্তান্তর করা হয়। হারিয়ে যাওয়া লাগেজ ফিরে পেয়ে প্রবাসী যাত্রী মো. শাহীন মৃধা স্বস্তি প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সহায়তার জন্য দায়িত্বরত আনসার সদস্যদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
 

ঢামেকে কারাবন্দির মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢামেকে কারাবন্দির মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. আব্দুল রশিদ (৬৫) নামের এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার (কেরানীগঞ্জ) থেকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দুপুর ১১টা ৫০ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কারারক্ষী শাহ আলমসহ কয়েকজন কারারক্ষী তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আব্দুল রশিদ কোন মামলায় কারাবন্দী ছিলেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢামেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের ৫৫তম জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) প্রাঙ্গণে ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৪ জুন) ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪৩ ব্যাচের শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান এমবিবিএস সম্পন্ন করে চিকিৎসা পেশায় যুক্ত হন। পরবর্তীতে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগ দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

তিনি বলেন, উচ্চতর শিক্ষা অর্জনের লক্ষ্যে ডা. জুবাইদা রহমান যুক্তরাজ্যের ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডন থেকে কার্ডিওলজিতে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন। এ প্রশিক্ষণ তার পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করেছে।

অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের বাইরে অবস্থান করলেও ডা. জুবাইদা রহমান রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন এবং দেশে ফিরে আবারও জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হয়েছেন।

তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়ে ডা. জুবাইদা রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সবসময় পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে বিশ্বাস করে। সেই ধারাবাহিকতায় ডা. জুবাইদা রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসে নিমসহ বিভিন্ন ফলজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

আয়োজকরা বলেন, চিকিৎসা পেশাজীবীদের সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে প্রতিবছর এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. মাজহারুল শাহীন, অর্থোপেডিক্স বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন বিপ্লব, নাক-কান-গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমান, নেফ্রোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মেজবাহ উদ্দিন নোমান, হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান নোমান, চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. ফখরুজ্জামান রনি, শিক্ষক সমিতির সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ সামি আল হাসান, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ফোরামের আহ্বায়ক সহকারী অধ্যাপক ডা. মির্জা আসাদুজ্জামান রতন, ইউরোলজি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. আসাদুজ্জামানসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।