• ই-পেপার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

পদ্মায় গোসলে নেমে ২ কিশোরের মৃত্যু, নিখোঁজ ১

কিশোর গ্যাংয়ের দাপটে অস্থির শিল্পনগরী টঙ্গী

রিপন আনসারী, গাজীপুর
কিশোর গ্যাংয়ের দাপটে অস্থির শিল্পনগরী টঙ্গী
২৮ জুন ঝুট ব্যবসা দখলের জন্য টঙ্গী বিসিকে জনৈক কিশোর এভাবেই অস্ত্র উচিয়ে মোটরসাইকেল মহড়ায় অংশ নেয়। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া।

ঝুট ব্যবসার হাতবদল ও দখল  নিয়ে টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে (বিসিক) প্রায়শই মোটরসাইকেলের মহড়া হয়। কয়েক দিন পর পর ব্যবসার হাতবদল ও ব্যবসা দখলের হাতিয়ার হিসেবে এই ধরণের মহড়া এখন নিত্যদিনের চিত্র। যে কোন সময় মহড়া শুরু হওয়ার কারণে শিল্পনগরী টঙ্গীর দুই শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং প্রতিষ্ঠানসংলগ্ন দোকানপাট ও  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ জননিরাপত্তা এখন হুমকিতে পড়ে গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, টঙ্গী বিসিকে দুই শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান চলমান রয়েছে। এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ঝুট সহ নানা ধরণের লাভজনক ব্যবসা সব সমই রাজনৈতিক ভাবে করা হয়ে থাকে। যে দল যখন ক্ষমতায় থাকে সে দলের লোকজন এই সব ব্যবসা করেন। ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রনে ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্ধ অন্ধকারে থেকে ভাগ-বাটোয়ারা করেন। সরকার বদলের সাথে সাথে এই সব ব্যবসারও হাত বদল হয়। হাতবদলের সময় ব্যবসা দখলে বেআইনী শক্তি প্রদর্শনের জন্য মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে শক্তির জানান দেয়া হয়। কারণ শিল্পপতিরা যে নেতার শক্তি বেশী তাকেই ব্যবসার সুযোগ দেয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে শিল্পমালিকেরা শক্তিশালী নেতাদের এই সব ব্যবসার সুযোগ দেয় সব সময়। তবে ক্ষমতাসীন স্থানীয় নেতাদের মধ্যে কে কোন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ব্যবসা করবেন তাও আবার উপর থেকে ডিও লেটারের মত সংকেত আসে। কাঁচা টাকার লাভজনক এই ব্যবসার জন্য শিল্পএলাকায় এখন রাজনীতি বেশী হয়। যে এলাকায় শিল্পপ্রতিষ্ঠান যত কম রাজনৈতিক স্বহিংসতা ওই সব এলাকায় তত কম।

সূত্রমতে, ক্ষমতার পালাবাদলের সাথে সাথে কিছু দিন এই সব মহড়া দিয়ে ব্যবসা দখল জবর দখল ও হাতবদল হয়। কিন্তু নেতাদের দলে গ্রহনযোগ্যতা হ্রাস পেলে বা বড় নেতাদের আশির্বাদ কমে গেলে আবার ব্যবসারও হাত বদল হয়ে যায়। রাজনীতিতে জোয়ার ভাটা থাকার কারণে প্রায় সারাবছরই ঝুট ব্যবসার জন্য হাতিয়ার হিসেবে মোটরসাইকেল মহড়া অবধারিত হয়ে যায়। ফলে নেতারাও মহড়া দেয়ার শক্তি সঞ্চয় করতে গিয়ে মহড়ার লোকজন হাতে রাখেন।

খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে, মোটরসাইকেল  মহড়ায় যারা অংশগ্রহন করেন তাদের মধ্যে অধিকাংশই বয়সে তরুন বা কিশোর। অল্প বয়সে কাঁচা টাকার গন্ধে তারা সহজেই মহড়ার সদস্য হয়ে যায়। এছাড়া টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে ১৯টি বস্তিতে বসবাসকারী দুই লক্ষাধিক বাসিন্দার মধ্যে ৩০/৪০ হাজার মানুষ নিম্ন আয়ের ও বেকার। বেকার থাকায় জীবিকার তাগিদে তারা সহজেই চুরি ছিনতাই মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত হয়ে যায়। ফলে সহজেই ঝুট ব্যবসা দখলের জন্য মোটরসাইকেল মহড়ায় কিশোরদের ব্যবহার করা যায়। আর যারা মাদক সেবন করেন তাদের কিছু টাকা দিলেই মহড়ায় অংশগ্রহন করেন। ফলে মোটরসাইকেল মহড়ায় অংশ নেয়া অধিকাংশ কিশোর ও তরুন দুর্ধর্ষ হয়ে গেছে। তারা এ্যাকশনের সময় যা খুশি তাই করতে পারে। সাধারণ মানুষ ও শিল্পমালিকেরা এই মহড়ার ভয়ে সব সময় তটস্থ থাকে। এতে টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের দুই শতাধিক শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কয়েক লাখ মানুষ সব সময় নিরাপত্তা সংকটে আতঙ্কিত থাকেন। এ ছাড়া ঘনবসতিপূর্ন টঙ্গী শিল্পাঞ্চলে বস্তির সংখ্যা বেশী হওয়ায় চুরি ছিনতাই ও মাদকের ছড়াছড়ি অহরহ। সব মিলিয়ে টঙ্গী এখন অনিরাপদ অনেকটাই।

টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের পাগার এলাকার হোটেল ব্যবসায়ী তাসলিমা বেগম (৪৫) জানান, বিভিন্ন মিলে প্রায়ই হোন্ডার বহর আসে। এরকম দেখলে ভয়ে আমরা হোটেল বন্ধ করে ফেলি।
টঙ্গীর তিস্তারগেট এলাকার চায়ের দোকানী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, প্রকাশ্যেই অস্ত্র নিয়ে দোকানে চা খেতে আসে অল্প বয়সীরা। আমি ভয়ে চা সিগারেট দেই। টাকা না দিলেও চাই না। কারণ যদি ভাংচুর শুরু করে।

নিরাপত্তাজনিত কারণে টঙ্গীতে অবস্থিত তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকার পরিবর্তন, নেতাদের ক্ষমতা কমে যাওয়া ও ঝুট ব্যবসার হাত বদলে প্রায়ই মহড়ার মুখোমুখি হই আমরা। অনেক সময় আমাদের প্রতিষ্ঠান ভাংচূরও হয়। এসব বিষয়ে আমরা সহজে আইনের আশ্রয় নেই না। কারণ এখানেই ব্যবসা করতে হবে তাই নিরাপত্তা একটি বড় বিষয়।

এসব বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার(ক্রাইম এন্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, টঙ্গীতে ছিনতাই ও মাদক আগের থেকে কমেছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে অভিযান করছি। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখতে পুলিশ কমিশনার আমাদের সকল ধরণের নির্দেশনা দিয়েছেন। আশা করছি, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের থেকে উন্নতি হয়েছে, সামনে আরো উন্নিতি হবে ইনশাল্লাহ।

নারায়ণগঞ্জে পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার ১

সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে পিস্তল ও ম্যাগাজিনসহ গ্রেপ্তার ১
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে একটি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও একটি অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ মো. নাজির হোসেন (৫২) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার নাজির হোসেন মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বেঁজগাঁও গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের এনায়েতনগর এলাকায় বেবী বেগমের বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এনায়েতনগর এলাকার আয়শা খাতুনের বাড়ির একটি তেঁতুল গাছের শিকড়ের ভেতরে লুকিয়ে রাখা ম্যাগাজিনসংযুক্ত একটি সচল পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এ সময় নাজির হোসেনকে একটি কালো রঙের অ্যানড্রয়েড মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমদাদুল হক জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে আশুগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
মেঘনা নদী থেকে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে আশুগঞ্জে মহাসড়ক অবরোধ
ছবি : কালের কণ্ঠ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রায় দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ থাকায় মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষোভকারীরা।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে চর সোনারামপুর এলাকার কয়েকশ বাসিন্দা প্রথমে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল আশুগঞ্জ বাজার প্রদক্ষিণ করে আশুগঞ্জ গোলচত্বরে গিয়ে অবস্থান নেয়। সেখানে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করলে উভয় পাশে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, চর সোনারামপুর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ড্রেজারের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে নদীভাঙনের ঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় বসতভিটা, ফসলি জমি ও আশপাশের জনপদ হুমকির মুখে পড়েছে। তারা অবিলম্বে ড্রেজার অপসারণ এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানান।

খবর পেয়ে আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া, আশুগঞ্জ থানা পুলিশ এবং খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করলে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবু তাহের দেওয়ান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার আশ্বাসের পর বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেন এবং যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হয়।

কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালকদের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জে শ্রমিক-চালকদের সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১০
কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি রুহুল কুদ্দুস।

ঢাকার কেরানীগঞ্জে ঘাটারচর এলাকায় স্টেড ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি হারানো ও চালককে মারধরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের ও চালকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে শ্রমিক ও পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল কুদ্দুসসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সোমবার মধ্যরাতে রাতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ঘাটারচর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালেও স্টেড ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের কার্যালয়ের সামনে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করে। বিচার দাবিতে অনেক শ্রমিক কাজে যোগ না দিয়ে সড়কে অবস্থান নেন।

শ্রমিকদের অভিযোগ, সোমবার সন্ধ্যায় স্টেড ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের চালক শাহ আলম একটি গাড়ি নিয়ে ঘাটারচর এলাকা থেকে বের হন। পথে নাশতা করতে গিয়ে গাড়িটি হারিয়ে ফেলেন। পরে তিনি কম্পানির কার্যালয়ে গিয়ে জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে গাড়িটি শনাক্ত করার অনুরোধ করলে প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তা তার কথা বিশ্বাস না করে তাকে মারধর করেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে স্টেড ফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিস প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক ও চালকরা কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা সড়ক অবরোধের চেষ্টা করেন। সেখানে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কয়েকটি যানবাহনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

খবর পেয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার  চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি রুহুল কুদ্দুস, এসআই মামুন, মোহাম্মদ সোহাগ, কনস্টেবল জয়নাল, পথচারী ও শ্রমীকসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

শ্রমিক প্রতিনিধি আনোয়ার ও চালক রুবেল বলেন, ‘চালক শাহ আলমের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার এবং দোষীদের শাস্তির দাবিতে আমরা আন্দোলন করছি। বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনেক শ্রমিক কাজে ফিরবেন না।’

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি রুহুল কুদ্দুস বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করে। এ সময় উত্তেজিত শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায়  আমিসহ এসআই মামুন,সোহাগ ও কনস্টেবল জয়নাল, শ্রমিক ও পথচারী মিলিয়ে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় চালক শাহালমের স্ত্রী ময়না আক্তার বাদী হয়ে ও আটি পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মো. জলিল বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে।’