• ই-পেপার

কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থীদের চাকরির সুখবর দিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মানিক

অনলাইন ডেস্ক
মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মানিক

রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে গভর্নিং বডি গঠন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সাংবাদিক হামিদুল হক মানিককে সভাপতি করে ৮ সদস্যের এই গভর্নিং বডি গঠন করা হয়।

মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকার মিরপুরের মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের বর্তমান অ্যাডহক কমিটি বিলুপ্ত করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি) গঠন প্রবিধানমালা-২০২৪-এর ৬৭ ধারা অনুযায়ী তাকে (হামিদুল হক মানিক) এ নিয়োগ দেওয়া হয়।

পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলো : সদস্য পরিচালক, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর, উপসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-৩), মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, পরিচালক (মাধ্যমিক)/মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, পরিদর্শক (বিদ্যালয়)/চেয়ারম্যান, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার প্রতিনিধি, শামীমা আহমেদ (শিক্ষক প্রতিনিধি), মো. শাকিল মোল্লা (অভিভাবক প্রতিনিধি), মো. সিরাজুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, উল্লেখিত কমিটির মেয়াদ দায়িত্ব গ্রহণের সময় থেকে ২ বছর কার্যকর থাকবে।

সাংবাদিকদের ওপর জামায়াতের হামলার ঘটনায় ঢাবি সাংবাদিক সমিতির নিন্দা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
সাংবাদিকদের ওপর জামায়াতের হামলার ঘটনায় ঢাবি সাংবাদিক সমিতির নিন্দা

রাজধানীর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা)। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৩ জুন) ডুজার সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহী ও সাধারণ সম্পাদক মাহাথী হাসান স্বাক্ষরিত এক যৌথ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে এবং মুক্ত সাংবাদিকতার পথ সংকুচিত করতেই এ ধরনের হামলা চালানো হয়েছে। একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর এমন ন্যক্কারজনক ও হিংস্র আক্রমণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি মুক্ত গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি আঘাত।

ডুজা নেতৃবৃন্দ জানান, সোমবার সকালে ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর এলাকায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ধানমণ্ডি জোনের একটি বিক্ষোভ মিছিল শেষে ব্রিফিং চলাকালে পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হন কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় হামলায় দৈনিক সকালের রিপোর্টার মাহমুদুর রহমান শিশির আহত হন।

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের বর্বরোচিত হামলা স্বাধীন ও নির্ভীক সাংবাদিকতার প্রধান অন্তরায় এবং চরম উদ্বেগজনক। অতীতে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় অপরাধীরা বারবার উৎসাহিত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তারা।

ডুজা নেতারা ঘটনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের আহ্বান জানিয়ে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনরত সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তাই দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি আহত সাংবাদিকের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করারও দাবি জানান তারা।

৫ দিন ধরে নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থী, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি

জবি প্রতিনিধি
৫ দিন ধরে নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থী, সন্ধান চেয়ে পরিবারের আকুতি
নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। সংগৃহীত ছবি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম পাঁচ দিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তার সন্ধান না পাওয়ায় পরিবার, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

পরিবার সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সর্বশেষ মুঠোফোনে কথা বলেন সিরাজুল ইসলাম। এরপর থেকে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়ায় তার সঙ্গে আর কোনো ধরনের যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।

সহপাঠীরা জানান, নিখোঁজ হওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কয়েকজন তাকে দেখেছিলেন। তবে এরপর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। তারা জানান, শেষবার তাকে কিছুটা মানসিক চাপে ও বিষণ্ন অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।

এদিকে সিরাজুল ইসলামের সন্ধানে পরিবার ও বন্ধুরা বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তার সন্ধান চেয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে।

পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কোনো সহৃদয় ব্যক্তি যদি সিরাজুল ইসলামের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য জানেন বা তাকে কোথাও দেখে থাকেন, তাহলে তার পিতার মোবাইল নম্বরে (০১৭১২০৭১১১৭) যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

নিখোঁজ শিক্ষার্থীর দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তন কামনা করেছেন তার পরিবার, সহপাঠী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

শিক্ষকদের নিজেদের সম্মান অর্জন করে নিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষকদের নিজেদের সম্মান অর্জন করে নিতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই আগামী প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষকদের মাঝে স্বতঃপ্রণোদনা থাকতে হবে। শিক্ষকদের নিজেদের সম্মান অর্জন করে নিতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতেই হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় অপচয় না হয়। ইতিমধ্যে আমরা ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন দিয়ে দিয়েছি, যাতে তারা যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে। এরপর থেকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়াও সমন্বয় করব। শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ বছরের কোর্স ৪ বছরের মধ্যেই শেষ করতে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, এখন পরীক্ষায় নকলের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। অনেকে ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে নকল করার চেষ্টা করে। তাই এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিবদের সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণের মাধ্যমে দেশের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব। সারা দেশের মতো পার্বত্য অঞ্চলেও শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করতে হবে।

এ সময় চট্টগ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।