• ই-পেপার

হাদিসের আলো

সবল মুমিন আল্লাহর অধিক প্রিয়

কোরআন থেকে শিক্ষা

পর্ব-১১৬০

কোরআন থেকে শিক্ষা

আয়াতের অর্থ

স্মরণ করো, আমি তোমার প্রতি আকৃষ্ট করেছিলাম একদল জিনকে, যারা কোরআন পাঠ শুনছিল। যখন তারা তার কাছে উপস্থিত হলো, তারা বলল, চুপ করে শ্রবণ করো। যখন কোরআন পাঠ শেষ হলো তারা তাদের সম্প্রদায়ের কাছে ফিরে গেল সতর্ককারীরূপে।...সে পৃথিবীতে আল্লাহর অভিপ্রায় ব্যর্থ করতে পারবে না এবং আল্লাহ ছাড়া তাদের কোনো সাহায্যকারী থাকবে না। তারাই সুস্পষ্ট বিভ্রান্তিতে আছে। (সুরা : আহকাফ, আয়াত : ২৯-৩২)

আয়াতগুলোতে জিনদের ইসলাম গ্রহণের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে।

শিক্ষা ও বিধান

১. তায়েফ থেকে ফেরার পথে বাতনে নাখলাহ নামক স্থানে জিনদের একটি দল নবীজি (সা.)-এর তিলাওয়াত শ্রবণ করেছিল। এই দলে সাত থেকে ৯ জন জিন ছিল।

২. চাচা আবু তালিবের মৃত্যু এবং তায়েফবাসীর প্রত্যাখ্যানে মর্মাহত নবী (সা.)-কে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য আল্লাহ জিনদের সঙ্গে তাঁর সাক্ষাৎ ঘটিয়েছিলেন।

৩. জিনরা বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন আকৃতিতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর অবস্থানস্থলের আশপাশে উপস্থিত হতো। যেমন একবার আয়েশা (রা.)-এর ঘরে সাপের আকৃতিতে জিন এসেছিল।

৪. ইসলাম গ্রহণ করার পর রাসুলুল্লাহ (সা.) জিনদের ভেতর দ্বিন প্রচারের জন্য তাদের একজনকে প্রতিনিধি নিযুক্ত করেন।

৫. জিনরা পূর্ববর্তী নবীদের ওপরও ঈমান এনেছিল। বলা হয়, নবীজি (সা.)-এর হাতে ইসলাম গ্রহণকারী জিনরা ইহুদি ছিল। (তাফসিরে কুরতুবি : ১৯/২২৪)

প্রশ্ন-উত্তর

সমাধান : ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা

প্রশ্ন-উত্তর

পাঁচ বছর স্ত্রীর সঙ্গে দেখা না হলে করণীয়

প্রশ্ন : আমি দ্বিতীয় বিয়ে করায় আমার প্রথম স্ত্রী রাগ করে তার বাবার বাড়ি চলে যায়। আমিও রাগ করে তাকে আনতে যাইনিএ অবস্থায় দীর্ঘ পাঁচ বছর অতিবাহিত হয়ে যায়। সে আমার খোঁজখবর নেয়নি, তাই আমিও তার খোঁজখবর নিইনি। এখন দীর্ঘ পাঁচ বছর পর সে  আবার আমার সংসারে আসতে চায়, আমিও তাকে আনতে চাই। এখন আমার প্রশ্ন হলো, ইসলামের দৃষ্টিতে তার সুযোগ আছে কি?

তারেক, নারায়ণগঞ্জ

উত্তর : স্ত্রীকে কোনোভাবে তালাক না দিয়ে থাকলে পাঁচ বছর একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় বিবাহের মধ্যে কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলবে না। তাই বৈবাহিক সম্পর্ক বহাল থাকায় আপনারা আগের মতো ঘরসংসার করতে পারবেন।

(সুরা : নিসা, আয়াত : ৩৪, তাফসিরে কুরতুবি : ৫/১১৩, রদ্দুল, মুহতার : ৩/২২৬)

