পাবলিক টয়লেট (গণশৌচাগার) ইজারা নিয়ে ব্যবসা করছিলেন জনৈক আব্দুল কুদ্দুসের পক্ষে শফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই মালিক অন্যত্র ইজারা দেওয়ার কারণে সংক্ষুব্ধ শফিকুল কোনো উপায় না দেখে আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত শুনানি শেষে আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেন। এমন ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বারুইগ্রাম চৌরাস্থা এলাকায়।
স্থানীয় সূত্র ও জারি করা নোটিশ থেকে জানা যায়, নান্দাইল উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের বারুইগ্রামের মো. আব্দুল হেলিমের ছেলে শফিকুল ইসলাম নান্দাইল চৌরাস্থা এলাকায় একটি পাবলিক টয়লেট ইজারা নেন এক বছরের জন্য। এর মধ্যে ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার মাত্র ২৭ দিন আগে তাকে না জানিয়ে অন্য একজনের কাছে গোপনে ইজারা দিয়ে দেয় একই গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে মো. মইনুদ্দিন।
এ অবস্থায় নতুন ইজারা পাওয়া ব্যক্তি শফিকুলকে চলে যেতে বললে ঘটনা প্রকাশ পায়। এ নিয়ে এলাকায় সালিস দরবার হলেও বিষয়টি ফয়সালা না হওয়ায় গত ২৯ মে শফিকুল ইসলাম সংক্ষুব্ধ হয়ে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বারুইগ্রামের মো. তারা মিয়ার ছেলে মো. মইনুদ্দীনকে বিবাদী করে নালিশি আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত সিআরপিসির ধারা মূলে ১৪৪ ধারা জারির নির্দেশ দিয়ে আগামী ১২ আগস্ট উভয় পক্ষকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। এর মধ্যে ওই স্থানে ১৪৪ ধারা বলবত থাকবে। নালিশি ভূমি নিয়ে কোনো পক্ষের দ্বারা আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গ হলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল থানার সহ-উপপরিদর্শক মো. আল আমীন জানান, আদালত থেকে ১৪৪ ধারার নোটিশ পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে নোটিশ হস্তান্তর করে নির্দিষ্ট তারিখে আদালতে হাজির হতে বলেন।




