• ই-পেপার

বিদেশে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক মিশনগুলোর কার্যক্রম জোরদারে গুরুত্বারোপ

নতুন অর্থবছর থেকে সরকারি অর্থ জমায় এ-চালান বাধ্যতামূলক

অনলাইন ডেস্ক
নতুন অর্থবছর থেকে সরকারি অর্থ জমায় এ-চালান বাধ্যতামূলক
সংগৃহীত ছবি

সরকারি রাজস্ব ও বিভিন্ন সেবার বিপরীতে সরকারের পাওনা অর্থ জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আগামীকাল বুধবার থেকে ‘এ-চালান’ বা অটোমেটেড চালান ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। সরকারি অর্থ সংগ্রহে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা, রাজস্ব তাৎক্ষণিকভাবে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) জমা নিশ্চিত করা এবং ম্যানুয়াল চালান ব্যবস্থা পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার অর্থ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন অর্থবছর ২০২৬-২৭ থেকে সরকারি রাজস্ব ও অন্যান্য সব ধরনের সরকারি প্রাপ্তি এ-চালানের মাধ্যমেই জমা দিতে হবে। কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা অধীনস্থ দপ্তর এ-চালানের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারি অর্থ সংগ্রহ বা জমা দিতে পারবে না।

দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যার সমাধানে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর অঞ্চল ও কাস্টম হাউজগুলোতে অর্থবছরের শেষ দিকে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ বা বেশি প্রবৃদ্ধি দেখানোর জন্য অতিরিক্ত অর্থ জমা নেওয়ার অভিযোগ ছিল। এনবিআরের হিসাবে এসব অর্থ রাজস্ব হিসেবে দেখানো হলেও তাৎক্ষণিকভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস বা ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে (টিএসএ) প্রতিফলিত হতো না। 

প্রতিবছরই এসব কারণে এনবিআরের প্রকাশিত রাজস্ব আদায়ের তথ্য এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের হিসাবের মধ্যে গরমিল দেখা দিত। এনবিআর বেশি রাজস্ব আদায়ের তথ্য প্রকাশ করলেও সরকারের কেন্দ্রীয় হিসাব ব্যবস্থায় সেই অর্থ কম দেখা যেত। এতে সরকারি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও ব্যয় পরিকল্পনায় জটিলতা তৈরি হতো।

তবে বিদায়ি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ব্যক্তি শ্রেণির আয়কর রিটার্ন অনলাইনে বাধ্যতামূলক করা এবং বিভিন্ন কর-সংক্রান্ত সেবা ডিজিটাল হওয়ায় এ-চালানের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমানে এনবিআর সরকারি কোষাগারে প্রকৃত জমার তথ্যই রাজস্ব আদায়ের পরিসংখ্যানে প্রকাশ করছে। ফলে এনবিআরে এ-চালানের ব্যবহার নিশ্চিত হলেও অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে এর ব্যবহার এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

নতুন ব্যবস্থার ফলে সরকার তাৎক্ষণিকভাবে রাজস্ব জমার তথ্য পাবে এবং সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা আরো কার্যকর হবে বলে মনে করছে অর্থ বিভাগ।

নতুন নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, সরকারি অর্থ সংগ্রহের জন্য বর্তমানে কোনো পৃথক ব্যবস্থা চালু থাকলে তা বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক ব্যাংকের বিভিন্ন হিসাবে সংরক্ষিত সরকারি অর্থ ৩০ জুনের মধ্যে এ-চালানের মাধ্যমে ট্রেজারি সিঙ্গেল অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ-চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে ৪ লাখ ৭ হাজার ২২৫ কোটি ৯৪ লাখ টাকা জমা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি। একই সময়ে ৬ কোটি ৭৫ লাখ চালান প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৭১ দশমিক ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ই-চালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সব তফসিলি ব্যাংকের শাখা কাউন্টার, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড, পাশাপাশি বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ও ট্যাপসহ বিভিন্ন মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে সরকারি রাজস্ব ও সেবা ফি পরিশোধ করা যাচ্ছে।

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে : গভর্নর

অনলাইন ডেস্ক
ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে : গভর্নর

তারল্য সহায়তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে ইসলামী ব্যাংককে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের ঘোষিত মুদ্রানীতি অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এ তথ্য জানান।

গভর্নর বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংকগুলোকে ১৭ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়।’

এদিকে আজ বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি কমিয়ে ও নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি (মনিটারি পলিসি স্টেটমেন্ট বা এমপিএস) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির লক্ষ্য, আগামী ছয় মাসে ৬.৮ শতাংশ হারে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ বাড়বে।

অন্যদিকে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য মতে, গত মে মাসে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ শতাংশ। কিন্তু জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত চলমান ষাণ্মাসিকে সাড়ে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই লক্ষ্য কোনো মাসেই অর্জিত হয়নি। এবার আগামী ছয় মাসের জন্য নির্ধারিত ৬.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। কারণ নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঋণের উচ্চ সুদহার বজায় রেখেই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ ও বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে, তার একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

 

