যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের বাইরে গত বৃহস্পতিবার এক ব্যক্তি নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন। পরে দগ্ধ হয়ে মারা যান তিনি। স্থানীয় পুলিশ বিভাগ এ তথ্য দিয়েছে। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ বলেছে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৩২ মিনিটের দিকে তাদের কাছে একটি ফোনকল আসে। জানানো হয়, ফার্স্ট অ্যাভিনিউ ও ৪২তম হিস্ট্রটের সংযোগস্থলে এক ব্যক্তি শরীরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। পরে বেলভিউ হাসপাতালে নেওয়ার পর সেখানকার কর্তৃপক্ষ তাঁকে মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে। তবে
কী কারণে লোকটি গায়ে আগুন
দিয়েছেন, সে ব্যাপারে কিছু বলেনি পুলিশ। সূত্র : নিউইয়র্ক টাইমস
পাকিস্তানে বাস খাদে পড়ে নিহত ৪০
জাতিসংঘ সদর দপ্তরের বাইরে আত্মাহুতি

৬.২ মাত্রার ভূকম্পনে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া। শুক্রবার সকালে দেশটির পূর্ব উপকূলের কাছে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৬.২। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৩১ মিনিটে ভূকম্পনটি অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১২০ কিলোমিটার গভীরে। এর কেন্দ্র ছিল উত্তর মালুকু প্রদেশের তোবেলো শহর থেকে প্রায় ৫৮ কিলোমিটার পশ্চিমে। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, এই ভূমিকম্পের পর সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। সূত্র : বিবিসি
সংক্ষিপ্ত
লেবাননে লক্ষাধিক শিশুর শিক্ষাজীবন ঝুঁকিতে

সাম্প্রতিক লেবাননে ইসরায়েলের সঙ্গে হিজবুল্লাহর সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শ্রেণিকক্ষগুলো জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা না হলে দেশটিতে এক লাখের বেশি শিশু চলতি বছর স্কুলে যাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে পারে। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ এই সতর্কবার্তা দিয়েছে। লেবাননের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং ইউনিসেফের যৌথ সহায়তায় গত জুনে পরিচালিত এক দেশব্যাপী জরিপে দেখা গেছে, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সাম্প্রতিক সংঘাতে দেশটির ৩৪০টি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি স্কুল পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, আগামী সেপ্টেম্বর মাস থেকে লেবাননে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে যাচ্ছে। ইউনিসেফ জানিয়েছে, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মধ্যে রয়েছে নাবাতিয়েহ, দক্ষিণ লেবানন, বেকা, বালবেক-হারমেল, বৈরুত এবং মাউন্ট লেবানন। সূত্র : আল জাজিরা
মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্যে প্রাণে বাঁচেন আরাগচি-গালিবাফ

গত এপ্রিলে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে হত্যার চক্রান্ত করেছিল ইসরায়েল। তবে ইসরায়েলের সেই স্বপ্ন পূরণ হতে দেননি কিছু মার্কিন কর্মকর্তা। তাঁরা এই চক্রান্তের বিষয়ে ইরানকে আগেভাগেই জানিয়ে দেন।
এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে ইসরায়েল হত্যা করলে আলোচনা ব্যর্থ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যুক্তরাষ্ট্র এমনটি করেছিল।
মার্কিন কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, ইসরায়েলের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের কট্টরপন্থী সরকারকে উত্খাত করা, যত বেশি সম্ভব উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাকে হত্যা করা। এর মধ্যে এমন কিছু বাস্তববাদী ইরানি নেতাও ছিলেন, যাঁদের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন আলোচনায় বসার আশা করেছিল।
আরাগচি ও গালিবাফ হলেন সেই দুই গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ কর্মকর্তা, যাঁদের চেষ্টায় গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি রূপরেখা চুক্তিতে পৌঁছেছে, যাতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পথ প্রশস্ত হয়েছে। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পরবর্তী আলোচনার সুযোগও তৈরি হচ্ছে। বিষয়টিকে পরাজয় হিসেবে আখ্যা দিয়েছে নেতানিয়াহুর সরকার। সূত্র : দ্য নিউইয়র্ক টাইমস