ভারতবর্ষে মুসলিম আগমনের সুফল

আতাউর রহমান খসরু
ভারতবর্ষে মুসলিম আগমনের সুফল

ইসলাম আগমনের বহু আগে থেকে ভারতবর্ষের সঙ্গে আরব অঞ্চলের বহু মাত্রিক যোগাযোগ ছিল। ঐতিহাসিকদের বিবরণে প্রাচীনকালে ভারতবর্ষ ও আরব অঞ্চলের বাণিজ্যিক সম্পর্কের বর্ণনাই প্রধানত উঠে আসে। কিন্তু আরবের সঙ্গে ভারতবর্ষের রক্তের সম্পর্কও সুপ্রাচীন। মহানবী (সা.)-এর আগমনের বহু বছর আগ থেকে আরবের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়, বিশেষ করে বাহরাইন, বসরা, মক্কা ও মদিনায়। ভারতবর্ষের জাট, মেদ, সিয়াবচা, আহামিরা, বায়াসারাহ ও ঠাকুরি গোত্রের লোকেরা এসব শহরে বসবাস করত। ১০ হিজরিতে নাজরানের বনু হারিসা বিন কাআবের একদল মুসলমান নবীজি (সা.)-এর দরবারে উপস্থিত হলে তিনি তাদের দেখে বলেন, এরা কারা? দেখে তো হিন্দুস্তানি মনে হয়।

(তারিখে তাবারি : ৩/১৫৬)

এটা সুপ্রসিদ্ধ যে ভারতবর্ষে রাজনৈতিকভাবে ইসলামের আগমন ঘটেছিল সিন্ধু অঞ্চলে। সেটা ৯৩ হিজরির কথা। এর বহু বছর আগে উমর (রা.)-এর শাসন আমলে (১৫ হিজরি) মালাবার ও সরনদ্বীপে (শ্রীলঙ্কা) ইসলামের সুবাস ছড়াতে শুরু করে। সেই ধারাবাহিকতায় উমাইয়া আমল পর্যন্ত আরবের বহু বুজুর্গ ও দরবেশ দক্ষিণ ভারতে তাওহিদের বাণী প্রচার করতে আগমন করেন। ভারতবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করতে থাকে। শুধু সাধারণ মানুষ নয়, বরং ইসলামের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে অনেক শাসক ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিও ইসলাম গ্রহণ করেছিল। তাদের ভেতর মালাবারের রাজা অন্যতম। (আয়নায়ে হাকিকত নামা, পৃষ্ঠা : ৭১-৭২)

মুসলমানের আগমন, তাদের অবস্থান, মুসলিম বিজয় ভারতবর্ষের জন্য ছিল স্রষ্টার আশীর্বাদ। তারা ভারতবাসীর জন্য ঈমান, ইসলাম ও সভ্যতার আলো নিয়ে এসেছিল। ভারতীয় সমাজব্যবস্থায় মুসলিম আগমনের প্রভাব ছিল অভাবনীয়। আল্লামা শিবলি নোমানি (রহ.) এ বিষয়ে লেখেন, ভিনদেশি কর্তৃক কোনো দেশ বা অঞ্চল জয় করা অন্যায় নয়। সেটি হলে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিজেতা সবচেয়ে বড় অন্যায়কারী হতেন। দেখার বিষয় হলো, বিজয়ী জাতি দেশের সভ্যতা ও সংস্কৃতিতে কী অবদান রেখেছেন। যুদ্ধের জয় বিবেচনা করলে চেঙ্গিস খান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিজেতা। কিন্তু তাঁর উপাখ্যানের প্রতিটি হরফ রক্তে রঞ্জিত। বিপরীতে যখন কোনো সভ্য জাতি কোনো দেশ বা অঞ্চল জয় করে তখন সেখানের সমাজ, সভ্যতা ও সংস্কৃতি মুহূর্তের মধ্যে পাল্টে যায়। যোগাযোগ মাধ্যমে, জীবন-জীবিকা, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছদ, ঘরবাড়ি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ব্যবসার উপকরণ, শিল্প ও পেশাসবকিছুতে নতুনত্ব চোখে পড়ে। বিজিত জাতি যদিও বিজয়ীদের কৃতিত্ব অস্বীকার করে, তবু ঘরবাড়ি ও দেয়ালগুলো শত শত বছর ধরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে থাকে। (ইসলামী হুকুমত আওয়ার হিন্দুস্তান মে উসকা তামাদ্দুনি আসর, পৃষ্ঠা : ১-২)

ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত মুসলিম শাসনের ধারাবাহিকতা ছিল এবং তা ছিল আঞ্চলিক। ফলে এই সময়ে ইসলাম ভারতীয় সমাজে গভীর প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এখানে ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির বড় অভাব ছিল। ভারতে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন সম্রাট জহির উদ্দিন বাবর। ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে ভারত জয় করেন। ভারতে এসে তিনি এখানকার সামাজিক অবস্থা দেখে বিস্মিত হন। ভারতবাসীদের জীবনযাত্রা ও সভ্যতা তাঁর কাছে অত্যন্ত পশ্চাৎপদ বলে মনে হয়। বাবরের বর্ণনায় তৎকালীন ভারতের অবস্থা ছিল নিম্নরূপ—‘ভারতে ভালো ঘোড়া নেই, উত্কৃষ্ট মাংস নেই, আঙুর নেই, তরমুজ নেই, বরফ নেই, ঠাণ্ডা পানি নেই, গোসলখানা নেই, মাদরাসা নেই, মোমবাতি নেই, এমন কোনো আলোর ব্যবস্থা নেই, যা সর্বত্র কাজে লাগতে পারে; মশাল নেই, মোমবাতির স্ট্যান্ড নেই। আরো বলছেন, বাগান ও অট্টালিকাগুলোতে প্রবহমান পানির ব্যবস্থা নেই। ভবনগুলোতে না আছে পরিচ্ছন্নতা, না আছে সুষম পরিকল্পনা, না উপযুক্ত বায়ুপ্রবাহ, না আছে স্থাপত্যগত সামঞ্জস্য। সাধারণ মানুষ খালি পায়ে শুধু লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়ায়। নারীরাও লুঙ্গি ব্যবহার করে, যার এক অংশ কোমরে পেঁচিয়ে রাখে এবং অপর অংশ মাথার ওপর ফেলে দেয়। (ইসলামী হুকুমত অওর হিন্দুস্তান মে উসকা তামাদ্দুনি আসার, পৃষ্ঠা : ২-৩)

মুসলিম শাসকরা ভারতকে শুধু বিজিত ভূখণ্ড হিসেবে দেখেননি; বরং নিজেদের মাতৃভূমি হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। তাঁরা দেশটির উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন ও সমৃদ্ধির জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালান। এ সম্পর্কে সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী (রহ.) লেখেন, মুসলমানরা যদিও বিজয়ীর মর্যাদায় ভারতে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু তারা বিদেশি শাসকদের মতো এটিকে শুধু বাণিজ্যের বাজার বা সম্পদ আহরণের ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করেনি, বরং তারা এটিকে নিজের দেশ হিসেবে গ্রহণ করেছিল। এখানে বসবাস করেছে, এখানেই জীবন কাটিয়েছে এবং মৃত্যুর পরও এ দেশের মাটিতেই সমাহিত হয়েছে। এ কারণে তারা শাসন ও রাজনীতি, জ্ঞান ও শিল্প, কারিগরি ও হস্তশিল্প, কৃষি ও বাণিজ্য, সভ্যতা ও সামাজিক জীবনপ্রতিটি ক্ষেত্রে ভারতের উন্নয়নে অবদান রেখেছে এবং প্রকৃত অর্থে ভারতকে স্বর্গসম দেশে পরিণত করেছে।

(ভারতীয় সভ্যতা-সংস্কৃতিতে মুসলিম অবদান, পৃষ্ঠা : ১)

ভারতে মুসলিম শাসকদের অবদান অনেক অমুসলিমও স্বীকার করেছেন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতা ও সাবেক কংগ্রেস সভাপতি বি পট্টাভি সীমারামাইয়া বলেছেন, মুসলমানরা আমাদের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে এবং আমাদের প্রশাসনিক কাঠামোকে সুদৃঢ় করেছে। তারা দেশের দূরবর্তী অঞ্চলগুলোর মধ্যে যোগাযোগ ও নৈকট্য সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে। ভারতের সাহিত্য ও সামষ্টিক জীবনে তাদের প্রভাব অত্যন্ত গভীরভাবে বিদ্যমান।

(হিন্দুস্তানি মুসলমান, পৃষ্ঠা : ৩০)

ভারতবর্ষে মুসলিম শাসনের সুফল তুলে ধরতে হলে সুদীর্ঘ আলোচনা প্রয়োজন, যা এখানে সম্ভব নয়।

 

