• ই-পেপার

ইসরায়েলে তেল-কয়লা রপ্তানি করছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও ব্রাজিল

রাশিয়ার ওপর সবচেয়ে বড় হামলা চালাল ইউক্রেন

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
রাশিয়ার ওপর সবচেয়ে বড় হামলা চালাল ইউক্রেন
রাশিয়ার মস্কোতে একটি তেল শোধনাগারে গতকাল ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায়। ছবি : রয়টার্স

গত দুই বছরের মধ্যে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর ওপর সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, আগুন লেগেছে এবং রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে পড়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত মস্কোগামী অন্তত ১৯৪টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে রুশ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা। সাম্প্রতিক মাসগুলোর তুলনায় এটি অনেক বড় হামলা, যেখানে সাধারণত ড্রোনের সংখ্যা দুই অঙ্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মস্কো ছাড়াও দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে চালানো হামলায় মোট ৫৫৫টি ড্রোন প্রতিহত করা হয়েছে। ড্রোন হামলার কারণে মস্কোর প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে সাময়িকভাবে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
সূত্র : সিএনএন

 

সামরিক শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর জাপানের

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
সামরিক শক্তি বাড়ানোর দিকে নজর জাপানের

আঞ্চলিক শান্তি বজায় রাখতে এবং যুদ্ধ প্রতিরোধে জাপানের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি। বিবিসিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকরে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী দীর্ঘদিনের শান্তিবাদী নীতি পুনর্বিবেচনা করার ওপর জোর দিয়েছেন।

কোইজুমি জানান, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিরক্ষা জোট সুদৃঢ় করা এবং সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি বহুমাত্রিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলাই টোকিওর মূল লক্ষ্য। সাম্প্রতিক নীতি পরিবর্তনের ফলে জাপান গত ৫০ বছরে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্যসহ ১৭টি চুক্তিবদ্ধ দেশে অস্ত্র সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির অনুমতি পেয়েছে। এরই মধ্যে অস্ট্রেলিয়া জাপানি যুদ্ধজাহাজ কিনতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফিলিপিন্স, ইন্দোনেশিয়া ও নিউজিল্যান্ডও জাপানি ডেস্ট্রয়ার কিনতে চেয়েছে।

২০২৫ সালের অক্টোবরে ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির প্রশাসন জাপানি সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯ সংশোধনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে। অনুচ্ছেদটি আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তিতে যুদ্ধ বা শক্তি প্রয়োগের অধিকারকে বর্জন করে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নয়, বরং একজন সংসদ সদস্য হিসেবে কোইজুমি এই সংশোধনের সমর্থন করে বলেন, বিগত আট দশকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। শান্তি বজায় রাখতে আমাদের এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে।

বিশেষ করে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা এবং উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা জাপানের জন্য বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তাকাইচি সরকার প্রতিরক্ষা বাজেট দ্বিগুণ করে জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করেছে, যা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে ব্যয় হবে। সূত্র : বিবিসি

 

 

সৌদিতে সফল অস্ত্রোপচারে আলাদা ফিলিপিন্সের যমজ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
সৌদিতে সফল অস্ত্রোপচারে আলাদা ফিলিপিন্সের যমজ

সৌদি আরবে বুকের অংশ ও পেট জোড়া লাগানো দুই বছর বয়সী ফিলিপিনো যমজ শিশু অলিভিয়া ও জিয়ানার সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।  কনজয়েন্ড টুইনস প্রোগ্রাম-এর অধীনে রাজা সালমান ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নির্দেশনায় ২২ জন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞের একটি দল প্রায় আট ঘণ্টার এই জটিল প্রক্রিয়া পরিচালনা করে। ২০২৪ সালের এপ্রিলে ফিলিপিন্সের নুয়েভা ইসিজায় জন্ম নেওয়া এই কন্যাশিশু দুটি ওমফালোপ্যাগাস জটিলতায় আক্রান্ত ছিল। চলতি বছরের শুরুতে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রিয়াদে নিয়ে আসা হয়। সূত্র : আরব নিউজ

 

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় এক হাজারের বেশি নিহত

কালের কণ্ঠ ডেস্ক
যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় এক হাজারের বেশি নিহত

ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলা থামেনি। গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হামলায় এক হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে গতকাল বৃহস্পতিবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এক হাজার পাঁচজন নিহত হয়েছে। এতে অবরুদ্ধ উপত্যকার মানবিক পরিস্থিতি আরো নাজুক হয়ে উঠেছে। হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে গত অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে এখনো পৌঁছানো যায়নি। ফলে মাঝেমধ্যে হামলার ঘটনা ঘটছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য সংস্থা মেডিক্যাল এইড ফর প্যালেস্টিনিয়ানসের গাজাবিষয়ক পরিচালক ফিকর শালতুত বলেন, গাজা আরেকটি মর্মান্তিক মাইলফলকে পৌঁছেছে। অনেক মানুষকে বলা হয়েছিল, সবচেয়ে খারাপ সময় পেরিয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবে তারা এখনো নিজেদের স্বজনদের দাফন করছে।

যুদ্ধবিরতি গাজায় বড় পরিসরে লড়াই হয়তো থামিয়েছে, কিন্তু এর পরবর্তী স্তরে যেতে দুই পক্ষ এখনো চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছতে পারেনি। সূত্র : আল জাজিরা