• ই-পেপার

জাবিতে হলের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা, শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ঢাবিতে বৃক্ষ শুমারি, ২৭৭ প্রজাতির গাছ আছে ১৭ হাজার ১৬১টি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবিতে বৃক্ষ শুমারি, ২৭৭ প্রজাতির গাছ আছে ১৭ হাজার ১৬১টি
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো পরিচালিত সমন্বিত বৃক্ষ শুমারি-২০২৫-এর ফলাফলে দেখা গেছে, ক্যাম্পাসে ৬২টি গোত্রের ২৭৭টি প্রজাতির মোট ১৭ হাজার ১৬১টি বৃক্ষ রয়েছে।  বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের কনফারেন্স কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই শুমারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

আরবরিকালচার সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম সরকার এবং আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির। আরবরিকালচার সেন্টার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ সংসদ এবং বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ইকোলজিক্যাল রিসার্চ ইনিশিয়েটিভের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়।

শুমারি অনুযায়ী, প্রজাতির ভিত্তিতে ৫৮ শতাংশ দেশি এবং ৪২ শতাংশ বিদেশি প্রজাতি শনাক্ত হয়েছে, তবে বৃক্ষ সংখ্যার হিসেবে দেশি-বিদেশি বৃক্ষের অনুপাত যথাক্রমে ৫৪ ও ৪৬ শতাংশ। সর্বাধিক আধিক্যসম্পন্ন ১৫টি প্রজাতির মধ্যে মেহগনি, দেবদারু, ম্যাকারথুরি পাম, রেইনট্রি ও সেগুনসহ পাঁচটি বিদেশি প্রজাতি রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃক্ষসমূহের মোট ভূ-উপরিভাগীয় জীবভর ৯ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন এবং ভূ-নিম্নীয় জীবভর ২ হাজার ৩৭০ মেট্রিক টন, যার মাধ্যমে মোট ৪ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন কার্বন মজুদ রয়েছে।

উপযোগিতার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃক্ষসম্পদের মধ্যে ফলদ বৃক্ষ ২৫ শতাংশ, প্রাণিকূল সহায়ক বৃক্ষ ২২ শতাংশ, ঔষধি বৃক্ষ ২১ শতাংশ, কাঠ উৎপাদনকারী বৃক্ষ ২০ শতাংশ এবং শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ ১২ শতাংশ। স্বাস্থ্য মূল্যায়নে মোট ১ হাজার ৮১১টি বৃক্ষকে বিভিন্ন মাত্রার স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এবং ২ হাজার ২১৩টি বৃক্ষকে সম্ভাব্য বিপর্যয়ের ঝুঁকিতে চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘বৃক্ষ শুমারির মাধ্যমে ক্যাম্পাসের বৃক্ষসম্পদ সম্পর্কে একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ সবুজায়ন ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’ তিনি পরিবেশবান্ধব ও দেশীয় প্রজাতির বৃক্ষরোপণ সম্প্রসারণ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী ঝুঁকিপূর্ণ গাছ চিহ্নিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন।

এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে বুড়িচংয়ে অনুপস্থিত ৬৯ পরীক্ষার্থী

বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে বুড়িচংয়ে অনুপস্থিত ৬৯ পরীক্ষার্থী
ছবি: কালের কণ্ঠ

সারা দেশের মতো কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায়ও শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের পরীক্ষায় উপজেলার আটটি কেন্দ্রে মোট ৬৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। তবে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা অনিয়মের খবর পাওয়া যায়নি।

বুড়িচং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার আটটি কেন্দ্রে একযোগে এইচএসসি, আলিম ও ভোকেশনাল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ২ হাজার ৬৭৩ জন শিক্ষার্থী, আলিম পরীক্ষায় ৩২০ জন এবং ভোকেশনাল পরীক্ষায় ১২৫ জন পরীক্ষার্থী। প্রথম দিনের পরীক্ষায় সব মিলিয়ে ৬৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও বাকিরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও স্বচ্ছ পরিবেশে সম্পন্ন করতে বুড়িচং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর হোসেন ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাবলিহা আনবার নেতৃত্বে প্রশাসনের একাধিক ভ্রাম্যমাণ টিম দিনব্যাপী বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন ও তদারকি করে। কেন্দ্রগুলোতে পরীক্ষার সার্বিক পরিবেশ, শৃঙ্খলা ও সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।

এদিকে পরীক্ষা কেন্দ্র ও এর আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমানের নেতৃত্বে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করেন। কেন্দ্রের বাইরে অপ্রয়োজনীয় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পরীক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে প্রবেশ নিশ্চিত করতে পুলিশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্র জানায়, প্রথম দিনের পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। আগামী পরীক্ষাগুলোও একইভাবে সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রশাসন, শিক্ষা বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকসই শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে ইউজিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিশ্ববিদ্যালয়ে টেকসই শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলছে ইউজিসি
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ জানিয়েছেন, নিজস্ব সক্ষমতার ভিত্তিতে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য টেকসই পেশাগত উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ লক্ষ্যে প্রথম ধাপে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে ‘মাস্টার ট্রেইনার’ হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা আরো প্রশিক্ষক তৈরি করবেন এবং পর্যায়ক্রমে দেশের হাজারও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের দক্ষতা উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন।