অজ্ঞতা ঈমানি দুর্বলতার অন্যতম কারণ

হাফেজ আব্দুল মতীন
অজ্ঞতা ঈমানি দুর্বলতার অন্যতম কারণ

ইলম যেমন ঈমান বৃদ্ধি করে, অজ্ঞতা তেমনি ঈমান হ্রাস করে। মানুষ যত বেশি কল্যাণকর বিদ্যা অর্জন করবে, তার ঈমান তত বেশি বাড়বে।

অজ্ঞতার কারণে আজকে বিশ্বে মানুষের এত অধঃপতন। কেননা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আল্লাহ সম্পর্কে জানা। এ জন্য ঈমান ও আল্লাহর একত্ববাদ বুঝতে হবে। কারণ তাওহিদ বা আল্লাহর একত্ববাদ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান না থাকার কারণে আজকে বহু মানুষ বিভিন্ন ধরনের শিরকে লিপ্ত হচ্ছে। কবর পূজাকে বড় ইবাদত মনে করছে। কবরে রুকু-সিজদা, জবেহ, কোরবানি, মানত, দোয়া, সাহায্য প্রার্থনা, বরকত চাওয়া প্রভৃতি শিরকি আমল করছে, যা মানুষকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়। তা ছাড়া বিদআতি কর্মের তো শেষ নেই। আর অজ্ঞতাই হচ্ছে পাপে পতিত হওয়ার সর্ববৃহৎ কারণ। মহান আল্লাহ বলেন, আমি সাগর পার করে দিয়েছি বনি ইসরাঈলকে। তখন তারা এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে গিয়ে পৌঁছল, যারা নিজ হাতে নির্মিত মূর্তিপূজায় নিয়োজিত ছিল। তারা বলতে লাগল, হে মুসা! আমাদের উপাসনার জন্যও তাদের মূর্তির মতোই একটি মূর্তি নির্মাণ করে দিন। তিনি বললেন, তোমরা বড়ই অজ্ঞ সম্প্রদায়।

(সুরা : আরাফ, আয়াত : ৭/১৩৮)

অন্যত্র আল্লাহ বলেন, স্মরণ করো লুতের কথা, তিনি তাঁর জাতিকে বলেছিলেন, তোমরা কেন অশ্লীল কাজ করছ, অথচ এর পরিণতির কথা তোমরা অবগত আছ? তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীদের ছেড়ে পুরুষে উপগত হবে? তোমরা তো এক অজ্ঞ সম্প্রদায়।

(সুরা : নামল, আয়াত : ২৭/৫৪-৫৫)

মহান আল্লাহ তাঁর নবীকে বলেন, বলে দাও, হে মূর্খরা! তোমরা কি আমাকে আল্লাহ ছাড়া অন্যের ইবাদত করতে আদেশ করছ?

(সুরা : ঝুমার, আয়াত : ৩৯/৬৪)

এভাবে যে আল্লাহর বিরুদ্ধাচরণ করবে এবং পাপ কাজ করবে সে মূর্খ। তার এ অজ্ঞতা ও মূর্খতাবশত কর্মকাণ্ডের জন্য অনুতপ্ত হয়ে মহান আল্লাহর দরবারে বিনীতভাবে তাওবা করতে হবে। মহান আল্লাহ বলেন, অবশ্যই আল্লাহ তাদের তাওবা কবুল করবেন, যারা ভুলবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তাওবা করে। এরাই হলো সেসব লোক, যাদের আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী, রহস্যবিদ।

(সুরা : নিসা, আয়াত : ৪/১৭)

মহান আল্লাহ আরো বলেন, অনন্তর যারা অজ্ঞতাবশত মন্দ কাজ করে, অতঃপর তাওবা করে এবং নিজেকে সংশোধন করে নেয়, আপনার পালনকর্তা এসবের পরে তাদের জন্যে অবশ্যই ক্ষমাশীল, দয়ালু।

(সুরা : নাহল, আয়াত : ১৬/১১৯)

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সাহাবিরা ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে যত ধরনের পাপ কাজ করা হয় তা (শরিয়তের সঠিক জ্ঞান থেকে) অজ্ঞ থাকার কারণেই সংঘটিত হয়। সেটি ইচ্ছাকৃত হোক অথবা অনিচ্ছাকৃত হোক।

(তাফসির ইবনে কাসির : ২/২৬২)