বেসরকারি ঋণের লক্ষ্য কমিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
বেসরকারি ঋণের লক্ষ্য কমিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা
সংগৃহীত ছবি

বেসরকারি ঋণ প্রবৃদ্ধি কমিয়ে ও নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি (মনিটারি পলিসি স্টেটমেন্ট বা এমপিএস) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নিয়ন্ত্রক সংস্থাটির লক্ষ্য, আগামী ছয় মাসে ৬.৮ শতাংশ হারে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ বাড়বে। অন্যদিকে ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন। এটি বর্তমান বিএনপি সরকার এবং গভর্নরের প্রথম মুদ্রানীতি। মুদ্রানীতির বিস্তারিত তুলে ধরেন ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্য মতে, গত মে মাসে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৫ শতাংশ। কিন্তু জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত চলমান সান্মাষিকে সাড়ে ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সেই লক্ষ্য কোনো মাসেই অর্জিত হয়নি। এবার আগামী ছয় মাসের জন্য নির্ধারিত ৬.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। কারণ নীতি সুদহার ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। অর্থাৎ ঋণের উচ্চ সুদহার বজায় রেখেই প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও কাঙ্ক্ষিত প্রবৃদ্ধি অর্জনের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও প্রকাশ করে কেন্দ্রী ব্যাংক। দেশের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় মুদ্রানীতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ ঋণ, মুদ্রা সরবরাহ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ ও বৈদেশিক সম্পদ কতটুকু বাড়বে বা কমবে, তার একটি পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বছরে দুইবার (জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের জন্য) মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক একদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়, অন্যদিকে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও বিনিয়োগ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও নজর দেয়। এমন পরিস্থিতিতে নীতিগত সুদহার অপরিবর্তিত রেখে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের (জুলাই-ডিসেম্বর) জন্য নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গত ১১ জুন জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটে আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার পাশাপাশি ৬ দশমিক ৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

সরকারের লক্ষ্যের সঙ্গে সংগতি রেখে নতুন অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য ঠিক করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। যদিও এখন মূল্যস্ফীতি লক্ষ্যের চেয়ে প্রায় দুই শতাংশ বেশি রয়েছে।

গত মে মাসে দেশের সাধারণ পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪২ শতাংশ। এর মধ্যে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ এবং খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সাময়িক হিসাবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ১৪ শতাংশ।

এদিকে চলতি অর্থবছরের মুদ্রানীতিতে আন্তঃব্যাংক ধার নেওয়ার ক্ষেত্রে নীতি সুদহার স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ করা হয়েছে। ব্যাংকগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে টাকা রাখার ক্ষেত্রে এ সুদহার প্রযোজ্য হয়। নতুন মুদ্রানীতিতে এটি অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

প্রশ্নোত্তর পর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘আমরা একদিকে যেমন নীতি সুদহার ১০ শতাংশ স্থির রেখেছি, অন্যদিকে ব্যাংকের আমানত ও ঋণের সুদহারের ব্যবধান কমিয়ে ৪ শতাংশের মধ্যে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং ব্যাংকগুলো চাইলেও আর বেশি সুদে ঋণ বিতরণ করতে পারবে না। তাছাড়া ৬০ হাজার কোটি টাকার স্টিমুলাস প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এই টাকাগুলো গ্রামীণ অঞ্চল থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছালে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থানও বাড়বে। আর এ কারণেই জাতীয় প্রবৃদ্ধিও বাড়বে, আবার মূল্যস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

খেলাপি ঋণ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মোট তিন স্তরে ১৮ মাসের একটি এনপিএল প্ল্যান নিয়েছি। এর মধ্যে প্রথম ছয় মাসে এক্সিট প্ল্যান, দ্বিতীয় ছয় মাসে অর্থঋণ আদালত আইন এবং তৃতীয় স্তরে ডিসট্রেসড অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট বাস্তবায়ন করতে চাই। এর ফলে দেশের খেলাপি ঋণ কমে আসবে। শুধু কমে আসবে না, ব্যাংক খাতে একটা বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বাজার ব্যবস্থাপনা খারাপ হলে শুধু মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহ চ্যানেল ঠিক রাখার দায়িত্ব সরকারের। তারা যদি ওইগুলো ঠিক রাখতে পারে, তাহলে মূল্যস্ফীতি দ্রুত কমবে। যেহেতু ওগুলো আমাদের হাতে নেই, তাই আমরা আমাদের অস্ত্র ব্যবহার করছি নীতি সুদহার উচ্চ রেখে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর নিয়োগ
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন ডেপুটি গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সরোয়ার হোসেন। যিনি বর্তমানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। তাকে বর্তমান পদ থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ এবং অবসর-উত্তর ছুটি (পিআরএল) স্থগিতের শর্তে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৩০ জুন) অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কেন্দ্রীয় ব্যাংক শাখা থেকে এসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। 

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১০(৪) অনুযায়ী মো. সরোয়ার হোসেনকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর পদে যোগদানের তারিখ থেকে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার নিয়োগের অন্যান্য শর্ত পৃথক চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।’ 

জনস্বার্থে জারি করা এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।