বুধবার (১ জুলাই) কক্সবাজারের ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে হায়ার এডুকেশন অ্যাকসেলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত সিনিয়র ফ্যাকাল্টি প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের ‘ট্রেনিং অব ট্রেইনার্স (টিওটি)’ এর প্রথম ব্যাচের সনদ প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন ইউজিসির চেয়ারম্যান।

অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, উচ্চশিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করতে দক্ষ ও দূরদর্শী একাডেমিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার বিকল্প নেই। তার ভাষ্য, এই কর্মসূচি শুধু একটি প্রশিক্ষণের সমাপ্তি নয়; বরং দেশের উচ্চশিক্ষায় একাডেমিক নেতৃত্ব বিকাশের নতুন যাত্রার সূচনা। আজ যারা মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে সনদ পেলেন, তারা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পেশাগত উন্নয়ন, মানসম্মত পাঠদান, গবেষণা নেতৃত্ব, সুশাসন এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবেন।

মামুন আহমেদ বলেন, হিট প্রকল্পের পরবর্তী ধাপে আরো জাতীয় পর্যায়ের প্রশিক্ষক তৈরি করা হবে। মাস্টার ট্রেইনার ও ন্যাশনাল ট্রেইনারদের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষক আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি, মান নিশ্চিতকরণ, গবেষণা নেতৃত্ব, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং শিল্প– একাডেমিয়া সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাবেন।

ইউজিসির চেয়ারম্যান বলেন, বিদেশি সহায়তার ওপর দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরশীল না থেকে দেশেই দক্ষ প্রশিক্ষক তৈরির মাধ্যমে একটি স্বনির্ভর শিক্ষক উন্নয়ন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের সক্ষমতা দিয়েই ভবিষ্যতের নেতৃত্ব তৈরি করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস, হিট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান, অ্যাডভান্স এইচইর পরামর্শক ড. বেন ব্রাবন, দেশীয় পরামর্শক, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন মাস্টার ট্রেইনার এবং হিট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দশ দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে কৌশলগত সুশাসন, মান নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিকীকরণ, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিক্ষাদান ও মূল্যায়ন, গবেষণা নেতৃত্ব এবং শিল্প– একাডেমিয়া সহযোগিতাসহ উচ্চশিক্ষার ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

শেরপুরে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২১৯ পরীক্ষার্থী

শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুরে এইচএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ২১৯ পরীক্ষার্থী
কড়া নিরাপত্তায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশ করানো হচ্ছে। বৃহস্পতিবার শেরপুর সরকারি কলেজ কেন্দ্রের সামনে থেকে তোলা। ছবি : কালের কণ্ঠ।

শেরপুরে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরুর প্রথমদিনে কোনো পরীক্ষার্থী বহিষ্কারের ঘটনা না ঘটলেও অনুপস্থিত ছিলেন ২১৯ পরীক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জেলার ২৭টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, জেলায় এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ হাজার ৭৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। তন্মধ্যে বৃহস্পতিবার প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ২০৬ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে ৭ হাজার ৯৮৭ জন এবং অনুপস্থিত ছিল ২১৯ জন।

ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ১২টি কেন্দ্রে এবার মোট এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৮ হাজার ২২৯ জন। তন্মধ্যে প্রথমদিন বাংলা পরীক্ষায় ৫ হাজার ৮৫৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ১১১ জন।

বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ৫টি কেন্দ্রে এবার আলিম পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৮৯৩ জন। তন্মধ্যে প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষায় ৭৬১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৪০ জন।  

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ১০টি কেন্দ্রে এবার এইচএসসি (ভোকেশনাল) ও এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ৩ হাজার ৯৫৩ জন। তন্মধ্যে প্রথম দিন বাংলা পরীক্ষায় এক হাজার ৬২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ৬৮ জন। তবে ২টি কেন্দ্রে এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ৯২ জন পরীক্ষার্থীর সবাই পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। কিন্তু ৮টি কেন্দ্রের এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার এক হাজার ৫৩৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৬৮ জন।

 জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজুয়ান বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদ পরিবেশে এবং কঠোর নিরাপত্তায় এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নকলমুক্ত পরীক্ষার জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে কঠোর তল্লাশি ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পরীক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করানো হয়েছে। প্রথম দিনে পরীক্ষায় কোনো বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি। তবে অনুপস্থিত ছিল ২১৯ পরীক্ষার্থী।’

তিনি জানান, জেলায় ৩টি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় এবার মোট ১৩ হাজার ৭৫ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে। প্রথম দিনের আবশ্যিক বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৮ হাজার ২০৬ জন। তন্মধ্যে অংশ নিয়েছে ৭ হাজার ৯৮৭ জন।

প্রথম দিনের পরীক্ষার্থী ও মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তারতম্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, কেউ কেউ হয়তো এক/দুই বিষয়ে আগের বারের অনুত্তীর্ণ ছিল, তারা ওই এক/দুই বিষয়ের পরীক্ষায় এবার অংশগ্রহণ করবে। তাদের অনেকের হয়তো আজকের পরীক্ষা ছিল না।